বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Bank - Science

মোট প্রশ্ন৬৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Bank - Science

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৬৭৯

৩০১.
What part of the human body is affected by pneumonia?
  1. stomach
  2. heart
  3. kidney
  4. lungs
  5. None
ব্যাখ্যা
নিউমোনিয়া:
- দুর্বলদেহ অতি সহজেই রোগ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়।
- নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের রোগ।
- এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ফুসফুস আক্রান্ত হলে নিউমোনিয়া হয়ে থাকে।
- এ রোগে ফুসফুসে এক প্রকার তরল পদার্থ জমা হয়।
- কাঁশি, শ্বাস কষ্ট, বুকে ব্যথা, জ্বর ইত্যাদি নিউমোনিয়া রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
- শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এটি একটি মারাত্মক রোগ।
- নিউমোকক্কাস (Pneumococcus) নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগটি হয়।

লক্ষণ:
- ফুসফুসে শ্লেষ্মা জাতীয় তরল পদার্থ জমে কফ সৃষ্টি হয়,
- দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়,
- কাঁশি ও শ্বাসকষ্ট হয়,
- চূড়ান্ত পর্যায়ে বুকের মধ্যে ঘড়ঘড় শব্দ হয় এবং মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হয়।

প্রতিকার:
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীর সুচিকিৎসা করা,
- তরল ও গরম পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো,
- বেশি করে বিশুদ্ধ পানি পান করা।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০২.
A photographic plate is coated with which of the following?
  1. Silver nitrate
  2. Silver bromide
  3. Silver fluoride
  4. Silver iodide
ব্যাখ্যা
ফটোগ্রাফিক প্লেট:
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে সিলভার ব্রোমাইডের।

⇒ সিলভার ব্রোমাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো AgBr.
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ সাধারণত সিলভার হ্যালাইডের (ব্রোমাইড বা আয়োডাইড) আবরণ থাকে।
- ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩০৩.
What is name for the instrument that measures earthquakes?
  1. Oscillator
  2. Seismograph
  3. Gravimeter
  4. Anemometer
  5. Manometer
ব্যাখ্যা

- ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রের নাম হলো Seismograph।
- অসিলেটর (Oscillator) হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট।
- গ্রাভিমিটার (Gravimeter) হলো পৃথিবীর স্থানীয় মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের (Gravitational field) পরিবর্তন বা তীব্রতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
-অ্যানিমোমিটার যা বাতাসের গতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

• বৈজ্ঞানিক যন্ত্র ও তার ব্যবহার:

- বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র- ব্যারোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ক যন্ত্র-ফ্যাদোমিটার
- দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণায়ক যন্ত্র- ল্যাকটোমিটার।
- তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র- থার্মোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণয়ক যন্ত্র-ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম- সিসমোগ্রাফ।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র- ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- রিখটার স্কেল।

উৎস: Britannica.

৩০৪.
The total number of chromosomes in each human body cell is -
  1. 23
  2. 44
  3. 46
  4. 48
ব্যাখ্যা

ক্রোমোজম:
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু ।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৫.
Who discovered the radioactive element 'radium'?
  1. Maria Curie
  2. Thomas Alva Edison
  3. Pierre Curie
  4. a & c
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম:
- ‘রেডিয়াম’ শব্দটি এসেছে লাতিন শব্দ ‘রেডিয়াস’ থেকে, যার অর্থ ‘রশ্মি’।
- রেডিয়াম তেজস্ক্রিয় মৌলিক পদার্থ।
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮৮।

⇒  তেজস্ক্রিয় মৌল রেডিয়াম আবিষ্কার করেন মেরি কুরি (Marie Curie) এবং তার স্বামী পিয়ের কুরি (Pierre Curie)।
- ১৮৯৮ সালের ২১ ডিসেম্বর এই মৌল আবিষ্কার করেন তাঁরা। 
- তারা তাদের গবেষণার মাধ্যমে রেডিয়াম এবং পোলোনিয়াম নামক দুটি মৌল আবিষ্কার করেন
- এর পাঁচ দিন পর অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর ফরাসি বিজ্ঞান একাডেমিতে এই আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছিলেন কুরি দম্পতি।
- প্রায় এক বছর পর মৌলটির নামকরণ করা হয় রেডিয়াম। 

⇒ মেরি কুরি তার অবদানের জন্য দুটি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন:
- ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে (Physics) - পিয়ের কুরি ও হেনরি বেকেরেলের সঙ্গে যৌথভাবে।
- ১৯১১ সালে রসায়নে (Chemistry) - রেডিয়াম এবং পোলোনিয়াম আবিষ্কারের জন্য।

উৎস: National Institutes of Health (NIH) (.gov).
৩০৬.
What does an electric generator primarily function as?
  1. A source of light
  2. A reservoir of electric charge
  3. An energy converter
  4. Working like a transformer
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক জেনারেটর হলো যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করার মাধ্যম বা বলা যায় এনার্জি কনভার্টার।
- জেনারেটর এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন করা যায়।

- একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরের যান্ত্রিক শক্তি সাধারণত একটি ঘূর্ণায়মান টারবাইন থেকে পাওয়া যায়।
- যান্ত্রিক শক্তি বিভিন্ন উৎস থেকে আসতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র; ড. শাহজাহান তপন।
৩০৭.
Which vitamin is produced in the skin with sunlight?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin B
  3. Vitamin C
  4. Vitamin D
ব্যাখ্যা

- সূর্যের আলো ত্বকে লাগলে যে ভিটামিনটি প্রধানত উৎপন্ন হয় তা হলো ভিটামিন-ডি (Vitamin D)।

ভিটামিন 'ডি':
- সূর্যের বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে ভিটামিন 'ডি' থাকে ।
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাঁড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে ভিটামিন 'ডি' এর দরকার হয়ে থাকে।
- ভিটামিন ‘ডি' এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।

রিকেটস রোগের লক্ষণ:
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া
- গাঁট ফুলে যাওয়া
- পায়ের হাঁড় বেঁকে যাওয়া
- সরু হাঁড়গুলো ভাঁজ খেয়ে যাওয়া
- হাঁড়গুলো ভঙ্গুর হওয়া
- বক্ষদেশ সরু হয়ে যাওয়া ইত্যাদি রিকেটস রোগের লক্ষণ।

রিকেটস রোগের প্রতিরোধ:
- পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
- নবজাতককে কিছুক্ষণ সকালের রোদে রাখা
- ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ইত্যাদি।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৮.
In human blood plasma, water makes up about what percentage of its volume?
  1. 82%
  2. 65%
  3. 70%
  4. 78%
  5. 92%
ব্যাখ্যা
• রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)। 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 

• রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে। 
যথা- 
- লোহিত রক্তকণিকা, 
- শ্বেত রক্তকণিকা এবং 
- অণুচক্রিকা। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০৯.
What is the speed of light in a vacuum?
  1. 300,000 km/s
  2. 300,000 m/s
  3. 3,00,00,000 km/s
  4. 0 m/s
ব্যাখ্যা

◉ শূন্যস্থানে আলোর গতি (Speed of light in a vacuum) হলো একটি universal constant, যার মান প্রায় 300,000 kilometers per second (km/s).

আলো:
- আলো এক প্রকার বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ।
- এ বিকীর্ণ শক্তি তরঙ্গ সৃষ্টি করে স্পন্দন সহকারে উৎস থেকে সর্বদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- আলোর গতিবেগ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল।
- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ প্রায় 3×108 m/s বা 3×105 km/s.
- বিজ্ঞানী ম্যাক্সওয়েল (Maxwell) প্রমাণ করেন যে, সব ধরনের দৃশ্য ও অদৃশ্য আলোর উৎপত্তি বিদ্যুৎ ও চুম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে হয়।
- এজন্য সব ধরনের আলোককে একত্রে বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মি বলা হয়।
- দৃশ্যমান আলো হল বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ রশ্মির সামান্য অংশ মাত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩১০.
Which of the following is a natural polymer?
  1. Polyethylene
  2. PVC
  3. Starch
  4. Nylon
ব্যাখ্যা
পলিমার (Polymer):
- পলিমার বলতে একই ধরনের অনেকগুলো ছোট ছোট অংশ যুক্ত হয়ে যে উচ্চ আণবিক ভরবিশিষ্ট বৃহদাকার অণু তৈরি হয় তাকে বোঝায়। যে ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে পলিমার তৈরি হয় তাকে মনোমার (Monomer) বলা হয়।
- পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। যেমন:
• প্রাকৃতিক পলিমার (Natural Polymers) ও
• কৃত্রিম পলিমার (Synthetic Polymers)।

প্রাকৃতিক পলিমার:
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে প্রাপ্ত পলিমার এ জাতীয় পলিমার। প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি।

কৃত্রিম পলিমার:
- পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার। পলিইথিলিন, পলিস্টারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১১.
Which of the following is not a virus-caused disease?
  1. Polio
  2. Gonorrhea
  3. Herpes
  4. AIDS
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস ঘটিত রোগ:
- ভাইরাস ল্যাটিন ভাষা হতে গৃহীত একটি শব্দ।
- এর অর্থ হল বিষ।
- ভাইরাস বলতে এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক অকোষীয় রোগ সৃষ্টিকারী বস্তুকে বোঝায়।
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: এইডস, জন্ডিস, কোভিড-১৯, হার্পিস, গুটি - বসন্ত, জল - বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, সোয়াইন ফ্লু, পোলিও, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গু জ্বর, ইবোলা ইত্যাদি।

• ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ:
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ট ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ -মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৩১২.
What principle governs the functioning of a jet engine?
  1. Galileo's law of motion of falling bodies
  2. Pascal's law
  3. Newton's first law
  4. Newton's third law
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- জেট ইঞ্জিন এক ধরনের রি-একশন ইঞ্জিন যা দ্রুতগতির গ্যাস নিঃসরনের মাধ্যমে পেছনের এগজষ্টে থ্রাস্ট তৈরি করে ফলে জেট ইঞ্জিন সামনের দিকে গতি লাভ করে ।
- পশ্চাৎমুখী নিঃসৃত গ্যাসের ভরবেগের প্রবাহের হার,বস্তুর সম্মুখ দিকের ভরবেগের পরিবর্তনের হারের সমান হবে।
- এটি নিউটনের ৩য় সূত্র অনুয়ায়ী কাজ করে।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থ বিজ্ঞান (নবম-দশম শ্রেণি)।
৩১৩.
Which planet has the highest number of satellites?
  1. Mars
  2. Uranus
  3. Jupiter
  4. Saturn
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা:
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। 
- শনি গ্রহের উপগ্রহের্ সংখ্যা ১৪৬ টি। 
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৯৫ টি।
- বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।
- ইউরেনাসের উপগ্রহ ২৮ টি।
- নেপচুনের উপগ্রহ ১৬ টি

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।
৩১৪.
What is another name for tear gas?
  1. TNT
  2. Toluene
  3. Benzene
  4. Chloropicrin
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- বেনজিন: বেনজিন এক প্রকার জৈব যৌগ, যার আণবিক সংকেত C6H6.বেনজিন বর্ণহীন, মিষ্টি গন্ধযুক্ত এবং উচ্চ গলনাঙ্কের তরল পদার্থ। ঔষধ, প্লাস্টিক, কৃত্রিম রাবার ও রঞ্জক প্রস্তুত করতে বেনজিন দ্রাবক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- টলুইন: টলুইন হলো একটি বেনজিন উপজাত যৌগ।
- এটির IUPAC নাম মিথাইল বেনজিন।
- এটি একটি অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।
- অনেক সময় শ্বাসের সাথে টলুইন শরীরে প্রবেশ করলে স্নায়ুতান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়
- ক্লোরোপিক্রিন: কাঁদুনে গ্যাস বা ক্লোরোপিক্রিন এর রাসায়নিক নাম হলো ট্রাইক্লোরো-নাইট্রোমিথেন।
- এর রাসায়নিক সংকেত CCI3-NO2

- টিএনটি:
- টিএনটি বা 2,4,6-ট্রাই নাইট্রোটলুইন একটি সুপরিচিত রাসায়নিক ।
- এটি নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ এবং এর রাসায়নিক সংকেত C7H5N3O6
- টিএনটি সামরিক ও নির্মাণ কাজে বিস্ফোরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- HSC রসায়ন ২য় পত্র ; হাজারী ও নাগ।
৩১৫.
Which element has the highest quantity in the atmosphere?
  1. Oxygen
  2. Argon
  3. Nitrogen
  4. Carbon dioxide
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী পৃষ্টের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে।
- বায়ুমণ্ডল মধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তণ করে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত ।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রধান দুটি উপাদান নাইট্রোজেন আবং অক্সিজেন।
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ,
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ,
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ,
- অন্যান্য গ্যাস ০..০২ শতাংশ,
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৬.
Which vitamin is essential for the blood clotting process?
  1. Vitamin B
  2. Vitamin K
  3. Vitamin D
  4. Vitamin C
ব্যাখ্যা

'ভিটামিন কে' রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

ভিটামিন কে (Vitamin K): 
- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনন বা ন্যাপথোকুইনন। 
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। 

ভিটামিন কে -এর উৎস: 
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়। 

ভিটামিন কে-এর কাজ: 
১. কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে। 
২. পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
৩. যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। 

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা: 
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়। 
- ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৭.
The hormone insulin is produced by which organ?
  1. Liver
  2. Pancreas
  3. Thyroid
  4. Adrenal gland
ব্যাখ্যা

◉ Pancreas (অগ্নাশয়)-এর beta cells, যা Islets of Langerhans-এ অবস্থিত, insulin উৎপন্ন করে। Insulin-এর প্রধান কাজ হলো রক্তে শর্করার (glucose) মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। এটি শরীরের কোষগুলিকে গ্লুকোজ শোষণ করতে সাহায্য করে, যার ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়।

ইনসুলিন:
- ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডরিক গ্র্যান্ট বেন্টিং (Frederick G. Banting)।
- তিনি একজন কানাডিয়ান চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং ইনসুলিনের আবিষ্কারক।
- তিনি বিজ্ঞানী Charles H. Best এবং রোমানিয়ান ফিজিওলজিস্ট Nicolas C. Paulescu এর সঙ্গে ১৯২১ সালে ইনসুলিন আবিষ্কার করেছিলেন।
- ইনসুলিন: ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of Langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৮.
At a temperature of 0°C, the minimum distance required for an echo to be heard is:
  1. 10 m
  2. 20 m
  3. 16.6 m
  4. 30 m
ব্যাখ্যা

• 0°C তাপমাত্রায় শব্দের গতি প্রায় 332 m/s হয়। একটি ইকো শোনার জন্য শব্দকে উৎস থেকে প্রতিবিম্বক পর্যন্ত যেতে এবং ফিরে আসতে সময় লাগে। মানুষের কানের জন্য ন্যূনতম ইকো শোনার সময় আনুমানিক 0.1 সেকেন্ড। সুতরাং, ন্যূনতম দূরত্ব d হবে d = v × t / 2 = 332 × 0.1 / 2 প্রায় 16.6 মিটার। এখানে ভাগ করার কারণ হলো শব্দকে দু’বার পথ পাড়ি দিতে হয় যাতে এটি ফিরে আসতে পারে। তাই 0°C-এ ন্যূনতম দূরত্ব, যেখান থেকে ইকো শোনা যায়, প্রায় 16.6 মিটার। সঠিক উত্তর হলো গ 16.6 m

শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৯.
How many bones does the human skeleton consist of?
  1. 205
  2. 206
  3. 207
  4. 208
  5. 204
ব্যাখ্যা
মানব কঙ্কাল: 
- মানব দেহের গঠন কাঠামো হলো কঙ্কাল (Skeleton)। 
- অস্থি (Bone) ও তরুণাস্থি (Cartilage) দ্বারা গঠিত যে তন্ত্র দেহের মূল কাঠামো গঠন করে এবং অভ্যন্তরীণ নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে দেহের ভার বহন করে এবং পেশি সংযোজনের জন্য উপযুক্ত স্থান সৃষ্টি করে তাকে কঙ্কালতন্ত্র (Skeletal system) বলে। 
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬টি অস্থি নিয়ে গঠিত। 
- হৃদপিন্ড, ফুসফুস, পাকস্থলী, যকৃত, মগজ ইত্যাদি দেহের কোমল অঙ্গসমূহকে অস্থির আবরণে সুরক্ষিত রাখে। 
- অস্থিগুলো ঐচ্ছিক মাংসপেশি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকায় ইচ্ছাকৃত অঙ্গ সঞ্চালন ও চলাফেরা করা সম্ভব হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২০.
What is the chemical symbol for limestone?
  1. Ca(OH)2
  2. CH3COOH
  3. CaO
  4.  CaCO3
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3, 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3, 
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2, 
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3, 
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3, 
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২১.
What happens to light when it reaches the event horizon of a black hole?
  1. It accelerates out
  2. It bends and escapes
  3. It reflects back
  4. It gets trapped
ব্যাখ্যা

• যখন কোনো আলো একটি ব্ল্যাক হোলের ইভেন্ট হরাইজনের কাছে পৌঁছায়, তখন এটি অবলম্বন করে চরম মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব। ব্ল্যাক হোলের মাধ্যাকর্ষণ এতই প্রবল যে আলোও পালাতে পারে না। কোনো আলো বা পদার্থ একবার ইভেন্ট হরাইজনের ভেতরে ঢুকে গেলে তা চিরতরে ব্ল্যাক হোলের মধ্যে আটকে যায়। এটি আলোর গতি কমায় না, কিন্তু তার পথ সম্পূর্ণভাবে ব্ল্যাক হোলের কেন্দ্রে আকৃষ্ট হয়। তাই ইভেন্ট হরাইজনের অতিক্রম করা আলো কোনোভাবেই বের হতে পারে না, প্রতিফলিত হয় না এবং কোনোভাবে বাইরে ছড়াতে পারে না। সুতরাং, আলো সেই স্থানে আটকে যায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) It gets trapped.

কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অভ্যন্তরে অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। 
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। 
- নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, এমনটি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২২.
Which of these is considered a clean and renewable energy source?
  1. Hydro Power 
  2. Oil
  3. Coal
  4. Kerosene
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) Hydro Power.

হাইড্রো পাওয়ার বা জলবিদ্যুৎ একটি পরিষ্কার ও নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস। এটি নদী বা জলাধারের পানির প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যা বায়ু বা সূর্যের মতো প্রাকৃতিক চক্রের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে পুনঃউৎপন্ন হয়। হাইড্রো পাওয়ার ব্যবহার করলে বাতাসে দূষণ, কার্বন নিঃসরণ বা গ্রিনহাউস গ্যাসের উৎপাদন খুব কম হয়, তাই এটি পরিবেশবান্ধব। অন্যদিকে, তেল, কয়লা এবং কেরোসিন জীবাশ্ম জ্বালানি, যা দহনের সময় প্রচুর কার্বন নিঃসরণ করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- 
• সৌর শক্তি, 
• জলবিদ্যুৎ, 
• বায়ু বিদ্যুৎ, 
• বায়োগ্যাস, 
• ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- 
• কয়লা, 
• খনিজ তেল, 
• প্রাকৃতিক গ্যাস, 
• নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৩.
What is the chemical symbol for gold?
  1. Ag
  2. Fe
  3. Au
  4. Hg
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক প্রতীক:
- গোল্ড এর রাসায়নিক প্রতীক Au,
- এর পারমাণবিক সংখ্যা 79.
- অণু গঠনের সময় কোন মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের কোন পরমাণু  যুক্ত হওয়ার সামর্থ্যকেই যোজনী বা যোজ্যতা বলে। 
 
অন্যদিকে, 
- Hg হচ্ছে পারদের রাসায়নিক প্রতীক। 
- Fe হচ্ছে আয়রনের রাসায়নিক প্রতীক।
- Ag হচ্ছে সিলভারের রাসায়নিক সংকেত।
 
সূত্র - রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৪.
Which rays can be used to detect lung cancer?
  1. Beta rays
  2. Gamma rays
  3. X-rays
  4. Alpha rays
ব্যাখ্যা
♦ এক্সরে রশ্মি: 
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হল- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়। 
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৫.
Which instrument is used to determine the pressure of a gas?
  1. Manometer
  2. Pyrometer
  3. Hygrometer
  4. Barometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৩২৬.
Which type of ultraviolet (UV) ray is the most harmful to living organisms?
  1. UVA
  2. UVB
  3. UVC
  4. UVD
  5. UVX
ব্যাখ্যা
- UV-C হল সবচেয়ে বিপজ্জনক অতিবেগুনী রশ্মি।

অতিবেগুনী রশ্মি:
- দৃশ্যমান বেগুনি রশ্মির চেয়ে শক্তিশালী বিকিরিত রশ্মিকে অতিবেগুনী রশ্মি (UV রশ্মি) বলে।
- এক্সরের থেকে কম বা ছোট কম্পাঙ্কের বিকিরণ অতিবেগুনি রশ্মি (ultraviolet ray)।
- সূর্য রশ্মি এই বিকিরণের প্রধান উৎস।
- এই রশ্মি আমাদের শরীরের ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরি করে।
- তবে বেশিক্ষণ এই রশ্মি শরীরে পড়লে তা ক্ষতিকর হয়।
- চোখের জন্য এটি বেশ ক্ষতিকর।

উল্লেখ্য, 
- UVC রশ্মি সবচেয়ে ক্ষতিকর কারণ এর শক্তি সবচেয়ে বেশি এবং এটি সরাসরি জীবকোষের ডিএনএ ধ্বংস করতে পারে।
- এই কারণে UVC রশ্মি জীবজগতের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।  

সূত্র: Britannica, WHO ও পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৭.
In the human body, what is the approximate percentage of plasma in the blood?
  1. 30%
  2. 70%
  3. 90%
  4. 55%
  5. 65%
ব্যাখ্যা
• রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)। 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 

• রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে। 
যথা- 
• লোহিত রক্তকণিকা, 
• শ্বেত রক্তকণিকা এবং 
• অণুচক্রিকা। 

• লোহিত রক্তকণিকা:
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি-অবতল, চাকতি আকৃতির এবং নিউক্লিয়াসবিহীন।
- এতে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জন পদার্থ থাকার কারণে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদের Red Blood Cell বা RBC বলে।
- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 

• শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে। ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে।

• অণুচক্রিকা:
- অণুচক্রিকা (platelet) হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নিউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০ দিন।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩২৮.
What is the other name of Folic acid?
  1. Vitamin B9
  2. Vitamin B1
  3. Vitamin B6
  4. Vitamin B12
ব্যাখ্যা
- ফলিক এসিড ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অন্তর্গত এক প্রকার বি ভিটামিন। 
- ফলিক এসিডের অন্য নাম ভিটামিন বি ৯। 

এর কাজ:
- রক্তকণিকা তৈরিতে অংশ নেয়।
- বংশগতির অন্যতম উপাদান ডিএনএ (DNA) গঠনে কাজ করে।
- কোষ গঠন ও বিভাজনে কাজ করে।

- কলিজা, মাছ, মাংস, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি এর ভালো উৎস।
 
উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
৩২৯.
Which is the lightest gas?
  1. Oxygen
  2. Nitrogen
  3. Hydrogen
  4. Helium
ব্যাখ্যা
সবচেয়ে হালকা গ্যাস: 
- হাইড্রোজেন হচ্ছে সবচেয়ে হালকা গ্যাস। 
- হাইড্রোজেন গ্যাস একটি গ্রিন এনার্জি, যাকে দাহ্য করা হলে শুধুমাত্র পানি উৎপন্ন করে, তাই এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- হাইড্রোজেন গ্যাস দাহ্য কিন্তু দহনে সাহায্য করে না। 

হাইড্রোজেন গ্যাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন, বর্ণহীন, স্বাদহীন, গন্ধহীন।
- হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা মৌল।
- বাতাস হাইড্রোজেন এর চেয়ে ১৪.৪ গুণ ভারী।
- জলে প্রায় অদ্রাব্য গ্যাস।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩৩০.
The longest day in the year is on–
  1. ক) April 20
  2. খ) May 1
  3. গ) June 21
  4. ঘ) August 30
ব্যাখ্যা

২১ শে জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
ফলে ২১ শে জুন উত্তর গোলার্ধে বড় দিন ও ছোট রাত হয়।
ঐ দিনই সূর্য উত্তরায়নের শেষ এবং তার পরের দিন থেকে সূর্য দক্ষিন দিক থেকে উঠতে থাকে।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।

৩৩১.
1 kilogram is equal to -
  1. 2.21 Ibs
  2. 2.32 Ibs
  3. 3.32 Ibs
  4. 1.89 Ibs
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
- ভরের এস আই একক কিলোগ্রাম।
১ কিলোগ্রাম = ২.২০৪৬২ পাউন্ড বা ২.২১ পাউন্ড।

এছাড়াও,
- ১ কুইন্টাল = ১০০ কিলোগ্রাম।
- ১ মেট্রিক টন = ১০০০ কিলোগ্রাম।
- ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিক টন।
- ১ পাউন্ড = ১৬ আউন্স।
- ১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি।
- ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
- ১ মিটার = ১০০ সে.মি.।
- ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার।
- ১ মিটার = ১০০ সেন্টিমিটার।
- ১ মিটার = ১০০০ মিলিমিটার।
- ১ কিলোমিটার = ১০০০ মিটার।

উৎস: GeeksforGeeks.
৩৩২.
In which organ system does pneumonia lead to inflammation and fluid accumulation?
  1. Nervous system
  2. Cardiovascular system
  3. Respiratory system
  4. Digestive system
  5. Urinary system
ব্যাখ্যা
• নিউমোনিয়া (Pneumonia): 
- নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয় মানবদেহের ফুসফুস। 
- এ দ্বারা শ্বসণতন্ত্র বা, Respiratory system আক্রান্ত হয় এবং ফুসফুসে প্রদাহ হয় এবং পানি জমতে থাকে।
- অত্যধিক ঠান্ডা লাগলে এ রোগ হতে পারে। 
- হাম ও ব্রংকাইটিস রোগের পর ঠান্ডা লেগে নিউমোনিয়া হতে দেখা যায়। 
- শিশু এবং বয়স্কদের জন্য এটি একটি মারাত্মক রোগ। 

কারণ: 
- নিউমোকক্কাস ( Pneumococcus) নামক ব্যাকটেরিয়া এ রোগের অন্যতম কারণ। 
- এছাড়া আরও বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের আক্রমণে নিউমোনিয়া হতে পারে। 
- এমনকি বিষম খেয়ে খাদ্যনালির রস শ্বাসনালিতে ঢুকলে সেখান থেকেও নিউমোনিয়া হতে পারে। 

লক্ষণ: 
- ফুসফুসে শ্লেষ্মা-জাতীয় তরল পদার্থ জমে কফ সৃষ্টি হয়। 
- কাশি ও শ্বাসকষ্ট হয়। 
- দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ বেশি জ্বর হয়। 
- চূড়ান্ত পর্যায়ে বুকের মধ্যে ঘড়ঘড় আওয়াজ হয়, মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩৩.
What is the approximate percentage of oxygen in the Earth's atmosphere?
  1. 50%
  2. 10%
  3. 35%
  4. 21%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি। 

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
- নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ, 
- অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ (প্রায় ২১%), 
- আরগন : ০.৮০ শতাংশ, 
- জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ, 
- অন্যান্য গ্যাস ০.০২ শতাংশ, 
- ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৩৪.
Which transformation occurs when light energy is converted into chemical energy?
  1. Coal burning
  2. Bulb glowing
  3. Steam turning turbine
  4. Magnet attracting iron
  5. Light falling on photographic film
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর:
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। 

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি: কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি: কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি : কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩৫.
Which was the first metal used by man?
  1. ক) Copper
  2. খ) Silver
  3. গ) Bronze
  4. ঘ) Brass
ব্যাখ্যা

Copper was first used by man over 10,000 years ago.
A copper pendant discovered in what is now northern Iraq has been dated about 8700 B.C.
For nearly five millennia copper was the only metal known to man, and thus had all the metal applications.
Source: www.copper.org

৩৩৬.
What is the value of the Triple point of water?
  1. ক) 273.16 K
  2. খ) 273.16°C
  3. গ) 0°C
  4. ঘ) -273.16 K
  5. ঙ) 30°C
ব্যাখ্যা
Triple point of water is the temperature at which ice, water and water vapours coexist. The value of the Triple point of water is 273.16 K. Kelvin is the S.I unit of Temperature represented by symbol K.
৩৩৭.
What is the proportion of carbohydrates, protein, and fats in a balanced diet?
  1. 4 : 3 : 2
  2. 4 : 2 : 3
  3. 4 : 2 : 2
  4. 4 : 1 : 1
ব্যাখ্যা
খাদ্য গ্রহণ নীতিমালা:
- সুষম খাদ্য উপাদান বাছাই বা আহার উন্নত জীবন যাপনের একটি পূর্বশর্ত।
- তাই খাদ্য গ্রহণ নীতিমালা প্রত্যেকের জানা অত্যন্ত প্রয়োজন।
- কারণ খাদ্য নির্বাচন, খাদ্যের পুষ্টিমান, ক্যালরি, পারিবারিক আয় ইত্যাদি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকলে প্রত্যেক সদস্যের খাদ্য চাহিদা মেটানো সম্ভব হয় না।

সুষম খাদ্যের বৈশিষ্ট্য:
১। একজন মানুষের বিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদনের সামর্থ্য থাকতে হবে।
২। সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাদ্যের অনুপাত ৪ : ১ : ১।
৩। সুষম খাদ্য তালিকায় ফল ও টাটকা শাকসব্জি থাকতে হবে।
৪। খাদ্যের প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি ও খনিজ লবণ থাকতে হবে।
৫। সুষম খাদ্য অবশ্যই সহজপাচ্য হতে হবে।

- সুস্থ সবল ও উন্নত জীবন যাপনের জন্য সুষম খাদ্যের কোনও বিকল্প নেই।
- তাই দেহের পুষ্টির জন্য ছয় উপাদানবিশিষ্ট খাদ্য অন্তর্ভুক্ত করে সুষম খাদ্যের তালিকা বা পরিকল্পনা করা একান্তগুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৮.
Deficiency of which vitamin causes Beriberi?
  1. Vitamin B1
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin A
ব্যাখ্যা

• ভিটামিন B1 বা থায়ামিনের অভাবে 'বেরিবেরি' নামক রোগ হয়।

• বেরিবেরি রোগ:
- ভিটামিন B1 বা থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
- থায়ামিনের অভাবে স্নায়ুর দুর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ার অরুচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।
- থায়ামিনের অভাবে সৃষ্ট বেরিবেরি রোগ দুই প্রকার।

যথা-
১. আর্দ্র বেরিবেরি এবং
২. শুষ্ক বেরিবেরি।

• থায়ামিনের অভাবজনিত অবস্থা:
১. থায়ামিনের অভাবে ক্ষুধামন্দা/অরুচি হয়।
২. বদহজম হয়।
৩. বেরিবেরি নামক রোগ হয়।
৪. দুর্বলতা ও হাত পায়ের অবসন্নতা দেখা দেয়।
৫. পরিপাকের ব্যাঘাত ঘটে।

• ভিটামিন বি-১ বা থায়ামিন:
- ভিটামিন B1 এর রাসায়নিক নাম থায়ামিন।
- থায়ামিন পানি, উচ্চ তাপ ও ক্ষারে নষ্ট হয়।
- ভিটামিন B1 বা থায়ামিনের ভালো উৎস হলো ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, ডাল, তেলবীজ, বাদাম, যকৃৎ, টাটকা ফল ও সবজি।
- প্রাণিজ উৎসের মাঝে রয়েছে যকৃত, ডিম,দুধ, মাছ ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ভিটামিন এ- এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
- দীর্ঘদিন ধরে ভিটামিন সি -এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
- ভিটামিন D এর অভাব মাংসপেশী দুর্বলতা, হাড়ের ব্যথা, এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

উৎস:
১. গার্হস্থ্যবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩৯.
When light falls on photographic film and an image is formed, the energy transformation is:
  1. Chemical energy to light energy
  2. Light energy to chemical energy
  3. Heat energy to light energy
  4. Mechanical energy to chemical energy
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর:
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। 

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি: কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি: কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি : কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪০.
Which of the following is not a fertilizer mineral?
  1. ক) Nitrate
  2. খ) Phosphate
  3. গ) Tungsten
  4. ঘ) Potash
ব্যাখ্যা

- Tungsten (W), also called wolfram, chemical element, an exceptionally strong refractory metal of Group 6 (VIb) of the periodic table, used in steels to increase hardness and strength and in lamp filaments.

- Tungsten metal was first isolated (1783) by the Spanish chemists and mineralogists Juan José and Fausto Elhuyar by charcoal reduction of the oxide (WO3) derived from the mineral wolframite.

Source: Britannica

৩৪১.
The reasons for the transformation of the same substance into three states?
  1. Number of molecules
  2. Effect of heat
  3. Chemical change
  4. Arrangement of atoms
ব্যাখ্যা
• তাপমাত্রার পরিবর্তন পদার্থের তিন অবস্থার পরিবর্তনের জন্য দায়ী।

- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে।
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন, বই, খাতা, কলম, চেয়ার, টেবিল, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সব পদার্থ।
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে।
যথা: কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কক্ষ তাপমাত্রায় বেশির ভাগ পদার্থই কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে।
- তাপমাত্রার পরিবর্তনই পদার্থের তিন অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়।
- পদার্থের এ তিন অবস্থার মধ্যে আবার বেশ সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও ধর্ম বর্তমান।
- সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে কঠিন পদার্থের আকার ও আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
- তরলের ক্ষেত্রে আয়তন ঠিক থাকলেও আকারের পরিবর্তন ঘটে।
- পানিকে গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে এবং বোতলে রাখলে ঐ বোতলের আকার ধারণ করে।
- বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন আকার ও আয়তন থাকে না।
- পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বিশেষ ভূমিকা রাখে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪২.
The most species-rich group in the animal kingdom is:
  1. Echinodermata
  2. Arthropoda
  3. Porifera
  4. Cnidaria
ব্যাখ্যা

• প্রাণিজগতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রজাতি-সমৃদ্ধ গ্রুপ হলো আর্থ্রোপোডা (Arthropoda)। এ গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীরা হলো পোকা, ক্রাস্টেসিয়ান, আর্কেনিড এবং মিলিপেডের মতো বিভিন্ন ধরণের প্রাণী। তাদের দেহ সাধারণত সেগমেন্টেড এবং এক্সোস্কেলিটন দ্বারা আবৃত থাকে, যা তাদের সুরক্ষা দেয় এবং চলাচল সহজ করে। আর্থ্রোপোডরা পৃথিবীর প্রায় সব পরিবেশে বাস করে, মাটি, জল এবং বাতাসে তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এদের বৈচিত্র্য এবং অভিযোজন ক্ষমতার কারণে তারা প্রাণিজগতের সবচেয়ে বিস্তৃত ও প্রজাতি-সমৃদ্ধ গ্রুপ। প্রায় ১০ লাখেরও বেশি প্রজাতি এই গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত বলে বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

আর্থ্রোপোডা (Arthropoda): 
- Arthro শব্দের অর্থ সন্ধি, Poddos শব্দের অর্থ পা। এই শব্দ দুটি থেকে এই পর্বের নামকরণ করা হয়েছে। 
- আর্থ্রোপোডা পর্বটি প্রাণিজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্ব। 
- এরা পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র সকল পরিবেশে বাস করতে সক্ষম। 
- এদের বহু প্রজাতি অন্তঃপরজীবী ও বহিঃপরজীবী হিসেবে বাস করে। 
- বহু প্রাণী স্থলে, স্বাদু পানিতে ও সমুদ্রে বাস করে। 
- এ পর্বের অনেক প্রজাতির প্রাণী ডানার সাহায্যে উড়তে পারে। 

সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
- দেহ মন্তক, বক্ষ ও উদর এই তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান।
- মাথায় একজোড়া পুঞ্জাক্ষি ও অ্যান্টেনা থাকে। 
- নরম দেহ কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আবরণী দ্বারা আবৃত। 
- ম্যালপিজিয়ান নালিকা নামক রেচন অঙ্গ বিদ্যমান। 
- দেহের রক্তপূর্ণ গহ্বর হিমোসিল নামে পরিচিত। 
উদাহরণ: প্রজাপতি, চিংড়ি, আরশোলা ও কাঁকড়া ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩৪৩.
Which of the following processes results in an increase of entropy?
  1. Compression of gas
  2. Condensation of steam
  3. Melting of ice
  4. Freezing of water
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলির মধ্যে, “Melting of ice” বা বরফ গলানো প্রক্রিয়ায় এন্ট্রপি বৃদ্ধি ঘটে। কারণ এন্ট্রপি হলো অণুসমূহের অগণিত অবস্থার পরিমাপ, যা অগোছালো বা বিশৃঙ্খলতা নির্দেশ করে। বরফের কঠিন অবস্থায় জল অণুগুলি একটি সুসংগঠিত স্থির কাঠামোতে থাকে। যখন বরফ গলে তরল জলে পরিণত হয়, তখন অণুগুলির স্থানান্তর স্বাধীনতা ও অগোছালো গতিশীলতা বেড়ে যায়। অন্যদিকে, গ্যাসের সংকোচন বা বাষ্পের ঘনীভবন এবং জলের জমে যাওয়া প্রক্রিয়ায় অণুগুলি আরও সুশৃঙ্খল অবস্থায় চলে যায়, যা এন্ট্রপি হ্রাস করে। তাই, বরফ গলানো হল সেই প্রক্রিয়া যা এন্ট্রপি বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।
 
 এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এনট্রপি (Entropy) বলে।
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সংকুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৩৪৪.
What is the primary component of Compressed Natural Gas (CNG)?
  1. Methane 
  2. Butane
  3. Ethanol
  4. Propane
ব্যাখ্যা

• Compressed Natural Gas (CNG) প্রধানত একটি গ্যাসীয় জ্বালানি যা পরিবেশ বান্ধব এবং তেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর প্রধান উপাদান হলো Methane (CH4)। Methane হালকা, দাহ্য এবং প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস আকারে পাওয়া যায়, যা অন্যান্য হাইড্রোকার্বনের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম দূষণ উৎপন্ন করে। CNG-এর মধ্যে Methane-এর উচ্চ অংশ থাকায় এটি সহজে দহনযোগ্য এবং শক্তিশালী জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। Butane, Ethanol বা Propane-এর তুলনায় Methane বেশি নিরাপদ, কম CO2 নির্গমন করে এবং পরিবহন ও গৃহস্থালিতে ব্যবহারযোগ্য। তাই CNG-এর কার্যকারিতা ও পরিবেশগত সুবিধার মূল ভিত্তি Methane.

- সঠিক উত্তর: ক) Methane.

• সিএনজি:
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas.
- CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ  - মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে।
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি।
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৫.
Which is the symbol of Formic acid?
  1. C-HOOC
  2. CH-COH
  3. H-COOH
  4. COH-CH
ব্যাখ্যা
এসিডের নাম ও সংকেত:
• ফসফরিক এসিড - H3PO4
• ফরমিক এসিড - H-COOH
• অ্যাসিটিক এসিড - CH3-COOH
• কার্বনিক এসিড - H2CO3
• সাইট্রিক এসিড - C6H8O7
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড - HCI
• নাইট্রিক এসিড - HNO3
• সালফিউরিক এসিড - H2SO4

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৬.
What is Rhizobium?
  1. A nitrogen-fixing bacterium
  2. A photosynthetic algae
  3. A parasitic protozoan
  4. A type of fungus
ব্যাখ্যা

• Rhizobium হলো একটি নাইট্রোজেন ফিক্সিং ব্যাকটেরিয়া যা মূলত মাটির মধ্যে পাওয়া যায় এবং Leguminous উদ্ভিদের মূলগহ্বরের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি উদ্ভিদের মূলের nodules এ বাস করে এবং বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনকে এমন একটি আকারে রূপান্তর করে যা উদ্ভিদ সরাসরি শোষণ করতে পারে। এই প্রক্রিয়াকে নাইট্রোজেন ফিক্সেশন বলা হয়, যা মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। Rhizobium উদ্ভিদ ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পারস্পরিক সহায়ক সম্পর্ক তৈরি করে, যেখানে উদ্ভিদ ব্যাকটেরিয়াকে খাদ্য সরবরাহ করে এবং ব্যাকটেরিয়া উদ্ভিদকে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন দেয়। তাই এটি কৃষি ও মাটির উর্বরতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

- সঠিক উত্তর: ক) A nitrogen-fixing bacterium.
 
রাইজোবিয়াম: 
- রাইজোবিয়াম এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। 
- এই ব্যাকটেরিয়া শিম ও ডাল জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ের কাছে অবস্থান নিয়ে বায়ু থেকে নাইট্রোজেন গ্রহন করে শিকড়ে গুটি তৈরি করে। 
- এ ব্যাকটেরিয়া বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংযোজন করে নিজের প্রয়োজন মিটায় এবং উদ্ভিদে সরবরাহ করে। 
- শিম জাতীয় উদ্ভিদ যেমন- মুগ, মসুর, ছোলা, মটর, সয়াবিন, চিনাবাদাম, ধইঞ্চা ইত্যাদি ফসলে ব্যাকটেরিয়া সার ব্যবহার করে উত্তম ফসল পাওয়া যায়। 
- নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী রাইজেবিয়াম অণুজীব সার ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৭.
What kind of acid is in vinegar?
  1. Acetic Acid
  2. Ascorbic Acid
  3. Lactic Acid
  4. Sulfuric Acid
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
(Ascorbic Acid):
- অ্যাসকরবিক অ্যাসিড (Ascorbic Acid) হলো ভিটামিন-সি এর রাসায়নিক নাম। 
- এটি একটি জৈব এসিড, যা শাকসবজি, ফল প্রভৃতিতে পাওয়া যায়। এর রাসায়নিক সংকেত C6H8O6  
-এটি সাদা দানাদার পদার্থ এবং মানুষসহ বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।

(Acetic Acid):
- ভিনেগার বা এসিটিক এসিডের সংকেত হলো CH3COOH. এটি একটি জৈব এসিড।
- এসিটিক এসিডের ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে বলা হয় ভিনেগার।

(Lactic Acid):
-  ল্যাকটিক এসিড কার্বক্সিলিক এসিড পরিবারের অন্তর্গত একটি জৈব যৌগ , যা নির্দিষ্ট উদ্ভিদের রসে, প্রাণীদের রক্তে এবং পেশীতে এবং মাটিতে উপস্থিত থাকে। এটি টক দুধ, দই এরমতো গাঁজানো দুধজাত পণ্যের সবচেয়ে সাধারণএসিডিক  উপাদান ।

(Sulfuric Acid):
- সালফিউরিক এসিড একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড বা অম্ল। 
- এই রাসায়নিক যৌগটির নাম “হাইড্রোজেন সালফেট”। এটির সংকেত H2SO4। 
- সালফিউরিক এসিড জলে দ্রবণীয়।
- এটি বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ প্রস্তুতে , গাড়ীর ও আইপিএস এর ব্যাটারির ভেতর সালফিউরিক এসিড ব্যাবহার করা হয়।

তথ্যসুত্র:
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।
- Britannica.
৩৪৮.
In plants, food is usually stored in which form within the cell?
  1. Fat
  2. Starch
  3. Protein
  4. Glucose
ব্যাখ্যা

- উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য (গ্লুকোজ) নিজেই তৈরি করে, তবে এই তৈরি করা অতিরিক্ত গ্লুকোজ উদ্ভিদ সরাসরি নিজের দেহে জমিয়ে রাখতে পারে না, কারণ এটি পানিতে দ্রবণীয় এবং কোষের অসমোটিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
- তাই উদ্ভিদ এই গ্লুকোজকে অদ্রবণীয় জটিল শর্করা বা পলিস্যাকারাইড 'স্টার্চ' (শ্বেতসার) হিসেবে পাতা, মূল, কাণ্ড এবং বীজে সঞ্চয় করে রাখে। 

• উদ্ভিদ কোষের বৈশিষ্ট্য: 
- উদ্ভিদ কোষের চারদিকে সেলুলোজ নির্মিত জড় কোষপ্রাচীর বিদ্যমান থাকে। এর নিচে প্লাজমা ঝিল্লী থাকে। 
- কিছু নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ ব্যতীত অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে। ব্যতিক্রম- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদিতে প্লাস্টিড থাকে না। 
- উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য সাধারণত শ্বেতসার বা স্টার্চ। 
- উদ্ভিদ কোষে কোন সেন্ট্রোসোম থাকে না। ব্যতিক্রম- কিছু শৈবাল, মস ও ছত্রাকে সেন্ট্রোসোম থাকে। 
- উদ্ভিদ কোষে সাধারণত বড় আকারের এক বা একাধিক কোষ গহ্বর থাকে এবং স্থায়ী। 
- পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ কোষের আকার সাধারণত পরিবর্তিত হয় না। 
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে না। 
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের পরিধির দিকে থাকে। 
- শুধুমাত্র ভাজক কোষেই লাইসোসোম থাকে। 
- স্নেহ দ্রব্য তরল অবস্থায় থাকে। 

তথ্যসূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৪৯.
Which structure is responsible for the motility of bacteria?
  1. Capsules
  2. Sheath
  3. Flagella
  4. Pilli
ব্যাখ্যা
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
-  ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে।
- পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত।
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 
- ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে।
- এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। একে স্লাইম স্তরও বলা হয়।এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৫০.
Iodine-131 is a:
  1. Stable halogen
  2. Radioiodine
  3. Inert iodine
  4. Iodate compound
ব্যাখ্যা

• Iodine-131 হল একটি Radioiodine, অর্থাৎ এটি একটি তেজস্ক্রিয় আয়োডিন সমজাতীয় পদার্থ। এটি প্রাকৃতিক আয়োডিনের মতই রাসায়নিকভাবে কাজ করে, কিন্তু এর নিউক্লিয়াস অস্থিতিশীল এবং তেজস্ক্রিয় বিকিরণ (বিটা ও গামা রশ্মি) নিঃসরণ করে। মেডিসিনে Iodine-131 প্রধানত থাইরয়েড রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়, যেমন হাইপারথাইরয়ডিজম বা থাইরয়েড ক্যান্সারের চিকিৎসায়। এটি শরীরে থাইরয়েড গ্রন্থিতে জমা হয় এবং স্থানীয়ভাবে বিকিরণ ছাড়ায় প্রভাবিত কোষ ধ্বংস করে। এই কারণে Iodine-131 একটি গুরুত্বপূর্ণ রেডিওনুক্লিয়াইড ও থেরাপিউটিক উপাদান, যা স্বাস্থ্যসেবা ও গবেষণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) Radioiodine.

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৫১.
হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের সংকোচনকে বলে-
  1. ডায়াস্টোল
  2. পেরিকার্ডিয়াম
  3. পেরিঅস্ট্রিয়াম
  4. সিস্টোল
  5. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মানুষের হৃৎপিণ্ড (Heart):
- একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে প্রতি মিনিটে হৃৎপিণ্ড সংকুচিত ও প্রসারিত হয় ৭০ থেকে ৮০ বার এবং গড় হিসাবে ৭৫ বার। (হৃদচক্রের হার- ০.৮ সেকেন্ড)
- পূর্ণ বয়স্ক মানুষের হৃৎপিণ্ডের ওজন প্রায় ২৫০-৩৫০ গ্রাম।

• হৃৎপিণ্ড ৩ স্তর বিশিষ্ট পেশি দ্বারা গঠিত।
যথা: এপিকার্ডিয়াম, মায়োকার্ডিয়াম এবং এন্ডোকার্ডিয়াম।
- পেরিকার্ডিয়াম নামের পর্দার/ ঝিল্লির আবরণে ঢাকা থাকে পুরো হৃৎপিণ্ড।
- মানুষের হৃৎপিণ্ডে প্রকোষ্ঠের সংখ্যা চারটি।

• হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলে- ডায়াস্টোল এবং সংকোচনকে বলে- সিস্টোল।
• প্রবাহমান রক্ত রক্তনালীর গায়ে যে পার্শ্বচাপ দেয় তাকে রক্তচাপ বলে।
রক্তচাপ ২ প্রকার। যথা:
১. সিস্টোলিক রক্তচাপ (১১০-১৪০ মি.মি. পারদ)
২. ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ (৬০-৯০ মি.মি. পারদ)

একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির সিস্টোলিক চাপ ১২০ মি.মি. পারদ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মি.মি. পারদ। একে ১২০/৮০ রূপে
প্রকাশ করা হয়।
মানবদেহের রক্তচাপ (Blood Pressure) নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- স্ফিগমোম্যানোমিটার।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫২.
What is the optimal pH for digestion of food in the stomach?
  1. 2
  2. 4
  3. 7
  4. 9
ব্যাখ্যা

pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7। 
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৩.
One of the occupational health hazards commonly faced by the workers of ceramics, pottery and glass industry is -
  1. ক) stone formation in gallbladder
  2. খ) melanoma
  3. গ) silicosis
  4. ঘ) stone formation in kidney
ব্যাখ্যা

- Silicosis, a chronic disease of the lungs that is caused by the inhalation of silica dust over long periods of time. (Silica is the chief mineral constituent of sand and of many kinds of rock.) Silicosis is a form of pneumoconiosis.
- The disease occurs most commonly in miners, quarry workers, stonecutters, tunnelers, and workers whose jobs involve grinding, sandblasting, polishing, and buffing.

Source: Britannica

৩৫৪.
What do plants take from the air for photosynthesis?
  1. Oxygen
  2. Nitrogen
  3. Carbon dioxide
  4. Hydrogen
ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণের জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂)  গ্রহণ করে।

সালোকসংশ্লেষণ: 

- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এই কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। 
- এই প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 

- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। 
কারণ- 
• পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
• পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
• পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 
- জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি গৃহীত হয় এবং গ্কোলুজ ও অক্সিজেন উৎপন্ন করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য রক্ষা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৩৫৫.
Identify the mineral whose deficiency is associated with goitre.
  1. Sulfur
  2. Iodine
  3. Chromium
  4. Molybdenum
  5. Nickel
ব্যাখ্যা
- 'আয়োডিন' -এর অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়। 

খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্যের ৬টি উপাদান শর্করা, স্নেহ পদার্থ, আমিষ, ভিটামিন, খনিজ লবন এবং পানি প্রধানত আমাদের দেহে ৩টি কাজ করে। 
১. বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ। 
২. তাপ উৎপাদন ও কর্মশক্তি প্রদান। 
৩. রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা প্রদান। 

খনিজ লবন: 
- কয়েক রকমের খনিজ পদার্থ রয়েছে, খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও আয়োডিন উল্লেখযোগ্য। 
- দুধ, পনির, ছোট মাছের কাঁটা, কলমী শাক ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। 
- কলিজা, ডিম, মাংস ইত্যাদিতে লৌহ এবং সামুদ্রিক মাছ ও লবনে আয়োডিন পাওয়া যায়। 
- আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ, লৌহের অভাবে রক্তশূন্যতা, ক্যালসিয়ামের অভাবে রিকেটস ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৬.
AlLA is the name of a- 
  1. Presient
  2. Cyclone
  3. Car
  4. Capital
  5. None of these
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় আইলা: 
- ২০০৯ সালের ২৫শে মে পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানা প্রবল ঘূর্ণিঝড় (সাইক্লোন) আইলা। 
- যার বাতাসের গতিবেগ ছিল ৭০-৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত। 
- আইলা হলো ২০০৯ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরে জন্ম নেওয়া একটি ঘূর্ণিঝড়। 
- ২১ মে ভারতের কলকাতা থেকে ৯৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে এর উৎপত্তি। 
- তবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ এবং ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাংশে আইলা আঘাত হানে ২৫ মে। 
- মালদ্বীপের আবহাওয়াবিদরা এর নাম আইলা দেন। 
- ‘আইলা’ শব্দের অর্থ ডলফিন বা শুশুকজাতীয় জলচর প্রাণী। 
- নামটি এই ঘূর্ণিঝড়ের জন্য নির্ধারণ করেন জাতিসংঘের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আবহাওয়াবিদদের সংস্থা ‘ইউএন এস্কেপ’-এর (UN Escape) বিজ্ঞানীরা। 
- ঘূর্ণিঝড় আইলার ব্যাস ছিল প্রায় ৩০০ কিলোমিটার, যা ঘূর্ণিঝড় সিডর থেকে ৫০ কিলোমিটার বেশি। 
- এটি ১০ ঘণ্টা সময় নিয়ে উপকূল অতিক্রম করে। 
-  বাংলাদেশে আইলা পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালীর হাতিয়া, নিঝুম দ্বীপ, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় জানমালের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। 
- আইলার প্রভাবে খুলনা ও সাতক্ষীরায় ৭১১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়েছে। এই দুই অঞ্চলে প্রাণ হারিয়েছে মোট ১৯৩ জন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৫৭.
Which gas makes up the largest portion of Earth's atmosphere?
  1. Oxygen
  2. Carbon dioxide
  3. Nitrogen
  4. Hydrogen
ব্যাখ্যা

⇒ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বৃহত্তম অংশ নাইট্রোজেন গ্যাস দ্বারা গঠিত।

বায়ুমণ্ডলের উপাদান:
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত।
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমন্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত।
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমন্ডল (Heterosphere) বলে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ:
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%
• আর্গন ⇒ o.৮০%
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%
• ওজোন ⇒ ০.০০০১%
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১%
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৮.
Which date marks the occurrence of equal day and night across the globe?
  1. February 14
  2. December 25
  3. October 31
  4. July 4
  5. September 23
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত: ২২ ডিসেম্বর। 
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত: ২২ ডিসেম্বর। 

 আবার, 
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত: ২১ জুন। 
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন। 
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান: ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫৯.
Which planet is known as the “Red Planet”?
  1. Venus
  2. Mars
  3. Jupiter
  4. Mercury
ব্যাখ্যা

মঙ্গল গ্রহ (Mars):
- মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর নিকটতম প্রতিবেশী।
- বছরের অধিকাংশ সময় একে দেখা যায়।
- খালি চোখে মঙ্গল গ্রহকে লালচে দেখায়।
- এ জন্য এটা লাল গ্রহ নামে পরিচিত।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ২২.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস ৬,৭৮৭কিলোমিটার এবং পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় অর্ধেক।
- এই গ্রহে দিনরাত্রির পরিমাণ পৃথিবীর প্রায় সমান।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে মঙ্গলের সময় লাগে ৬৮৭ দিন।
- মঙ্গল গ্রহের উপরিভাগে রয়েছে গিরিখাত ও আগ্নেয়গিরি।
- মঙ্গলে ফোবোস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

সূত্র: ভূগোল, নবম - দশম শ্রেণি।

৩৬০.
Which two components are primarily present in the chemical structure of a virus?
  1. Carbohydrate and Protein
  2. Lipid and Carbohydrate
  3. Starch and Glycogen
  4. Nucleic Acid and Protein
  5. None of the above
ব্যাখ্যা

• ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান থাকে। 
যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের। 
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬১.
A device which converts chemical energy into electrical energy is called?
  1. Generator
  2. Motor
  3. Transformer
  4. Battery
  5. Capacitor
ব্যাখ্যা

• রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াটি মূলত ব্যাটারি বা তড়িৎকোষের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এতে থাকা ইলেকট্রোলাইট এবং ইলেকট্রোডগুলোর মধ্যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।
- ব্যাটারি ছাড়াও ফুয়েল সেল একই নীতিতে কাজ করে যেখানে রাসায়নিক উপাদানের বিক্রিয়ায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।

• ব্যাটারি:
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। 
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। 
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। যেমন- একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়। 
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋনাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V।
- সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V। 
- আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।

৩৬২.
Where are red blood cells primarily stored in the human body?
  1. Heart
  2. Liver
  3. Kidneys
  4. Spleen
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• লোহিত রক্তকণিকা: 
- মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্তকণিকা দ্বি- অবতল এবং চাকতি আকৃতির। 
- এতে হিমোগ্লোবিন নামে রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে দেখতে লাল বর্ণের হয়। এজন্য এদেরকে Red Blood Cell বা RBC বলে। 
- অন্যভাবে বলা যায়, লোহিত কণিকা প্রকৃতপক্ষে হিমোগ্লোবিন ভর্তি চ্যাপ্টা আকৃতির ভাসমান ব্যাগ। এ কারণে লোহিত কণিকা অধিক পরিমাণ অক্সিজেন পরিবহণ করতে পারে। 
- লোহিত কণিকাগুলোর বিভাজন হয় না। এ কণিকাগুলো সর্বক্ষণই অস্থিমজ্জার ভিতরে উৎপন্ন হতে থাকে এবং উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে চলে আসে। 

- মানুষের লোহিত কণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন। 
- স্তন্যপায়ী প্রাণীদের লোহিত রক্তকণিকাগুলো উৎপন্ন হওয়ার পর রক্তরসে আসার পূর্বে নিউক্লিয়াসবিহীন হয়ে যায়। 
- অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর ক্ষেত্রে এরকম ঘটে না অর্থাৎ এদের লোহিত কণিকাগুলোতে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- লোহিত কণিকা প্লীহা (Spleen) তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬৩.
What is the instrument used to measure the humidity of air?
  1. Anemometer
  2. Thermometer
  3. Barometer
  4. Hygrometer
ব্যাখ্যা

- হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র।

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র:

- ব্যারোমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
- সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
- সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ম্যানোমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
- হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র।
- পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র।
- ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র।
- অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
- ওডোমিটার মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র।
- অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৬৪.
Which is the longest cell in the human body?
  1. Neuron
  2. Nephron
  3. Molecular cell
  4. Macrophage
ব্যাখ্যা
• নিউরন:
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র হলো মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের একক নিউরন, আর অসংখ্য নিউরন নিয়ে গঠিত হয়েছে মস্তিষ্ক।
- প্রাণিদেহের যে তন্ত্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে, বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করে এবং উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা করে, সে তন্ত্রকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।
- মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘতম কোষ হলো নিউরন যা প্রায় 1.37 মিটার লম্বা।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৫.
What is the normal atmospheric pressure at sea level?
  1. 76 mm
  2. 760 mm
  3. 7600 mm
  4. None of these
ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলীয় চাপ: 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হল নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপরে থাকা সম্পূর্ণ বায়ুর স্তম্ভ দ্বারা প্রতি একক ক্ষেত্রফলের ওপর প্রয়োগ করা বল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের জন্য পারদ বারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এটি পারদের একটি স্তম্ভের উচ্চতা দেখায়, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের বায়ুস্তম্ভের ওজনের সমান ভারসাম্য বজায় রাখে।
- এছাড়াও অ্যানেরয়েড ব্যারোমিটার ব্যবহার করা হয়।
- এতে একটি ফাঁপা ধাতব চাকতি থাকে, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের সাথে সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এবং একটি কলম ও ঘড়ি-চালিত ড্রামের সাহায্যে রেকর্ড করা হয়।

• সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ:
- ৭৬০ মি.মি. বা ৭৬ সে.মি. (২৯.৯২ ইঞ্চি) পারদ
- ১৪.৭০ psi
- ১,০১৩.২৫ × ১০³ ডাইন/বর্গ সেন্টিমিটার
- ১,০১৩.২৫ মিলিবার
- ১ atm
- ১০১.৩২৫ কিলোপ্যাস্কেল

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৬৬.
Transpiration primarily helps in:
  1. Gas exchange only
  2. Water absorption and cooling of plant
  3. Seed dispersal
  4. Food production
ব্যাখ্যা

• Transpiration (প্রস্বেদন) হলো উদ্ভিদের পাতা এবং অন্যান্য অংশ থেকে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে বায়ুমণ্ডলে নির্গমন হওয়ার প্রক্রিয়া। এটি শুধু পানি অপসারণ নয়, বরং উদ্ভিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করে। মূলত, এটি মাটির থেকে জল এবং খনিজ লবণ শিকড়ের মাধ্যমে শোষণ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, পানি বাষ্পীভবনের কারণে পাতার পৃষ্ঠে তাপমাত্রা কমে, ফলে উদ্ভিদ শীতল থাকে। অর্থাৎ, Transpiration উদ্ভিদকে পানি শোষণ এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অন্য কোনো কাজ যেমন বীজ বিস্তার বা খাদ্য উৎপাদনে এর সরাসরি ভূমিকা নেই। তাই Transpiration প্রধানত “Water absorption and cooling of plant” এ সহায়ক।

• প্রস্বেদন:
- যে শারীরতাত্ত্বিক (physiological) প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ (সাধারণত পাতা) হতে অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।

• বায়ুমণ্ডলে উন্মুক্ত উদ্ভিদের যে কোনো অংশে প্রস্বেদন সংঘটিত হয়।
- পাতাই উদ্ভিদের প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ।
- গড় হিসেবে শোষিত পানির মাত্র ১% দেহে অবস্থান করে ও কাজে লাগে, বাকি ৯৯% পানি দেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। এটি উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া। 

• প্রস্বেদন হওয়ার স্থানের উপর ভিত্তি করে প্রস্বেদন ৩ প্রকার।
যথা:
→ পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় স্টোমাটা বা পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে। 
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা ৯৫-৯৮ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

→ ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন (Cuticular transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় পত্রত্বকের কিউটিকলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে। 
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা ২-৫ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

→ লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় কাণ্ডের লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে।
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা প্রায় ১ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৩৬৭.
What happens in the oxidation process?
  1. Donation of electrons
  2. Acceptance of electrons
  3. Absorption of neutrons
  4. Donation of protons
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনের স্থানান্তর (Electron Transfaration): 
- রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোকে তাদের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
- ইলেকট্রনের স্থানান্তর এক ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া।
- এটি মূলত জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া।
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া এমন একটি শ্রেণি যেখানে জারণ (Oxidation) ও বিজারণ (Reduction) একই সাথে সংঘটিত হয়। প্রচুর সংখ্যক রাসায়নিক বিক্রিয়া ও জৈবিক বিক্রিয়া এ শ্রেণির অর্ন্তভুক্ত।
- জ্বালানিকে দহন করে শক্তি উৎপাদন, তড়িৎ রাসায়নিক পদ্ধতিতে কস্টিক সোডা ও ক্লোরিন উৎপাদন, ব্যাটারীতে তড়িৎ উৎপাদন, লোহায় মরিচা পড়া, ধাতুর ক্ষয়, তড়িৎ প্রলেপন এ সবই জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার উদাহরণ।
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ও গ্রহণ ঘটে, এটি রেডক্স (Redox) বিক্রিয়া হিসেবে পরিচিত।
- রেডক্স (Redox) শব্দটি বিজারণ বা Reduction এর Red এবং জারণ বা Oxidation এর Ox এর সমন্বয়ে গঠিত। সুতরাং Redox অর্থ জারণ-বিজারণ।
বিজারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ এবং জারণ প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় মৌলের জারণ সংখ্যার পরিবর্তন ঘটে।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬৮.
At which temperature pure water has the maximum density?
  1. 212°
  2. 273°
ব্যাখ্যা
পানির ধর্ম:
- গলনাংক - প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। অর্থাৎ পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস।
- স্ফুটনাংক - প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। অর্থাৎ পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।
- তড়িৎ পরিবাহিতা - বিশুদ্ধ পানি বিদ্যুৎ অপরিবাহী। তবে পানিতে আয়নিক লবণ দ্রবীভূত থাকলে তা তড়িৎ পরিবহন করে। তাই নদী পুকুর, ডোবা ইত্যাদির পানি বিদ্যুৎ পরিবাহী।
- ঘনত্ব - ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাকে।
- অম্লত্ব ও ক্ষারকত্ব - বিশুদ্ধ পানি নিরপেক্ষ। অর্থাৎ বিশুদ্ধ অবস্থায় এটি অ্যাসিড বা ক্ষার কোন ধর্মই প্রদর্শন করে না। বিশুদ্ধ অবস্থায় ২০°-২৭°C তাপমাত্রায় পানির pH হলো ৭, তবে উচ্চ তাপমাত্রার পানির pH ৭ এর নিচে।
- পানির রাসায়নিক গঠন - পানি দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন দিয়ে গঠিত। এর আনবিক সংকেত HO এবং আণবিক ভর ১৮।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৯.
Which blood group is known as the universal receiver?
  1. A
  2. B
  3. O
  4. AB
  5. None
ব্যাখ্যা
AB গ্রুপবিশিষ্ট রক্তকে সার্বজনীন গ্রহিতা বলা হয়।

রক্তের গ্রুপ: 
- মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় ‘A' এবং 'B' নামক দু'ধরনের অ্যান্টিজেন এবং রক্ত রসে ‘a' ও 'b' দু'ধরনের অ্যান্টিবডি থাকে। 
- অ্যান্টিজেন এক প্রকারের পদার্থ যা কোনো জীবদেহে প্রবেশ করানোর ফলে ঐ জীবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং অ্যান্টিবডি হলো এক প্রকারের পদার্থ যা জীবদেহে রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে। 
- অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা যায়। একে রক্তের গ্রুপ বলে। 
- বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O' এবং ‘AB' এ চারটি গ্রুপে নামকরণ করেন। 
- আজীবন মানুষের রক্তের গ্রুপ একই রকম থাকে, পরিবর্তন হয় না।
- যে গ্রুপ অন্য সকল ব্যক্তিকে রক্ত দিতে পারে তাদের সার্বজনীন রক্তদাতা (Universal Donor) বলে। যেমন- O গ্রুপ । 
- যে গ্রুপ অপর যে কোনো গ্রুপের ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করতে পারে তাকে সার্বজনীন রক্ত গ্রহীতা (Universal Recipient) বলে। যেমন- AB গ্রুপ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭০.
Which of the gas is not known as green house gas?
  1. ক) Methane
  2. খ) Nitrous oxide
  3. গ) Carbon dioxide
  4. ঘ) Hydrogen
  5. ঙ) Ozone
ব্যাখ্যা

The list of GreenHouse Gases are as follows:
1) Water vapor
2) Carbon dioxide
3) Methane
4) Nitrous oxide
5) Ozone
6) Chlorofluorocarbons.
Hydrogen is not a GreenHouse Gas.

৩৭১.
Which of the following is the hardest part of the human body?
  1. Dentin
  2. Temporal Bone
  3. Femur
  4. Tooth Enamel
ব্যাখ্যা
এনামেল:
- মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন অংশ দাঁতের এনামেল।
- এনামেল হল মানবদেহের দাঁতের উপরিভাগে থাকা একটি কঠিন, সাদা স্তর যা দাঁতের অভ্যন্তরীণ অংশকে সুরক্ষা দেয়।
- এটি হাইড্রোক্সিপাটাইট স্ফটিক (ক্যালসিয়াম এবং ফসফেট আয়ন) দ্বারা গঠিত।
- যা এটিকে মানবদেহের সবচেয়ে কঠিন ও শক্ত পদার্থে পরিণত কর

অন্যদিকে,
- ফিমার পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি। ইহা দেহের সবচেয়ে লম্বা ও ভারী অস্থি।তবে এটি এনামেলের মতো কঠিন নয়।

উৎস: i) প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica. 
৩৭২.
Which organ in the human body primarily stores iodine?
  1. Thyroid gland 
  2. Pancreas
  3. Kidneys
  4. Liver
ব্যাখ্যা

• মানবদেহে আয়োডিন প্রধানত থাইরয়েড গ্রন্থিতে সঞ্চিত হয়। থাইরয়েড গ্রন্থি, যা গলায় অবস্থিত, শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি আয়োডিন গ্রহণ করে এবং হরমোন উৎপাদন করে, যেমন থাইরক্সিন (T4) এবং ট্রায়োডোথাইরনিন (T3)। এই হরমোনগুলো শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন শক্তি উৎপাদন, বৃদ্ধির হার, এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ। আয়োডিন ছাড়া থাইরয়েড হরমোন তৈরি সম্ভব নয়। তাই আয়োডিনের অভাব থাকলে থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং গোয়িটার বা হরমোনজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। অন্যান্য অঙ্গ যেমন প্যানক্রিয়াস, কিডনি বা লিভার আয়োডিন প্রধানত সঞ্চয় করে না, বরং থাইরয়েডই এটির মূল কেন্দ্র।

- উত্তর: ক) Thyroid gland.
 
খনিজ লবণ (Mineral salts): 
- দেহকোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম, লৌহ, সালফার, দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি থাকে। 
- এ উপাদানগুলো কখনো মৌলিক উপাদানরূপে মানবদেহে অবস্থান করে না, এগুলো খাদ্য ও মানবদেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব এবং অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম এবং হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- স্নায়ুর উদ্দীপনা, পেশি সংকোচন, দেহকোষে পানির সাম্যতা বজায় রাখা, অম্ল ও ক্ষারের সমতাবিধান, এসব কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, ঢেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। 
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে। 
- আয়োডিনের ভালো উৎস হলো সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৭৩.
'Decibel' is a unit to measure ___________. 
  1. Electricity
  2. Light
  3. Heat
  4. Sound
  5. None
ব্যাখ্যা
শব্দ দূষণ: 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
- তরল পদার্থে শব্দের বেগ কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ। 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে ডেসিবল (Decibel)। 
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না। 
- ৮৫ ডেসিবল শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুর করে এবং মাত্রা ১২০ ডেসিবল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, সাধারণত ৬০ ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে। 
সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়। 

অন্যদিকে, 
- তাপের এস আই একক জুল (J)। 
- আলোর তীব্রতার SI একক হল ক্যান্ডেলা। 
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি,পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
৩৭৪.
The branch of science that deals with fossils is known as – 
  1. Archaeology
  2. Paleontology
  3. Anthropology
  4. Fossilogy
ব্যাখ্যা

- প্যালিওন্টোলজি (Paleontology) হলো বিজ্ঞানসম্মতভাবে জীবাশ্ম বা ফসিল (fossil) নিয়ে গবেষণা ও অধ্যয়নের শাস্ত্র।

• জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- Paleobotany হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাচীন উদ্ভিদের জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, এটি জীবাশ্মবিদ্যার (Paleontology) একটি উপশাখা। 

অন্যদিকে, 
- Fossilogy শব্দটি বিজ্ঞানে প্রচলিত বা স্বীকৃত কোনো শাখা নয়। 
- Archaeology হলো প্রাচীন মানুষের বস্তু, স্থাপনা, সংস্কৃতি ও সভ্যতা নিয়ে গবেষণা। 
- Anthropology হলো মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণার শাস্ত্র।। 

তথ্যসূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।

৩৭৫.
What scientific theory proposed that Earth revolves around the sun?
  1. Heliocentrism
  2. Planetology
  3. Cosmology
  4. Soloristry
ব্যাখ্যা

সূর্যকেন্দ্রিকতা:
- সূর্যকেন্দ্রিকতা একটি মহাজাগতিক মডেল যেখানে সূর্যকে একটি কেন্দ্রীয় বিন্দুতে (যেমন, সৌরজগৎ বা মহাবিশ্বের) অবস্থিত বলে ধরে নেওয়া হয়, যখন পৃথিবী এবং অন্যান্য বস্তুগুলি এর চারপাশে ঘোরে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে গ্রীক দার্শনিক ফিলোলাউস এবং হিকেটাস পৃথকভাবে অনুমান করেছিলেন যে পৃথিবী একটি গোলক যা প্রতিদিন মহাবিশ্বকে নিয়ন্ত্রণকারী কোনও রহস্যময় "কেন্দ্রীয় আগুন" এর চারপাশে ঘোরে।
- দুই শতাব্দী পরে, সামোসের অ্যারিস্টার্কাস এই ধারণাটি প্রসারিত করে প্রস্তাব করেছিলেন যে পৃথিবী এবং অন্যান্য গ্রহগুলি একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রীয় বস্তুর চারপাশে ঘোরে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৩৭৬.
Which supplies nitrogen to the body?
  1. Vitamins
  2. Protein
  3. Mineral salts
  4. Fat
ব্যাখ্যা

• আমিষ (Protein): 
- আমিষ বা প্রোটিন-জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
- আমিষে শতকরা 16 ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রনও থকে। 
- নাইট্রোজেন এবং শেষোক্ত উপাদানগুলোর উপস্থিতির কারণে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা। 
শুধু  আমিষজাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

• আমিষের উৎস: 
- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিমের বীচি, শুঁটকি মাছ, চিনাবাদাম ইত্যাদি থেকে আমিষ পাওয়া যায়। 
- উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। 
যথা- প্রাণিজ আমিষ এবং উদ্ভিজ্জ আমিষ। 

• প্রাণিজ আমিষ: 
- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়। 
• উদ্ভিজ্জ আমিষ: 
- ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ। একসময় ধারণা করা হতো এগুলো প্রাণিজ আমিষের তুলনায় কম পুষ্টিকর, কারণ উদ্ভিজ্জ আমিষে প্রয়োজনীয় সবকয়টি অ্যামাইনো এসিড থাকে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রাণিজ আমিষের মতোই সকল অ্যামাইনো এসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে ধারণ করে। 
- অনেক সময়, দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৭৭.
Who is credited with discovering the theory of gravity?
  1. Galileo Galilei
  2. Isaac Newton
  3. Albert Einstein
  4. Stephen Hawking
ব্যাখ্যা
মহাকর্ষ বল:
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন।
- এই সৃষ্টিজগতের সকল বস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে আমরা সেটাকে বলি মাধ্যাকর্ষণ।
- এই মাধ্যাকর্ষণ বল আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে, অর্থাৎ নিচের দিকে টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- পদার্থবিজ্ঞানের একটি চমকপ্রদ বল হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- ভর আছে সেরকম যেকোনো বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।
 
- সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ।
- গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ।
 
সূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৭৮.
What is the full form of CT Scan?
  1. Computed Thermal Scan
  2. Comprehensive Tissue Scan
  3. Computerized Testing Scan
  4. Computed Tomography Scan
ব্যাখ্যা

• সিটি স্ক্যান: 
- পূর্ণরূপ:  Computed Tomography Scan
- সিটি স্ক্যান এর সাহায্যে প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে। 
- সিটি স্ক্যান একটি বৃহৎ যন্ত্র, এ যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
- এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক। 

- সিটি স্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনী, ফুসফুস, ব্রেণ ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায। 
- যকৃত, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটি স্ক্যান ব্যবহৃত হয়। 
- সিটি স্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পাশ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে। 
- মাথার সিটি স্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়। 
- সিটি স্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কীনা তাও জানা যায়। 
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না। 
- সিটি স্ক্যান পরীক্ষায় 'ডাই' ব্যবহৃত হরে এলার্জি জনিত বিক্রিয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭৯.
Which of the following acts as a moderator in a nuclear reactor?
  1. Graphite
  2. Ordinary water
  3. Cadmium rod
  4. Liquid sodium
  5. Uranium-235
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার রিঅ্যাকটরে ফিশন বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন উচ্চ গতিসম্পন্ন নিউট্রনের গতি কমানোর জন্য যে পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাকে মডারেটর বলে। ভারী জল (D2O) বা গ্রাফাইট মডারেটর হিসেবে সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
- নিউট্রনের গতি কমলে তা পরবর্তী ইউরেনিয়াম নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে একটি নিয়ন্ত্রিত শৃঙ্খল বিক্রিয়া (Chain Reaction) বজায় রাখতে সাহায্য করে।

নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর:
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়।
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়।

• মডারেটর:
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- ১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং ২। গ্রাফাইট।

অন্যান্য অপশন:
- ক্যাডমিয়াম দণ্ড: এটি অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে চেইন রিঅ্যাকশন নিয়ন্ত্রণের জন্য 'কন্ট্রোল রড' হিসেবে কাজ করে।
- তরল সোডিয়াম: এটি রিঅ্যাকটরে উৎপন্ন প্রচণ্ড তাপ সরিয়ে নেওয়ার জন্য 'শীতলকারক' বা কুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে।
- ইউরেনিয়াম-২৩৫: এটি রিঅ্যাকটরের মূল জ্বালানি (Fuel) যা ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮০.
What is the primary physical principle that allows light to travel through an endoscope?
  1. Total internal reflection
  2. Refraction
  3. Polarization
  4. Diffraction
ব্যাখ্যা

• এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে আলো চলে যাওয়ার প্রধান শারীরিক নীতি হলো Total Internal Reflection বা পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন। এন্ডোস্কোপের মধ্যে অনেক সরু ফাইবার অপটিক বা কাঁচের তন্তু থাকে, যা লাইট গাইড হিসেবে কাজ করে। যখন আলো ফাইবারের কাচের ভিতরের প্রান্তে নির্দিষ্ট কোণ থেকে আঘাত করে, তখন তা পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়ে ফাইবারের মধ্যে চলতে থাকে, বাইরে বের হয় না। এই প্রক্রিয়ায় আলো দীর্ঘ দূরত্ব পর্যন্ত কম ক্ষয়সহ পৌঁছাতে পারে। Refraction, polarization, বা diffraction এই ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে না; বরং পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নিশ্চিত করে এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে সঠিকভাবে ছবি বা আলো পৌঁছানো যায়।

- সঠিক উত্তর: ক) Total internal reflection.

এন্ডোসকপি (Endoscopy):
- মানুষের উপর কোনো অস্ত্রোপাচার না করে তার শরীরের ভেতরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখার কাজে এন্ডোস্কপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করে থাকি।
- এন্ডোসকপি সাধারণত তখনই ব্যবহার করা হয় যখন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা এক্সরে বা সিটি স্ক্যান করে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
- এন্ডোসকপির মাধ্যমে চিকিৎসকগন শরীরের অভ্যন্তরে বিশেষ করে পাকস্থলীতে যে কোনো ধরনের অস্বস্থিবোধ, ক্ষত, প্রদাহ এবং অস্বাভাবিক কোষবৃদ্ধি পরীক্ষা করে থাকেন।
- পেটে ব্যাথা, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, পরিপাকতন্ত্র, মূত্রনালী, স্ত্রী প্রজননতন্ত্র প্রভৃতির সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এন্ডোসকপি ব্যবহার নির্ধারণ করেন। এছাড়া পেটের আলসার নির্ণয়ে এন্ডোসকপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্র সাধারণত একটি বাঁকানো টেলিস্কোপ। এই যন্ত্রের দুটি নল থাকে, এদের একটির মধ্যদিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়।
- আলোক তন্ত্রর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহব্বরে প্রবেশ করে।
- এই আলো ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে। দ্বিতীয় আলোক তন্তু নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে।
- প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে।
- ফলে চিকিৎসক পরীক্ষণীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে-তা দেখতে পারে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮১.
What is the chemical formula for alum, a commonly used compound in various applications?
  1. KAlO2
  2. Al(OH)3
  3. Al2O3
  4. [K2S4.Al2(SO4)3. 24H2O]
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• ফিটকিরি বা পটাশ অ্যালাম: 
- ফিটকিরি এর রাসায়নিক সংকেত হলো [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O]
- [ অপশন 'ঘ' তে SOসালফেটের অবস্থানে শুধু S, সালফার রয়েছে, তাই None of the above উত্তর হবে]

- ফিটকিরি সাধারণ মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮২.
What is the scientific name of Vitamin C?
  1. Citric Acid
  2. Lactic Acid
  3. Ascorbic Acid
  4. Malic Acid
  5. None of these
ব্যাখ্যা

ভিটামিন 'সি':
- ভিটামিন 'সি' এর রাসায়নিক নাম হচ্ছে 'অ্যাসকরবিক’ এসিড।
- ভিটামিন 'সি' কে স্কার্ভি প্রতিরোধক ভিটামিন ও বলা হয়।
- বিশুদ্ধ এসকরবিক এসিড সাদা, দানাদার, সহজেই পানিতে দ্রবীভূত হয়।
- তরকারি চুলায় বসিয়ে রাখলে বা বারে বারে গরম করলেও ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়।
- সবজি ও ফলে সামান্য চিনি মেশালে ভিটামিন 'সি' অনেকটা বেড়ে যায়।
- কচুশাক, মুলাশাক, সজিনাপাতা, ধনেপাতা, লাল শাক, খেসারি শাক, বথুয়া শাক, পালং শাক, লাউ শাক, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো ইত্যাদিতে ভিটামিন 'সি' পাওয়া যায়। তবে আমলকিতে সবচেয়ে বেশি ভিটামিন 'সি' রয়েছে।
- ভিটামিন 'সি' এর অভাবে স্কার্ভি নামক রোগ হয়। এতে দাঁতের মাড়ি ফুলে যায়, দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত ক্ষরণ হয়।
- শিশুদের হাঁটুর জয়েন্টে ব্যাথা হয় ও ফুলে যায় এবং রক্ত স্বল্পতা দেখা দেয়।
- এ ভিটামিন খুবই অস্থিতিশীল তাপ, আলো, বাতাস, ক্ষার ও ধাতবের সংস্পর্শে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়।
- পানিতে দ্রবনীয় বলে শাকসবজি পানিতে ভিজিয়ে রেখে দিলে বা সিদ্ধ করে পানি ফেলে দিলে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ পর্যন্ত ভিটামিন 'সি' নষ্ট হয়।

উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৮৩.
The weight of any object is the highest in the -
  1. ক) Center of the earth
  2. খ) Equatorial region
  3. গ) North pole
  4. ঘ) South pole
ব্যাখ্যা

The weight of an object at the Earth’s South pole is slightly more than its weight at the Equator because the polar radius of the Earth is slightly less than the equatorial radius.
Source: www.britannica.com

৩৮৪.
The smallest particle of an element that participates in a chemical reaction is called-
  1. Electron
  2. Proton
  3. Molecule
  4. Atom
ব্যাখ্যা
• মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 
 
পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। 
যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 
 
- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে। 
 
উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
৩৮৫.
Which is the largest planet?
  1. Earth
  2. Saturn
  3. Uranus
  4. Jupiter
ব্যাখ্যা
গ্রহ: 
- বৃহস্পতি হলো সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ, তাই একে 'গ্রহরাজ' বলা হয়।
- এটি একটি গ্যাসীয় গ্রহ, যার বায়ুমণ্ডল প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বৃহস্পতির আকার এতটাই বিশাল যে এটি সূর্যের চারপাশে ১২ বছরের মধ্যে একবার প্রদক্ষিণ করে।
- তবে, বৃহস্পতি গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।
- সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের তুলনায় এটি সবচেয়ে বড় এবং একটি বিশেষত্ব হলো এর বিশাল বায়ুমণ্ডল ও শক্তিশালী মহাকর্ষ বল।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮৬.
To hear an echo, the minimum distance between the source and the reflector must be:
  1. 16.6 meters
  2. 15 meters
  3. 12.6 meters
  4. 8 meters
  5. 20 meters
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
- সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৭.
Which acid is typically found in apples?
  1. Citric acid
  2. Malic acid
  3. Oxalic acid
  4. Tartaric acid
ব্যাখ্যা
এসিড: 
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে। 
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়। 
যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড।
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে, বাংলায় একে অম্ল বলা হয়। 
- এসিড সাধারণত টক স্বাদযুক্ত হয়ে থাকে। 
- লেবু, আমলকি, কাঁচা আমড়া, জলপাই ও করমচায় প্রয়োজনীয় সাইট্রিক এসিড থাকে। 
- তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকে। 
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড। 
- আপেল ও আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড। 
- আমাদের পাকস্থলিতে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন হয় যা খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 
- বাজারে যে সকল সফট ড্রিংকস পাওয়া যায়, এগুলো প্রকৃত অর্থে কার্বনিক এসিডের দ্রবণ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮৮.
Which of the following is the primary element found in coal?
  1. Carbon
  2. Silicon
  3. Phosphorus
  4. Sulfur
ব্যাখ্যা
• কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 

- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা - ১। অ্যানথ্রাসাইট, ২। বিটুমিনাস এবং ৩। লিগনাইট। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৮৯.
What is the hardest natural substance on Earth?
  1. Silver
  2. Diamond
  3. Iron
  4. Gold
ব্যাখ্যা
- কার্বন একটি অধাতু এবং বিজারক পদার্থ।
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক।
- হীরক কাচ কাটতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯০.
What is the scientific term for the study of beekeeping?
  1. Apiculture
  2. Sericulture
  3. Pisciculture
  4. Horticulture
ব্যাখ্যা

- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা : এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা :  সেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা : পিসিকালচার।
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা : প্রণকালচার।
- উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা : হর্টিকালচার।
- পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা : এভিকালচার।
- সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা : মেরিকালচার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৩৯১.
Which of the following is obtained as a by-product in soap preparation?
  1. Alcohol
  2. Glycerin
  3. Methane
  4. Carbon dioxide
ব্যাখ্যা
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
- সাধারণত সাবান হলো উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK)।
- এর রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa)।
- সাবান তৈরি করা হয় চর্বি এবং ক্ষার থেকে।

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩৯২.
Which of the following is the brightest star in the sky?
  1. proxima centauri
  2. Sirius
  3. Polaris
  4. Sun
ব্যাখ্যা
• লুব্ধক:
- আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র লুব্ধক।
- লুব্ধক পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা।
- লুব্ধক এত উজ্জ্বল দুটি কারণে- এর স্বকীয় উজ্জ্বলতা এবং এর অবস্থান পৃথিবীর খুবই নিকটে।
- এটি একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
- লুব্ধক বলতে মূলত 'সিরিয়াস' (Sirius) তারাটিকে বোঝায়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩৯৩.
Which material exhibits the highest electrical conductivity?
  1. Platinum
  2. Copper
  3. Gold
  4. Aluminum
  5. Silver
ব্যাখ্যা
• পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, 
I ∝ V 
বা, I = GV 
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 

- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশী তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশী। 
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশী। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 

- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়।
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি। 
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৪.
Which is the approximate percentage of Carbon Dioxide (CO2) in Earth's atmosphere?
  1. 0.01%
  2. 0.03%
  3. 0.30%
  4. 3.03%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের উপাদান:
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত।
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমন্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত।
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমন্ডল (Heterosphere) বলে।

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ:
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%
• আর্গন ⇒ o.৮০%
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%
• ওজোন ⇒ ০.০০০১%
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১%
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%

তথ্যসূত্র - ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৫.
Which of the following is not a Greenhouse Gas?
  1. Carbon dioxide
  2. Nitrogen gas
  3. Chlorofluorocarbon
  4. Methane
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস গ্যাস:
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে।
- গ্রিন হাউস ইফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।

উল্লেখ্য,
- বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাসের ক্রমাগত বৃদ্ধি বৈশ্বিক পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নকে ত্বরান্বিত করছে।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পরিবেশের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তাকে গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া বলে।
- গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে।
- ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও তীব্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- এছাড়াও গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবী থেকে বহুপ্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৯৬.
In a neutralization reaction, what substance is typically generated?
  1. Water
  2. Sodium hydroxide
  3. Hydrochloric acid
  4. Carbon dioxide
  5. Methane
ব্যাখ্যা
• প্রশমন বিক্রিয়া (Neutralization Reaction):
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড তথা এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
- যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
- এই বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়।

- যেমন - লঘু NaOH দ্রবণে ধীরে ধীরে লঘু HCl দ্রবণ করলে NaCl (লবণ) এবং H2O (পানি) উৎপন্ন হয়।
- প্রশমন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ প্রশমন বিক্রিয়া একটি তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৭.
Which is the largest bone in the human body?
  1. Fibula
  2. Radius
  3. Humerus
  4. Femur
ব্যাখ্যা
♦ ফিমার: 
- মানবদেহে ২০৬ টি অস্থি বিদ্যমান। 
- ফিমার হচ্ছে মানবদেহে সবচেয়ে বড় অস্থি। 
- এটি দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি। 
- এর ঊর্ধ্ব প্রান্তে একটি গােল মস্তক, গ্রীবা ও ছােট-বড় ট্রোকেল্টার অবস্থিত। 
- নিম্নপ্রান্ত দুটি কল্ডাইল বিশিষ্ট। 
- ফিমারের মস্তক শ্রেণিচক্র অ্যাসিটামুলামের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এর প্রান্তে Patella নামক চ্যাপ্টা সিগময়েড় অস্থি থাকে। 
- তারপরে রয়েছে পর্যায়ক্রমে টিবিয়া, ফিবুলা, হিউমেরাস, আলনা, রেডিয়াস। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৯৮.
What coating is used in the galvanising process?
  1. Iron
  2. Zinc
  3. Copper
  4. Silver
  5. Nickel
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং:
- যেকোনো ধাতুর উপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
- এক্ষেত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।
- কোনো ধাতুর উপর যেকোনোভাবে জিংকের প্রলেপ দিয়ে গ্যালভানাইজিং করা হয়।

⇒ ইলেকট্রোপ্লেটিং:
- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং।
- এক্ষেত্রে যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়।
- এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৯৯.
By which process does the Sun produce energy?
  1. Thermal reaction
  2. Fission reaction
  3. Chemical reaction
  4. Fusion reaction
  5. Electromagnetic reaction
ব্যাখ্যা
ফিউশন বিক্রিয়া (Fusion Reaction):
- ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্য শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া হলো নক্ষত্রগুলোর প্রধান শক্তি উৎস এবং হালকা মৌলগুলোর নিউক্লোসিনথেসিসের (নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ) প্রধান প্রক্রিয়া।
- ১৯৩০-এর দশকে হান্স বেতে প্রথম হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসের ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ডিউটেরিয়াম গঠনের ফলে বিশাল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় বলে চিন্তাধারা উপস্থাপন করেন।
- এই বিক্রিয়ার ক্রমাগত সংঘটনের ফলে হিলিয়াম তৈরি হয়, যা সাধারণ নক্ষত্রগুলোর (যেমন সূর্য) মূল শক্তির উৎস।
- ফিউশন বিক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে নক্ষত্রের কেন্দ্রীয় প্লাজমার তাপমাত্রা ১৫,০০০,০০০ কে (কেলভিন) বা তার কম হতে হয়।
- হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো একত্রে মিশে হিলিয়ামে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া বিশ্বের শক্তি উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

উৎস: Britannica.
৪০০.
The hardest substances available on the world is -
  1. ক) Gold
  2. খ) Iron
  3. গ) Diamond
  4. ঘ) Platinum
ব্যাখ্যা

- Diamond, a mineral composed of pure carbon.
- It is the hardest naturally occurring substance known; it is also the most popular gemstone.
- Because of their extreme hardness, diamonds have a number of important industrial applications.
- The hardness, brilliance, and sparkle of diamonds make them unsurpassed as gems.
- In the symbolism of gemstones, the diamond represents steadfast love and is the birthstone for April.
- Diamond stones are weighed in carats (1 carat = 200 milligrams) and in points (1 point = 0.01 carat).

Source: Britannica