বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Bank - Science

মোট প্রশ্ন৬৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Bank - Science

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৬৭৯

২০১.
Which of the following is a scalar?
  1. Velocity
  2. Acceleration
  3. Speed
  4. Displacement
ব্যাখ্যা
স্কেলার রাশি:
- যে রাশির শুধু মান আছে কিন্তু দিক নেই তাকে স্কেলার রাশি বলে।
- দ্রুতি: সময়ের সাথে দূরত্বের পরিবর্তনের হার। দ্রুতি স্কেলার রাশি কারণ এর কোন দিক নেই।

ভেক্টর রাশি:
- যে রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে তাকে ভেক্টর রাশি বলে।
- বেগ: সময়ের সাথে সরণের পরিবর্তনের হার। মান ও দিক উভয়ই আছে তাই ভেক্টর রাশি।
- ত্বরণ: বেগের পরিবর্তনের হার। মান ও দিক উভয়ই আছে।
- সরণ: নির্দিষ্ট দিকে বস্তুর অবস্থার পরিবর্তন। মান ও দিক উভয়ই আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২০২.
Which one is an essential amino acid?
  1. Glycine 
  2. Valine 
  3. Serine 
  4. Cystine 
ব্যাখ্যা
• অপশনসমূহের মধ্যে ভ্যালিন (Valine) হচ্ছে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড। 
 
আমিষ: 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যাামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। 
- উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার। যথা- 
১. প্রাণিজ আমিষ ও 
২. উদ্ভিজ আমিষ। 

প্রাণিজ আমিষ: 
- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তাই প্রাণিজ আমিষ। 
যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি। 

উদ্ভিজ আমিষ: 
- উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
যেমন- ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি,বাদাম ইত্যাদি। 
 
- ২০ টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮ টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়। 
যেমন- লাইসিন, ট্রিপেটোফ্যান, মিথিওনিন, ভ্যালিন (Valine), লিউসিন, আইসোলিউসিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনাইন। 
- এই ৮ টি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীরে সংশ্লেষ করতে পারে।
- প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি। 
- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়।
- অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম।
- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য।
- দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি।
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং ইত্যাদি সবগুলোই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়।
- প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২০৩.
Which source of water contains the highest amount of oxygen?
  1. Pond water
  2. River water
  3. Sea water
  4. Lake water
ব্যাখ্যা
অক্সিজেনের পরিমাণ:
- পানির উপরিভাগে বায়ু থেকে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।
- যে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে তাকে দ্রবীভূত অক্সিজেন বলে।
- একে সংক্ষেপে DO দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ তাপমাত্রা ও চাপের উপর নির্ভরশীল।
- দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণকে পিপিএম (ppm) এককে প্রকাশ করা হয়।
- সাধারণত পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন এর পরিমাণ 4.0-6.0 পিপিএম (ppm)।

⇒ কিছু অক্সিজেন পানির সাথে মিশ্রিত অবস্থায় থাকে।
- পানির সাথে অক্সিজেনের মিশ্রিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে এয়ারেশন (aeration) বলে।
- জলজ উদ্ভিদ যখন সালোকসংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড থেকে খাদ্য (গ্লুকোজ) প্রস্তুত করে তখন বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়।

উল্লেখ্য,
- নদীর পানিতে সাধারণত অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে।
- কারণ নদীর পানি প্রবাহিত হয় এবং এতে ঢেউ ও স্রোতের কারণে বাতাসের সংস্পর্শে বেশি আসে।
- ফলে পানি বাতাস থেকে বেশি পরিমাণে অক্সিজেন শোষণ করতে পারে।

অন্যদিকে,
- স্থির জলাশয়ের (যেমন পুকুর বা লেক) তুলনায় প্রবাহমান পানিতে গ্যাসের আদান-প্রদান বেশি কার্যকরভাবে ঘটে।
- পুকুরের পানি ও লেকের পানি স্থির থাকে, ফলে সেখানে অক্সিজেন কম মিশতে পারে।
- সাগরের পানি গভীরতা এবং লবণাক্ততার কারণে সাধারণত অক্সিজেনের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হয়।

উৎস: i) রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) usgs.gov [link]
২০৪.
Which of the following beams is emitted during radioactive decay and has no mass and no charge?
  1. Alpha beam
  2. Beta beam
  3. Gamma ray
  4. Neutron beam
ব্যাখ্যা
• গামা রশ্মি (β)
- গামা রশ্মি, স্বল্পতম তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং সর্বোচ্চ শক্তির ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ।
- ফরাসি রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী পল ভিলার্ড ১৯০০ সালে গামা রশ্মি আবিষ্কার করেন। একে γ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- গামা রশ্মি এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
- এ রশ্মি আধান নিরপেক্ষ।
- এই রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। 

- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোকের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তুলনায় অনেক কম।
- তবে গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে। 
- মানব দেহে ক্যান্সার আক্রান্ত সেল ধ্বংস করতে বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে, বিজ্ঞানগারে গবেষণার কাজে ও ধাতব বস্তুতে ফাটল নির্ণয়ে গামা রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
- কিন্ত মানবদেহের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর এই গামা রশ্মি।

- গামা রশ্মি একটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
- ভারী এবং অস্থিত তেজস্ক্রিয় মৌল থেকে গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- এটি নির্গমনের সাথে কোনো প্রোটন, নিউট্রন বা ইলেকট্রনের সংখ্যার হ্রাস-বৃদ্ধি বা রূপান্তর ঘটে না।
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মির কোনো ভর নেই।
- আয়নিত করার ক্ষমতা সর্বনিম্ন ও ভেদন ক্ষমতা সর্বোচ্চ।

তথ্যসূত্র:  পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৫.
In a Redox reaction, the substance that denotes electron is known as-
  1. Reductant
  2. Oxidant
  3. Consumer
  4. Electro
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।

• জারণ অর্ধবিক্রিয়া Na0 → Na+ + e (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
• বিজারণ অর্ধবিক্রিয়াCl0 + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

এই দুই অর্ধবিক্রিয়াকে যোগ করলে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া পাওয়া যায়।
• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: Na0 + Cl0 → Na+ + Cl- → NaCl

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণী।
২০৬.
What vitamin is not naturally present in significant amounts in eggs and milk?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin D
  3. Vitamin B12
  4. Vitamin C
  5. Vitamin K
ব্যাখ্যা
• ডিম ও দুধে ভিটামিন-সি ছাড়া সকল ভিটামিন রয়েছে।  
 
- ভিটামিন ‘এ’ : দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।
 
- ভিটামিন ‘বি’: ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদম,
শিমের বীচি, কলিজা, হৃদপিন্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসব্জি ইত্যাদি।

- ভিটামিন ‘সি’: পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস,
কাঁচামরিচ, তাজা শাকসব্জি ইত্যাদি।

- ভিটামিন ‘ডি’: ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।
 
- উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন ‘ই’ ও ভিটামিন ‘কে’ পাওয়া যায়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৭.
What is the source of gamma radiation used in cancer treatment?
  1. Isotone
  2. Isobar
  3. Isotope
  4. Isomer
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়।
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসােটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়।
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- যে সব নিউক্লাইডের নিউট্রন সংখ্যা (N) সমান তাদের বলা হয় আইসােটোন৷
- যে সব নিউক্লাইডের ভর সংখ্যা (A) সমান তাদের বলা হয় আইসােবার।
- একই প্রজাতির দুটি নিউক্লিয়াস যদি দুটি ভিন্ন শক্তি অবস্থায় থাকে এবং কমপক্ষে তাদের একটি যদি ক্ষণস্থায়ী হয়, তাহলে তাদেরকে বলা হয় আইসােমার।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
২. পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র,  এনসিটিবি।
২০৮.
The chemical formula for Oxalic acid is -
  1. H3PO4
  2. H-COOH
  3. HOOC–COOH
  4. CH3-COOH
ব্যাখ্যা

এসিডের নাম ও সংকেত:
• অক্সালিক এসিড: HOOC–COOH.
• ফসফরিক এসিড: H3PO4.
• ফরমিক এসিড: H-COOH.
• অ্যাসিটিক এসিড: CH3-COOH.
• কার্বনিক এসিড: H2CO3.
• সাইট্রিক এসিড: C6H8O7.
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড: HCI.
• নাইট্রিক এসিড: HNO3.
• সালফিউরিক এসিড: H2SO4.

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৯.
Which among the following compounds is most commonly used in the Photochromic lenses?
  1. ক) Potassium Dichromate
  2. খ) Silver Chloride
  3. গ) Potassium ferrate
  4. ঘ) Ferric Chloride
  5. ঙ) Sodium Chloride
ব্যাখ্যা
Silver halides and most commonly silver Chloride is used in Photochromic lenses. But for plastic photochromic lenses, some organic products such as oxazines and naphthopyrans are used.
২১০.
Which planet is known as the “Green Planet”? 
  1. Mercury
  2. Neptune
  3. Uranus
  4. Jupiter
  5. Saturn
ব্যাখ্যা

• ইউরেনাস:
- ইউরেনাস একটি অত্যন্ত ঠান্ডা এবং শীতল গ্রহ।
- এই গ্রহের বায়ুতে প্রচুর পরিমাণে মিথেন গ্যাস উপস্থিত হওয়ায় এটিকে সবুজ রঙের দেখা যায়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলা হয়।
- এটি সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি সৌরজগতের শীতলতম গ্রহ।
- এটিতে শনির মতো একটি বলয় রয়েছে।
- উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮১ সালে গ্রহটি আবিষ্কার করেছিলেন।

- বুধ সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ এবং এটির সূর্যের নিকটতম গ্রহ।
- নেপচুন হলো সৌরজগতের সবচেয়ে দূরতম গ্রহ।
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি। একে গ্রহরাজ বলা হয়।

তথ্যসূত্র:  NASA ওয়েবসাইট।

২১১.
Which is not a part of the hindbrain?
  1. Cerebellum
  2. Pons
  3. Cerebrum
  4. Medulla oblongata
ব্যাখ্যা
⇒ সেরেব্রাম অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।

পশ্চাৎ মস্তিষ্ক:
- এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
(ক) সেরেবেলাম,
(খ) মেডুলা অবলংগাটা এবং
(গ) পনস।

• সেরেবেলাম:
- পশ্চাৎ মস্তিষ্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেরেবেলাম যা সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে অবস্থিত।
- দুটি কুণ্ডলীকৃত সমগোলার্ধ নিয়ে গঠিত যারা ভার্নিস নামে একটি ক্ষুদ্র যোজকের সাহায্যে যুক্ত।
- এটি বাইরের দিকে কর্টেক্স এবং ভেতরের দিকে মেডুলা নিয়ে গঠিত।
- দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ঐচ্ছিক চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- পেশির টান ও দেহভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করে।

• মেডুলা অবলংগাটা:
- এটি পনস ও সুষুম্মাকাণ্ডের মধ্যবর্তী অনেকটা ত্রিকোণাকার পুরু গঠন বিশেষ।
- এটি সুষুম্মাকাণ্ড ও মস্তিষ্কের মধ্যে যোগসূত্র সৃষ্টি করে।
- এটি পৌষ্টিক নালির পেরিস্টালসিস, রক্তনালির সংকোচন- শ্লথন, হৃদস্পন্দন, ফুসফুসের সংকোচন-প্রসারণ, লালাগ্রন্থির ক্ষরণ, মলমূত্র ত্যাগ, বমি ইত্যাদি শরীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।

• পনস:
- এটি সেরেবেলামের অঙ্কভাগে মেডুলার সামনের দিকে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি পিণ্ডাকার গঠন।
- এটি সেরেবেলাম ও মেডুলাকে মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশের সাথে সংযুক্ত করে।
- স্বাভাবিক শ্বাসক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১২.
Among these options, which vitamin plays a critical role in the formation of blood clots?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin K
  5. Vitamin E
ব্যাখ্যা
- রক্ত জমাট বাঁধার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিনটি হলো- Vitamin K (ভিটামিন কে)। 

ভিটামিন কে (Vitamin K): 
- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন। 
- ভিটামিন কে তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। 

ভিটামিন কে-এর উৎস: 
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়। 

ভিটামিন কে-এর কাজ: 
- কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। 
- রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে। 
- ভিটামিন কে পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ভিটামিন কে যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। 

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত সমস্যা: 
- ভিটামিন কে-এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়, ফলে সামান্য কাটাছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৩.
What is the minimum gap needed between the original sound and the reflected sound to perceive an echo?
  1. 1 second
  2. 0.05 second
  3. 0.5 second
  4. 0.1 second
ব্যাখ্যা

• ইকো বা প্রতিধ্বনি তখনই শোনা যায় যখন মূল শব্দ এবং প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যবধান থাকে। মানব কানে দুটি শব্দকে আলাদা করে শোনার জন্য প্রয়োজন অন্তত 0.1 সেকেন্ড ব্যবধান। শব্দ বাতাসে প্রায় 340 মিটার/সেকেন্ড বেগে চলাচল করে, তাই 0.1 সেকেন্ডে এটি প্রায় 34 মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে। প্রতিফলিত শব্দকে আলাদা করে শোনার জন্য শব্দকে অন্তত 17 মিটার দূরে কোনো পৃষ্ঠে গিয়ে প্রতিফলিত হতে হয়, কারণ এটি যাওয়া-আসা মিলিয়ে 34 মিটার পথ পাড়ি দেয়। তাই প্রতিধ্বনি শোনার ন্যূনতম সময় ব্যবধান হলো 0.1 সেকেন্ড।

শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় ০.১ সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং, প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে ০.১ সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- ০°C বা ২৭৩K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি ৩৩২ms-1
- ০°C বা ২৭৩ K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব ০.৩ m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো- শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব ১৬.৬ m (০°C বা ২৭৩ K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৪.
What is the process by which plants convert light energy into chemical energy?
  1. Photosynthesis
  2. Respiration
  3. Fermentation
  4. Photophosphorylation
ব্যাখ্যা
ফটোসিনথেসিস (Photosynthesis):
- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
- যেহেতু সালোক সংশ্লেষনে এর সময় কার্বন-ডাই-অক্সাইড শর্করা জাতীয় খাদ্যে রূপান্তরিত হয় সুতরাং ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ার এই অংশকে কার্বন আত্তীকরণ পদ্ধতি বলে।

অন্যদিকে,
• যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রাণী বিরামহীনভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন (O₂) গ্রহণ করে সে অক্সিজেনের সাহায্যে কোষ মধ্যস্থ সরল খাদ্যকে জারিত করে খাদ্যস্থিত স্থিতিশক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে উৎপন্ন কার্বন ডাইঅক্সাইডকে (CO₂) দেহ হতে ত্যাগ করে তাকে শ্বসন (Respiration) বলে।
• জটিল অণুবিশিষ্ট জৈব যৌগ যেমন- কার্বোহাইড্রেটকে এনজাইম নামক জটিল পদার্থের প্রভাবে বিযোজিত বা আর্দ্র বিশ্লেষণ করে অপেক্ষাকৃত সরল, ক্ষুদ্র অণুবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে Fermentation বা চোলাইকরণ বা গাজন বলে।
•সালোক সংশ্লেষণের সময় ADP এর সাথে কোষে অবস্থিত অজৈব ফসফেট (inorganic phosphate/H3P04/i(P)/ iP/Pi) যুক্ত হয়ে ATP গঠন করে। ADP এর সাথে i(P) যুক্ত করার জন্য অনেক শক্তির প্রয়োজন হয় এবং সালোক সংশ্লেষণে এ প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায় সূর্যালোকের আলো শক্তি হতে। এ প্রকার ফসফোরাইলেশন যেখানে আলোক (photo) শক্তি ফসফোরাইলেশন ঘটায় তাকে ফটোফসফোরাইলেশন বলা হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৫.
The main component of natural gas is-
  1. Nitrogen
  2. Methane
  3. Hydrogen
  4. Carbon dioxide
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার প্রধানত জ্বালানি হিসেবে, এছাড়াও ব্যবহার রয়েছে অনেক সার কারখানায়। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়, কূপ খনন করে ভূগর্ভ থেকে এ গ্যাস উত্তোলন করা হয়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৬.
What principle is used to make a periscope?
  1. Dispersion of light
  2. Total internal reflection
  3. Refraction of light
  4. Reflection of light
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ:
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২১৭.
The water reaches its maximum density at which temperature?
  1. 50°C
  2. 25°C
  3. 10°C
  4. 4°C
  5. 0°C
ব্যাখ্যা
• পানির ঘনত্ব:
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়।  
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
- অর্থাৎ, ১ সি.সি. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি। 
- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২১৮.
Which hormone is responsible for increasing the level of glucose in the bloodstream?
  1. Insulin 
  2. Melatonin
  3. Testosterone
  4. Glucagon
  5. Vasopressin
ব্যাখ্যা

• গ্লুকাগন অগ্ন্যাশয়ের আলফা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। যখন রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যায়, তখন এটি যকৃতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেনকে গ্লুকোজে ভেঙে ফেলে রক্তে সরবরাহ করে, যা শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখে।

- খাবার গ্রহণের দীর্ঘ বিরতিতে, যখন রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যায়, তখন গ্লুকাগন যকৃতে গ্লাইকোজেনোলাইসিস (Glycogenolysis) প্রক্রিয়া সক্রিয় করে এবং রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ নিশ্চিত করে।
- মস্তিষ্ক তার শক্তির জন্য সরাসরি গ্লুকোজের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায়, গ্লুকাগন মূলত হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা নিম্ন রক্তশর্করা জনিত জটিলতা থেকে আমাদের রক্ষা করে।
- কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাবার (যেমন: ভাত, রুটি, ফল) পরিপাক হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে সরাসরি রক্তে গ্লুকোজ হিসেবে শোষিত হয়।
- রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকলে ইনসুলিন তা যকৃৎ এবং পেশিতে 'গ্লাইকোজেন' হিসেবে জমা রাখে, যা বিপদের সময় বা না খেয়ে থাকলে শক্তির জোগান দেয়।

অন্যান্য অপশন:
- Insulin: ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমায় এবং এটি অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
- Melatonin: মেলাটোনিন ঘুম ও জাগরণ চক্র নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি পিনিয়াল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
- Testosterone: টেস্টোস্টেরন মূলত পুরুষের প্রজননতন্ত্রের বিকাশ ও গৌণ যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
- Vasopressin: ভ্যাসোপ্রেসিন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং বৃক্কের মাধ্যমে পানি পুনঃশোষণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। [link]

২১৯.
Which planet in our solar system has the maximum number of moons?
  1. Jupiter
  2. Saturn
  3. Uranus
  4. Neptune
ব্যাখ্যা

- সৌরজগতের গ্রহের মধ্যকার শনিগ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শনি গ্রহ:

- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- শনি গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ভূ-ত্বক বরফে ঢাকা।
- সূর্যের চারদিকে শনির একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৪ বছর।
- গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯ গুণ বড়।
- এর উপগ্রহ রয়েছে ২৭৪টি।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি শনি গ্রহের চারপাশে আরও ১২৮টি নতুন চাঁদের সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
- এই আবিষ্কারের ফলে এখন শনির মোট চাঁদের সংখ্যা ২৭৪। 

উৎস: NASA Science (.gov)

২২০.
To measure the potential difference between two points, which instrument is used?
  1. Ammeter
  2. Hygrometer
  3. Voltmeter
  4. Barometer
  5. Thermometer
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
- এ প্রবাহ আবার দু'রকম। 
যথা- 
১। এসি প্রবাহ এবং 
২। ডিসি প্রবাহ। 

- কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য। 
- এই বর্তনীতে তড়িৎযন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়। 
- এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য দরকার অ্যামিটার। 
- যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২২১.
Which form of energy transformation occurs when coal is burned?
  1. Light energy to chemical energy
  2. Chemical energy to thermal energy
  3. Thermal energy to electrical energy
  4. Electrical energy to light energy
  5. Electrical energy to thermal energy
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর:
- প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে। 

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি: বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি: কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি: ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি: বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি: বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি: কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

• তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি : কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২২.
Solar energy is due to
  1. fission reactions
  2. combustion reactions
  3. fusion reactions
  4. chemical reactions
ব্যাখ্যা
• The Sun generates energy through nuclear fusion reactions, where hydrogen atoms fuse to form helium, releasing a tremendous amount of energy in the process.

- ফিউশন প্রক্রিয়ায় একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে এবং প্রচন্ড তাপশক্তি উৎপন্ন করে।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা-
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন:
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন:
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।
- জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে।
- সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে।

উৎস:
১. সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩. নাসা।
২২৩.
Which scientist is known for the theory of evolution by natural selection?
  1. Isaac Newton
  2. Albert Einstein
  3. Louis Pasteur
  4. Charles Darwin
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বের মূল ভিত্তি হলো 'প্রাকৃতিক নির্বাচন'। Charles Darwin তাঁর বিখ্যাত বই "On the Origin of Species"-এ এই তত্ত্বটি উপস্থাপন করেন।

চার্লস ডারউইন:
- জৈব বিবর্তনের জনক চার্লস রবার্ট ডারউইন।
- উল্লেখ্য, ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে বিবর্তনের আবিষ্কারক নন।
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব বিবর্তনের কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার ধারণা প্রতিষ্ঠা করা যা, বিবর্তনের যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- জৈব বিবর্তনের কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী আলফ্রেড ওয়ারলেস একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ব প্রণয়ন করেন।
- তবে বিভিন্ন এঁতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত।

প্রাকৃতিক নির্বাচন বা যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (Natural Selection or Survival of the Fittest):
- ডারউইনের মতে জীবন ধারণের সংগ্রামে কেবল সেই জীব সাফল্য লাভ করে যাদের দেহে সংগ্রামের পক্ষে অনুকূলে এবং অধিকতর ও সঙ্গত সামঞ্জস্যপূর্ণ অভিযোজন বা প্রকরণ থাকে।
- যে সকল জীবের অভিযোজন বা প্রকরণ সংগ্রাম উত্তরণের উপযোগী নহে তারা পৃথিবী হতে বিলীন হয়ে যায়।
- ডারউইন একে প্রাকৃতিক নির্বাচন (natural selection) বলে অভিহিত করেছেন।
- Herbert Spencer একে যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (survival of the fittest) হিসেবে অ্যাখায়িত করেছেন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৪.
What kind of deficiency causes Beriberi disease?
  1. ক) Riboflavin
  2. খ) Niacin
  3. গ) Thiamine
  4. ঘ) Pyridoxine
ব্যাখ্যা

পানিতে দ্রবণীয় ১২ টি ভিটামিন রয়েছে।
ভিটামিনের এই গুচ্ছকে একত্রে ভিটামিন B কমপ্লেক্স বলে।

থায়ামিন(B1) -
দেহে থায়ামিনের চরম অভাব বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
এর অভাবে স্নায়ুর দূর্বলতা, মানসিক অবসাদ, ক্লান্তি, খাওয়ার অরূচি, ওজনহীনতা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়।

ভিটামিন B1 এর উৎসঃ
ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, ডাল, তেলবীজ, বাদাম, যকৃত, টাটকা ফল ও সবজি
প্রাণিজ উৎসের মাঝে রয়েছে যকৃত, ডিম, দুধ, মাছ ইত্যাদি।

উতসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।

২২৫.
The disease rickets, which affects bone development in children, occurs due to deficiency of:
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin D
  4. Vitamin B6
ব্যাখ্যা

• রিকেটস একটি শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধি ও বিকাশকে প্রভাবিত করা রোগ। এটি মূলত তখন ঘটে যখন দেহে ভিটামিন ডি-এর অভাব থাকে। ভিটামিন ডি হাড়কে শক্তিশালী এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। যখন শিশু পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ডি পায় না, তখন হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়, ফলে হাড় বাঁকানো বা বিকৃত হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে পায়ের হাড়ের বাঁক, স্তনের হাড়ের বৃদ্ধি সমস্যা, দাঁতের দেরী বিকাশ এবং পেশীতে দুর্বলতা। সঠিক খাদ্য, যেমন দুধ, ডিম, এবং সূর্যের আলো ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ করতে সহায়ক। তাই রিকেটস প্রতিরোধে ভিটামিন ডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি- এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস রোগ হয়। 
- দৈনিক চাহিদা থেকে বেশি পরিমাণে ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে শরীরের ক্ষতি হয়। এর ফলে অধিক ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষিত হওয়ায় রক্তে এদের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
- যে কারণে বৃক্ক (কিডনি), হৃৎপিন্ড, ধমনি ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম জমা হতে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২২৬.
Carrot is a good source of -
  1. Vitamin A
  2. Vitamin C
  3. Vitamin B
  4. Vitamin K
ব্যাখ্যা
• ভিটামিন এ (Vitamin A):
- ভিটামিন এ এর রাসায়নিক নাম রেটিনল।
- প্রাণিজ উৎস হতে প্রাপ্ত ভিটামিন এ রেটিনল এবং উদ্ভিজ্জ উৎস হতে প্রাপ্ত ভিটামিন এ ক্যারোটিনরূপে পাওয়া যায়।
- ভিটামিন এ বর্ণহীন, তাপে স্থিতিশীল, অম্ল ও ক্ষারে অবিকৃত থাকে।

• ভিটামিন এ এর উৎস:
প্রাণিজ উৎস:ডিমের কুসুম, মাছের তেল, যকৃত বা কলিজা দুধ, ডিম, ঘি, মাখন ইত্যাদি এর ভালো উৎস।

উদ্ভিজ্জ উৎস: উদ্ভিদে ভিটামিন এ ক্যারোটিন রূপে থাকে। যেমন- গাজর, মিষ্টি কুমড়া, লালশাক, মিষ্টি আলু, পাকা পেঁপে, আম, কাঁঠাল, ধনে পাতা ইত্যাদিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ক্যারোটিন থাকে।
- ভিটামিন ‘এ’ সবচেয়ে বেশি থাকে গাজরে।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৭.
What is the process by which plants make their food?
  1. Transpiration
  2. Fermentation
  3. Respiration
  4. Photosynthesis
ব্যাখ্যা
সালোক সংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদকুল সালোক সংশ্লেষণ চলাকালে সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে। 
- যে পদ্ধতিতে সূর্যের আলোয় সবুজ উদ্ভিদেরা তাদের নিজের খাদ্য নিজেরা তৈরি করে তার নামই হলো সালোকসংশ্লেষণ। 
- একমাত্র সবুজ উদ্ভিদেরাই এ কাজটি করতে পারে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে। 
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে গণ্য করা হয়। 

কারণ- 
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়।
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি।
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 

সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতি: 
- স্থলজ উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলরোম দ্বারা পানি শোষণ করে। 
- নিমজ্জিত জলজ উদ্ভিদগুলো দেহতল দিয়ে পানি সংগ্রহ করে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলো একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- আলোর প্রধান উৎস সূর্য। 
- সালোকসংশ্লেষণের সময় বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড পত্ররন্ধ্রের ভিতর দিয়ে পাতায় প্রবেশ করে। এরপর সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের বিক্রিয়া ঘটে ও গ্লুকোজ উৎপন্ন হয়।
 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি দুটি পৃথক পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। পর্যায় দুটি হলো- (১) আলোক পর্যায় ও (২) অন্ধকার পর্যায়। 

জীবজগতে সালোকসংশ্লেষণের তাৎপর্য ও গুরুত্ব: 
- সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমেই সূর্যালোক ও জীবনের মধ্যে সেতুবন্ধনের সৃষ্টি হয়েছে। 

খাদ্য উৎপাদন: 
১. জীবজগতের জন্য প্রাথমিক খাদ্য শর্করা একমাত্র সালোকসংশ্লেণের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়। 
২. প্রাণী হোক আর উদ্ভিদ হোক জীবের কর্মচাঞ্চল্যের মূলে আছে খাদ্য। 
কারণ, খাদ্যের সাথে শ্বসনের নিবিড় সম্পর্ক । শ্বসনের ফলে শক্তি নির্গত হয়। তাই তাপ শক্তি সরবরাহকারী শ্বসন প্রক্রিয়াটির উপর উদ্ভিদ ও প্রাণী একান্তভাবে নির্ভরশীল। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২২৮.
What type of vitamin is vitamin B2 known for its solubility?
  1. Fat-soluble
  2. Water-soluble
  3. Oil-soluble
  4. Protein-soluble
  5. Alcohol-soluble
ব্যাখ্যা
খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন: 
- স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিনের পরিমাণ খুব কম হলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- দেহের বৃদ্ধির জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য ভিটামিন আবশ্যক। 
- ভিটামিনকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ও 
(খ) পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। 

চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: 
• ভিটামিন এ, 
• ভিটামিন ডি, 
• ভিটামিন ই এবং 
• ভিটামিন কে। 

পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: 
• ভিটামিন বি২ কমপ্লেক্স এবং 
• ভিটামিন সি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২৯.
What principle is used to construct a periscope?
  1. Refraction of light
  2. Diffraction of light
  3. Dispersion of light
  4. Reflection of light
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ:
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়।
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে।
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই।
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে।
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য।
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

২৩০.
A vector with zero magnitude is called:
  1. Null vector
  2. Resultant vector
  3. Negative vector
  4. Unit vector
ব্যাখ্যা

• একটি ভেক্টর যা কোনো দিক বা পরিমাণ (magnitude) ধারণ করে না, তাকে Null vector বা শূন্য ভেক্টর বলা হয়। এটি এমন একটি ভেক্টর যার মান শূন্য, অর্থাৎ এর দৈর্ঘ্য শূন্য এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দিক নির্দেশ করে না। অন্যদিকে Resultant vector হলো বিভিন্ন ভেক্টরের যোগফল, Negative vector হলো কোনো ভেক্টরের বিপরীত দিকের ভেক্টর, আর Unit vector হলো এমন একটি ভেক্টর যার magnitude ১। সুতরাং, শূন্য পরিমাণবিশিষ্ট ভেক্টরকে Null vector বলা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) Null vector.

রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এই জন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

২। ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩১.
Which scientist proposed that light is made up of particles called "corpuscles"?
  1. Nicolaus Copernicus
  2. Kepler
  3. Robert Hooke
  4. Isaac Newton
ব্যাখ্যা
আইজ্যাক নিউটন: 
- আইজ্যাক নিউটন ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এ ছাড়াও তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- কণাগুলোর নাম - "corpuscles".
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক।

রবার্ট হুক:
- রবার্ট হুক পদার্থের স্থিতিস্থাপকতার সূত্র আবিষ্কার করেন।
- এছাড়াও রবার্ট বয়েল গ্যাসের সূত্র আবিস্কার করেন। 

নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন।
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে।
- পরবর্তীতে জোহান কেপলার গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত।
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন।

গ্যালিলিও: 
- গ্যালিলিও কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়।
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি।

অন্যদিকে,
- ডা. গিলবার্ট চুম্বকত্ব নিয়ে গবেষণা করেন। 
- জার্মানীর বিজ্ঞানী স্নেল প্রতিসরণের সূত্র আবিষ্কার করেন। 
- বিজ্ঞানী হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩২.
The main materials required for making soap is -
  1. Potassium
  2. Glycerin
  3. Fat
  4. Sodium chloride
ব্যাখ্যা
সাবান:
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি।
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়।
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩৩.
Hormones are produced by -
  1. ক) Endocrine glands
  2. খ) Pituitary glands
  3. গ) Hypothalamus
  4. ঘ) Pancreas
ব্যাখ্যা

- Human endocrine system, group of ductless glands that regulate body processes by secreting chemical substances called hormones.
- Hormones act on nearby tissues or are carried in the bloodstream to act on specific target organs and distant tissues.
- Diseases of the endocrine system can result from the oversecretion or under secretion of hormones or from the inability of target organs or tissues to respond to hormones effectively.
- It is important to distinguish between an endocrine gland, which discharges hormones into the bloodstream, and an exocrine gland, which secretes substances through a duct opening in a gland onto an external or internal body.

Source: Britannica

২৩৪.
Where is an object’s weight the highest?
  1. At the Tropic of Cancer
  2. Polar Region
  3. Centre of Earth
  4. Equatorial Region
ব্যাখ্যা

বস্তুর ওজন:
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ 'g' এর উপর নির্ভরশীল।
- অভিকর্ষজ ত্বরণ 'g' এর আদর্শমান= ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি।
- বিষুবীয় (নিরক্ষীয়) অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

২৩৫.
What is the typical body temperature considered normal for most people?
  1. 33°C
  2. 34.5°C
  3. 36.9°C
  4. 39.9°C
  5. 41.5°C
ব্যাখ্যা
মানবদেহের তাপমাত্রা:
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।
- কেলভিন স্কেলে মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩১০.১৫ কেলভিন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৩৬.
Which is the hardest natural substance on Earth?
  1. Gold
  2. Iron
  3. Diamond
  4. Quartz
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক পদার্থ:
- পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন প্রাকৃতিক পদার্থ হল হীরা (Diamond)। 
- এটি কার্বন দিয়ে তৈরি। 
- মোহস স্কেলে এর কঠোরতা ১০। 
- এর কঠিনতার কারণ হল এর পারমাণবিক কাঠামো, যেখানে কার্বন পরমাণুগুলি একে অপরের সাথে খুব শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। 

উল্লেখ্য,
- মোহস স্কেল (Mohs Scale of Mineral Hardness) হলো খনিজ পদার্থের কঠিনতা পরিমাপের একটি সাধারণ এবং আপেক্ষিক স্কেল।
- এটি জার্মান খনিজবিদ ফ্রিডরিখ মোহস (Friedrich Mohs) দ্বারা ১৮১২ সালে তৈরি করা হয়েছিল। এই স্কেলটি খনিজগুলোর আপেক্ষিক কঠিনতা নির্ধারণ করে, অর্থাৎ একটি খনিজ দিয়ে অন্যটি আঁচড় (scratch) দেওয়া যায় কিনা তা পরীক্ষা করে।

উৎস: Britannica.

২৩৭.
Which of the following are the building blocks of protein?
  1. Carbon, Hydrogen, Oxygen and Nitrogen
  2. Carbon, Hydrogen, Nitrogen and Helium
  3. Carbon, Helium, Hydrogen and Oxygen
  4. Hydrogen, Oxygen, Nitrogen and Sodium
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন:
- আমিষ বা প্রোটিনের গঠন উপাদান হল- কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H₂), অক্সিজেন (০₂) এবং নাইট্রোজেন (N₂)।
- আমিষে ১৬% নাইট্রোজেন থাকে।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন মৌল সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিনের গঠন একক অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়।
- একাধিক অ্যামাইনো অ্যাসিড মিলিত হয়ে পলিপেপটাইড ও পরিশেষে প্রোটিন গঠিত হয়। তাই প্রোটিনের রাসায়নিক বিশ্লেষণের ফলে বিভিন্ন ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া যায়।
- পরিপাকের পর আমিষ বা প্রোটিন অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, ডাল, মটরশুঁটি শিমেরবিচি, সয়াবিন, বাদাম ইত্যাদি আমিষ জাতীয় খাদ্য। এসব খাদ্যে যথেষ্ট পরিমাণে আমিষ পাওয়া যায়।
- প্রোটিন গঠনকারী অ্যামাইনো অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
- এদের অত্যাবশ্যক বা অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড বলে। এ ৮টি অত্যাবশ্যকীয় অ্যাসিডগুলো হলো-
• লাইসিন,
• ট্রিপটোফ্যান,
• লিউসিন,
• ভ্যালিন,
• আইসোলিউসিন,
• ফিনাইল অ্যালানিন,
• মিথিওনিন,
• থ্রিওনিন।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৮.
Milk is a poor source of which of the following?
  1. Vitamin B12
  2. iron
  3. Protein
  4. Vitamin C
ব্যাখ্যা
দুধ:
- দুধ একটি সুষম খাদ্য।
- দুধে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ।
- দুধে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ডি, ভিটামিন বি১২, যা হাড়, দাঁত, পেশি ও স্নায়ু মজবুত করে।
- এ ছাড়া লোহিত রক্তকণিকা উৎপাদনে সাহায্য করে। 

উৎস: i) Houston Methodist.
ii) প্রথম আলো।
২৩৯.
Air is a/an-
  1. ক) Compound
  2. খ) Element
  3. গ) Electrolyte
  4. ঘ) Mixture
  5. ঙ) None of the above.
ব্যাখ্যা
Air is a mixture because we can separate its components while in compounds we can not separate it.
২৪০.
Where is the first coal mine discovered in Bangladesh?
  1. Barapukuria
  2. Khalaspir
  3. Jamalganj
  4. Fulbari
ব্যাখ্যা
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

⇒ দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জয়পুরহাট, জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২৪১.
How many pairs of cranial and spinal nerves are present in the human body which constitute the peripheral nervous system?
  1. 24 cranial and 36 spinal
  2. 24 cranial and 64 spinal
  3. 12 cranial and 31 spinal
  4. 24 cranial and 31 spinal
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• করোটিক স্নায়ু: 
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে। 
- মানুষের দেহে করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা ১২ জোড়া বা ২৪টি। 
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে। 

- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে। 
যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু। 

- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে। 
যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু। 

- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে। 
যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু। 

অলফ্যাক্টরি স্নায়ু: 
- অগ্রমস্তিষ্কের অঙ্কীয়দেশ (অলফ্যাক্টরি লোবের শীর্ষদেশ) হতে উৎপন্ন হয়ে নাসিকা গহবরের মিউকাস পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। 
- এটি সংবেদী স্নায়ু এবং মস্তিষ্কে ঘ্রাণের অনুভূতি পৌঁছায়। 

অন্যদিকে, 
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া বা ৬২টি সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়। 
- মানুষের জীবকোষে ক্রোমোজোম আছে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪২.
Which of these is an alternative fuel to CNG?
  1. LPG
  2. Coal
  3. Wood
  4. Diesel
ব্যাখ্যা

• সিএনজি (Compressed Natural Gas) হলো পরিবেশবান্ধব একটি জ্বালানি। এর বিকল্প জ্বালানি হিসেবে এলপিজি (Liquefied Petroleum Gas) ব্যবহার করা যেতে পারে। এলপিজি মূলত প্রোপেন এবং বুটেনের মিশ্রণ, যা গ্যাসীয় অবস্থায় ব্যবহার করা হয়। এটি সহজে সংরক্ষণযোগ্য, পরিষ্কার দাহ হয় এবং পরিবেশে কম দূষণ ছড়ায়। অন্যদিকে কয়লা ও কাঠ পুড়লে বেশি ধোঁয়া এবং কার্বন নির্গত হয়, যা দূষণ সৃষ্টি করে। ডিজেল একটি তরল জ্বালানি, যা সাধারণত যানবাহনের ইঞ্জিনে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি সিএনজি বা এলপিজির তুলনায় বেশি দূষণ করে। তাই এলপিজি হলো সিএনজির একটি উপযুক্ত বিকল্প।

• সিএনজি:
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas.
- CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ  - মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে।
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি।
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৩.
The average lifespan of a red blood cell in the human body is approximately:
  1. 90 days
  2. 120 days
  3. 150 days
  4. 180 days
  5. 100 days
ব্যাখ্যা
• লোহিত রক্ত কণিকা: 
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন। 
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। 
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৪৪.
For which discovery did Rontgen receive the first Nobel Prize in Physics in 1901?
  1. CT scan
  2. Quantum theory
  3. Radioactivity
  4. X-ray
  5. Dynamite
ব্যাখ্যা
রন্টজেন:
- রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কারক ও আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক। 
- তিনি এক্স-রে আবিষ্কারের জন্য ১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 
- ১৮৯৫ সালের ৮ নভেম্বর, রন্টজেন যখন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন, তখন তিনি এক ধরনের অজানা রশ্মির উপস্থিতি টের পান।
- তিনি লক্ষ্য করেন যে এই রশ্মি কাঁচ বা কাগজ ভেদ করে যেতে পারে, কিন্তু ধাতব বস্তুর মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত হয়।
- তিনি তার স্ত্রী বার্থার হাতে পরীক্ষা চালান এবং প্রথমবারের মতো মানুষের হাড়ের ছবি তোলেন—যা ছিল ইতিহাসের প্রথম এক্স-রে ইমেজ!
- নতুন এই রশ্মির প্রকৃতি তখনো অজানা থাকায় তিনি একে "X-ray" নাম দেন, যেখানে "X" অজানা কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হতো।
- এক্স-রে আবিষ্কারের ফলে পরমাণুর গঠন, কোয়ান্টাম মেকানিক্স ও পদার্থবিজ্ঞানের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়।
- এর ফলে অস্ত্রোপচার ও রোগ নির্ণয়ের নতুন দিগন্ত খুলে যায় এবং আধুনিক মেডিক্যাল ইমেজিংয়ের সূচনা হয়।
- আজ এক্স-রে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা স্ক্যানিং, শিল্প কারখানায় ত্রুটি নির্ণয় এবং গবেষণায় অপরিহার্য প্রযুক্তি।
- ১৯০১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে প্রথম নোবেল পুরস্কার পান তার যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য।
- তিনি নোবেল পুরস্কার গ্রহণ করলেও এর জন্য কোনো পেটেন্ট নেননি, কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন এই আবিষ্কার মানবতার কল্যাণে বিনামূল্যে ব্যবহৃত হওয়া উচিত।

উৎস: Britannica.
২৪৫.
Which metal is commonly used as the filament in an electric bulb?
  1. Copper
  2. Silver
  3. Iron
  4. Aluminum
  5. Tungsten
ব্যাখ্যা

বৈদ্যুতিক বাল্ব:
- বৈদ্যুতিক বাল্বে দুটি মোটা তার একটি বায়ুশূন্য বা নিষ্ক্রিয় গ্যাসপূর্ণ বাল্বের বায়ুনিরুদ্ধ মুখের মধ্য দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করানো থাকে।
- বাল্বের ভিতরে তারের দুই প্রান্তের সাথে সরু টাংস্টেনের তারের কুন্ডলী সংযুক্ত থাকে, এটিকে ফিলামেন্ট বলে।
- এই বাহুকে বিদ্যুৎ উৎসের সাথে সংযোগ করলে ফিলামেন্টে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়।
- বাল্বের এই ফিলামেন্ট উত্তপ্ত হয়ে আলো বিকিরণ করতে থাকে।
- এটি শক্ত ও স্থিতিস্থাপক ধাতু, তাই তাপ ও বৈদ্যুতিক প্রবাহের চাপ সামলাতে পারে।

অপরদিকে 
- নাইক্রোম একটি তাপপ্রতিরোধী ধাতু, কিন্তু সাধারণত তা হিটার বা ওভেনে ব্যবহৃত হয়, বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে নয়।
- তামা বা অ্যালুমিনিয়াম খুব দ্রুত গলে যায় এবং অক্সাইডেশন হয়, তাই তারা ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহারযোগ্য নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

২৪৬.
Martin Cooper is best known for creating which device?
  1. Television
  2. Telephone
  3. Microwave
  4. Mobile phone
ব্যাখ্যা
-  মার্টিন কুপার মোবাইল ফোনের আবিষ্কারক।

এছাড়াও, 
- টেলিভিশন আবিষ্কারক জন লোগি বেয়ার্ড এবং ফিলো ফার্নসওয়ার্থ।
- টেলিফোন আবিষ্কারক আলেকজান্দার গ্রাহাম বেল।
- মাইক্রোওয়েভ ওভেন আবিষ্কারক পার্সি স্পেন্সার।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
২৪৭.
Which of the following is the largest organ of the human body?
  1. Skin
  2. Nuron
  3. Liver
  4. Femur
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ - ত্বক।
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ - নিউরন।
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি - যকৃত৷
- মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থি - ফিমার।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২৪৮.
Which of the following options correctly shows the planets in descending order of their sizes?
  1. ক) Mars, Earth, Saturn, Mercury
  2. খ) Jupiter, Uranus, Saturn, Venus
  3. গ) Uranus, Earth, Mars, Mercury
  4. ঘ) Saturn, Jupiter, Earth, Venus
ব্যাখ্যা

ইউরেনাস(Uranus)
- ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- গড় ব্যাস হল ৪৯,০০০ কিলোমিটার
- গ্রহটি সূর্য থেকে ২৮৭ কোটি কিলোমিটার দূরে।
- উপগ্রহ ২৭ টি

পৃথিবী(Earth)
- পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ
- গড় ব্যাস হল ১২,৬৬৭ কিলোমিটার
- সূর্য থেকে দূরত্ব হল ১৫ কোটী কিলোমিটার
- একমাত্র উপগ্রহ চাঁদ।

মঙ্গল(Mars)
- মঙ্গল পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ
- গড় ব্যাস হল ৬,৭৮৭ কিলোমিটার
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব হল ২২.৮ কোটি কিলোমিটার
- ফেবোস ও ডিমোস নামে দুটি উপগ্রহ রয়েছে।

বুধ(Mercury)
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ
- গড় ব্যাস হল ৪৮৫০ কিলোমিটার
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব হল ৫.৮ কোটি কিলোমিটার
- বুধের কোন উপগ্রহ নাই।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।

২৪৯.
Which gases does the human respiratory system primarily exchange?
  1. Oxygen and carbon dioxide
  2. Oxygen and nitrogen
  3. Carbon dioxide and hydrogen
  4. Nitrogen and hydrogen
ব্যাখ্যা

◉ শ্বাস-প্রশ্বাসের সময়, আমরা বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করি। এই গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়া ফুসফুসের alveoli-তে ঘটে, যেখানে অক্সিজেন রক্তে শোষিত হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড রক্ত থেকে বাতাসে নির্গত হয়।

শ্বসন:
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রাণী বিরামহীনভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন (O2) গ্রহণ করে, সে অক্সিজেনের সাহায্যে কোষ মধ্যস্থ সরল খাদ্যকে জারিত করে খাদ্যস্থিত স্থিতিশক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে (CO2) দেহ হতে ত্যাগ করে তাকে শ্বসন (Respiration) বলে।
- শ্বসনের দু'টি পর্যায় থাকে। 

যথা- 
১। বহিঃশ্বসন (External respiration) ও 
২। অন্তঃশ্বসন (Internall respiration) ।

- ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের বায়ুর সাথে ফুসফুসীয় রক্ত জালিকার মধ্যে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসের সময় যে গ্যাসীয় আদান প্রদান হয় তাকে বহিঃশ্বসন বলে। 
- অপরদিকে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন (O2) দেহের কলাকোষে প্রবেশ করে কোষস্থ খাদ্যের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও পানি উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে অন্তঃশ্বসন বলে।

এতে নিম্নের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে- 

- যে সকল অঙ্গ সম্বিলিতভাবে দেহ ও প্রকৃতির মধ্যে শ্বসন গ্যাস (O2 ও CO2) বিনিময় প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের সমষ্টিকে শ্বসনতন্ত্র বলে। 
- শ্বসনতন্ত্র রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বিপাকে সৃষ্ট গ্যাসীয় বর্জ্য অপসারণ করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫০.
Which of the following sugars can be absorbed by the human body?
  1. Sucrose
  2. Lactose
  3. Glucose
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• শর্করা বা শ্বেতসার:
- শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে কাজ করার শক্তি জোগায়।
- শর্করার মৌলিক উপাদান কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।
- উদ্ভিদের মূল, কান্ড, পাতা, ফুল, ফল ও বীজে শর্করা বিভিন্নরূপে থাকে।
- গ্লুকোজ, ল্যাকটোজ ও শ্বেতসার শর্করার বিভিন্ন রূপমাত্র।
- গঠন পদ্ধতি অনুসারে শর্করাকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

- সাধারণত চাল, গম, আলু থেকে শর্করা বা শ্বেতসার পাওয়া যায়।
- কাঁচা খাদ্যের শ্বেতসার সহজে হজম হয় না বলে একে চাল, আটা, আলু ইত্যাদির সাথে রান্না করে খাোয়া হয়।
- খাওয়ার পর শর্করা পরিপাক হয়ে গ্লুকোজে পরিণত হয়।
- দ্বি-শর্করা ও বহু শর্করা পরিপাকের মাধ্যমে সরল শর্করায় পরিণত হয়ে দেহে শোষণযোগ্য হয়।
- কারণ মানবদেহে শুধু সরল শর্করা শোষণ করতে পারে

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫১.
What is sericulture?
  1. The breeding of silkworms to produce silk
  2. The cultivation of pearls in oysters
  3. The study of microorganisms in soil
  4. The production of honey by bees
ব্যাখ্যা
• The breeding of silkworms to produce silk - রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার।

অপশন আলোচনা:
- The cultivation of pearls in oysters (ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার চাষ) - পার্ল কালচার।
- The study of microorganisms in soil (মাটিতে ক্ষুদ্রজীবের অধ্যয়ন) - মাইক্রোবায়োলজি বা মাইক্রোঅর্গানিজম স্টাডি।
- The production of honey by bees (মৌমাছি দ্বারা মধু উৎপাদন) - অ্যাপিকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৫২.
Which of the following equation represents Charles's law?
  1. PV = K
  2. V ∝ T
  3. V ∝ n
  4. P ∝ T
ব্যাখ্যা
- চার্লসের সূত্র হচ্ছে V ∝ T. 

চার্লসের সূত্র:

- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়।
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0 (273 + t)/ 273 ;
- এ সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”।
গাণিতিকভাবে, V ∝ T.

এছাড়াও, 
বয়েলের সূত্র:
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। গাণিতিকভাবে, PV = K.

গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র:
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। গাণিতিকভাবে, P ∝ T. 

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।
২৫৩.
What is absolute zero temperature?
  1. 0° Kelvin
  2. 0° Celsius
  3. - 273° Celsius
  4. 273° Celsius
ব্যাখ্যা

পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় চার্লস বা গে-লুসাকের সূত্রানুসারে কোনো গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয় তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- এ পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো -২৭৩°C. 
- অর্থাৎ -২৭৩°C তাপমাত্রায় যে কোনো গ্যাসের আয়তন তত্বীয়ভাবে শূন্য হয়।
 - তাপমাত্রাকে শুরু বা শূন্য ধরে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রার ব্যবধানকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াসের সমান ধরে যে তাপমাত্রার স্কেল উদ্ভাবন করা হয়েছে তাকে তাপমাত্রার পরম স্কেল বা কেলভিন স্কেল বলে।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৪.
Which one is the earthquake detector?
  1. Hygrometer
  2. Manometer
  3. Barometer
  4. Thermometer
  5. Seismograph
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

সূত্র - Britannica.com
২৫৫.
Which is dissolved in soft drinks like Coke and Pepsi?
  1. Oxalic acid
  2. Tartaric acid
  3. Carbonic acid
  4. Acetic acid
ব্যাখ্যা
কোমল পানীয়:
- কোমল পানীয় হলো অ্যালকোহল মুক্ত মিষ্টি, ঠান্ডা এবং কার্বনেটেড পানীয়।
- কোমল পানীয়তে কার্বনিক এসিড দ্রবীভূত থাকে।
- কোমল পানীয়ে সাধারণত সাইট্রিক অ্যাসিড, কার্বনিক অ্যাসিড এবং ফসফরিক অ্যাসিড পাওয়া যায়, বিশেষ করে কার্বনেটেড পানীয়ে কার্বনিক অ্যাসিড ফিজ তৈরি করে।
- কোমল পানীয় পান করার সময় এ থেকে একটি গ্যাস বুদ বুদ আকারে বের হয়।
- এ গ্যাস হচ্ছে CO2 যা উচ্চ চাপে ও ঠান্ডা অবস্থায় দ্রবীভূত করা হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- CO2 পানিতে দ্রবীভূত হয়ে কার্বনিক এসিড উৎপন্ন করে।
- কার্বনিক এসিড একটি মৃদু এসিড, যা পানিতে খুবই অল্প পরিমাণে বিয়োজিত হয়।
- এটি আমাদের পরিপাকতন্ত্রের এনজাইমের ক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে পরিপাকে সহায়তা করে।

CO2(g) + H2O → [H2CO3]

উৎস: i) রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ScienceABC.
২৫৬.
Which mineral causes the leaves of plants to turn purple?
  1. Potassium
  2. Magnesium
  3. Phosphorus
  4. Nitrogen
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদে পুষ্টির অভাব এবং তার প্রভাব: 

ফসফরাস (P):
- ফসফরাসের অভাবে উদ্ভিদের পাতা বেগুনি রং ধারণ করতে পারে। এর ফলে পাতা, ফুল এবং ফল ঝরে যেতে পারে এবং পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হতে পারে। উদ্ভিদের বৃদ্ধি থেমে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়ে পড়ে। 

ম্যাগনেশিয়াম (Mg):
- ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল তৈরি হতে পারে না, এর ফলে পাতার সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 

পটাশিয়াম (K):
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ ও কিনারা হলুদ হয়ে যায় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়। 

নাইট্রোজেন (N):
- নাইট্রোজেনের অভাবে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে এবং পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে হলুদ হয়ে যায়।
- পাতার হলুদ হয়ে যাওয়ার এই প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' (Chlorosis) বলা হয়। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫৭.
If 25.2 joules of energy is converted, how many calories does it amount to?
  1. 3.0 calories
  2. 4.0 calories
  3. 5.0 calories
  4. 6.0 calories
  5. 2.0 calories
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 

তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
∴ ২৫.২ জুল = ২৫.২/৪.২ = ৬ ক্যালরির সমতুল্য।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৮.
What is the primary function of platelets in the blood?
  1. Aid in blood clotting 
  2. Carry nutrients
  3. Fight infections
  4. Transport oxygen
ব্যাখ্যা

• রক্তের প্লেটলেট বা থ্রোমবোসাইটের প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। যখন শরীরে কোনো ক্ষত বা ছেদ হয়, প্লেটলেট দ্রুত সেই স্থানে জমে ক্ষতস্থলে একটি ক্ষুদ্র "প্লাগ" তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং শারীরিক ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়। প্লেটলেটের মাধ্যমে রক্তের অন্যান্য প্রোটিনও সক্রিয় হয়ে ফাইব্রিনের জাল তৈরি করে, যা ক্ষতস্থলে আরও দৃঢ় রক্ত জমাট গঠন করে। ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক আঘাত থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। সুতরাং, প্লেটলেটের মূল কার্য হলো রক্তপাত বন্ধ করা এবং আঘাতের স্থানে দ্রুত সুরক্ষা প্রদান করা।

- সঠিক উত্তর: ক) Aid in blood clotting.

 অণুচক্রিকা: 
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে।
- অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অণুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৯.
What is the main excretory organ of the human body?
  1. Lungs
  2. Kidney
  3. Stomach
  4. Liver
ব্যাখ্যা
মানুষের রেচন প্রক্রিয়া:
- রেচন মানবদেহের একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দেহে বিপাক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো নিষ্কাশিত হয়।
- দেহের এ সকল বর্জ্য পদার্থগুলো শরীরে কোন কারণে জমতে থাকলে নানা রকমের অসুখ দেখা দেয়, পরবর্তীতে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
- রেচন প্রক্রিয়ায় দেহের বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশিত হয়ে দেহ থেকে বের করে দিয়ে দেহের শারীরবৃত্তীয় ভারসাম্য রক্ষা করে।
- শরীরের অতিরিক্ত পানি, লবণ, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জৈব পদার্থগুলো সাধারণত রেচনের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেওয়া হয়।
- রেচন পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য মানবদেহে সুনির্দিষ্ট অঙ্গ রয়েছে।
- যে সব অঙ্গ রেচন কাজে অংশ গ্রহণ করে তাদেরকে রেচন অঙ্গ বলা হয়। এটি রেচনতন্ত্র নামে পরিচিত।
- রেচনতন্ত্রের মাধ্যমে শতকরা ৮০% রেচন পদার্থ নিষ্কাশিত হয়। বাকি ২০% রেচন পদার্থ বিভিন্ন ক্রিয়াকর্মে উৎপন্ন ও বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়।
- মানবদেহের রেচন অঙ্গের নাম বৃক্ক।
- আর বৃক্কের একক হলো নেফ্রন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬০.
Which colour has the shortest wavelength?
  1. Violet
  2. Red
  3. Yellow
  4. Green
  5. Blue
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য: 
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল। 
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়। 
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়। 
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৬১.
What is the name of the outer layer of the heart?
  1. Endocardium
  2. Myocardium
  3. Mesocardium
  4. Epicardium
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
• হৃৎপিণ্ডের আবরণ: 
- হৃৎপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত। 
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে। 
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- পেরিকার্ডিয়াল হৃৎপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। 
- হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে।

হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর: 
- হৃৎপিণ্ডের প্রাচীর অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। 
- এসব পেশীকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি বলে। 
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট। যেমন- 

ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। 
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে। 

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium): 
- মায়োকার্ডিয়াম হৃৎপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। 
- স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। 

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium): 
- এটি হৃৎপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃৎকপাটিকাসমূহ সৃষ্টি করে তা ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃৎপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬২.
Which of the following branches deals with animal behavior?
  1. Astrology
  2. Pathology
  3. Ethology
  4. Cytology
ব্যাখ্যা
প্রাণীর আচরণ:
- আচরণ প্রাণীদের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য।
- ক্ষুদ্র এককোষী প্রাণী থেকে শুরু করে জটিল ও উন্নততর সব প্রাণীর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আচরণ দেখা যায়।
যেমন- সম্পূর্ণ দেহের বা অংশ বিশেষের সঞ্চালন, দেহ ভঙ্গি, মুখের ভঙ্গি, বর্ণ পরিবর্তন, গন্ধ নির্গমন ইত্যাদি।
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় প্রাণীর আচরণ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ও বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা করা হয় তাকে আচরণবিদ্যা (Ethology) বলা হয়।
- Ethology শব্দটি দুটি গ্রিক শব্দ তথা ‘ethos’ (স্বভাব) ও ‘logos' (জ্ঞান) এর সমন্বয়ে গঠিত প্রাণিবিজ্ঞানের একটি বিশেষ শাখা।
- ইথোলজিতে আচরণ শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উদ্দীপকের প্রতি প্রাণীর প্রতিক্রিয়া প্রদর্শনের নামই আচরণ।
- প্রখ্যাত আচরণবিদ ম্যানিং (Manning) মনে করেন, আচরণের মধ্যে সে সব প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত যার মাধ্যমে প্রাণী তার বাহ্য পরিবেশ এবং দেহের অভ্যন্তরের অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞাত হয় এবং তার কাঙ্খিত চাহিদার প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬৩.
Which group of blood donors are called universal donors?
  1. B
  2. O
  3. AB
  4. A
ব্যাখ্যা
• রক্ত গ্রুপের বৈশিষ্ট্য:
- A গ্রুপের দাতা A ও AB রক্ত গ্রহীতাকে রক্ত দিতে পারে।
- B গ্রুপের দাতা B ও AB গ্রুপের গ্রহীতাকে রক্ত দিতে পারে।
- AB গ্রুপের গ্রহীতাকে A, B, AB ও O অর্থাৎ সকল গ্রুপের রক্ত দেখা যায়।এ কারণে AB গ্রুপের রক্তকে সার্বজনীন গ্রহীতা (Universal recipient) বলে।
- O গ্রুপের রক্ত সকল গ্রুপ নিতে পারে, তাই O গ্রুপের রক্তকে সার্বজনীন দাতা Universal donor) বলে।
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা।
২৬৪.
Which of the following is referred to as the 'Biochemical Laboratory' of the body?
  1. Stomach
  2. Liver
  3. Kidney
  4. Pancreas
  5. Spleen
ব্যাখ্যা

- যকৃতকে 'দেহের রসায়ন গবেষণাগার' বা 'জৈব রসায়নের কারখানা' বলার কারণ হলো এটি মানবদেহের প্রায় সকল প্রকার রাসায়নিক প্রক্রিয়া, সংশ্লেষণ এবং বিশোধন নিয়ন্ত্রণ করে। 

• যকৃত (Liver):
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি।
- এটি মধ্যচ্ছদের নিচে, পাকস্থলীর ডান পাশে অবস্থিত।
- যকৃতের রঙ গাঢ় বাদামি এবং এটি আকারে ত্রিকোণাকার।
- যকৃতের নিচে কলস আকৃতির পিত্তথলি (Gallbladder) সংযুক্ত থাকে।


• যকৃতের কার্যাবলি:
- যকৃত থেকে ক্ষারীয় প্রকৃতির গাঢ় সবুজ বর্ণের পিত্তরস নিঃসৃত হয়।
- পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী -পিত্তনালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবাহিত হয়।
- পাচন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
- রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে (গ্লাইকোজেন সংরক্ষণ ও মুক্তি)।
- প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট বিপাক ঘটায়।
- দেহের বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করে (ডিটক্সিফিকেশন)।
- রক্তে কোলেস্টেরল ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
- যকৃতে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, তাই একে "দেহের রসায়ন গবেষণাগার" বলা হয়।

তথ্যসূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৫.
What is the average lifespan of a red blood cell?
  1. 90 days
  2. 130 days
  3. 120 days
  4. 30 days
ব্যাখ্যা
• লোহিত রক্ত কণিকা:
- লোহিত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (O2) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬৬.
At which time of the year is sound heard more louder than at other times?
  1. Rainy season
  2. Winter season
  3. Summer season
  4. Spring season
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- আমরা জানি যে শব্দের গতি ও তীব্রতা মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে।
- শীতকালে তাপমাত্রা কম থাকায় বাতাসের কণাগুলো কাছাকাছি থাকে। ফলে বাতাসের ঘনত্ব বেশি হয়।
- ঘনত্ব বেশি থাকায় শব্দের তরঙ্গ বেশি কার্যকরভাবে পরিবাহিত হয়।
- ফলে শীতকালে ধ্বনি হয় আরও জোরে (তীব্র) এবং দূর পর্যন্ত শোনা যায়।

- বর্ষাকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়, অর্থাৎ বাতাস হয় আর্দ্র (humid)।
- আর্দ্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে বাতাসের ঘনত্ব কমে যায়।
- বাতাসের ঘনত্ব কম হওয়ায় শব্দের তীব্রতাও তুলনামূলক কমে যায়।
- পাশাপাশি বৃষ্টির শব্দ ও পরিবেশের নানাবিধ শব্দ (background noise) থাকার কারনে শব্দ অনেক সময় অস্পষ্ট বা কম তীব্র মনে হয়।

তথ্যসূত্র:
- discovery [লিংক]
২৬৭.
What is the maximum number of electrons that can occupy the first energy level of an atom?
  1. 2
  2. 4
  3. 6
  4. 8
  5. 10
ব্যাখ্যা
• শক্তিস্তরে ইলেক্ট্রন সংখ্যা:
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2, যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 

এ সূত্রানুসারে, 
- প্রথম বা K শক্তিস্তরের জন্য n = 1 হলে, 
∴ K শেল অর্থাৎ প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n2.
= ( 2 x 12) টি 
= 2 টি। 

∴ প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে = ২টি। 
- এভাবে প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬৮.
Which disease is caused by a virus, not bacteria?
  1. Anthrax
  2. Leprosy
  3. Salmonellosis
  4. Measles
ব্যাখ্যা

• হাম (Measles) একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা Measles virus (Morbillivirus) দ্বারা ঘটে। এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ যা প্রধানত শিশুদের আক্রান্ত করে। আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ভাইরাসটি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যদের শরীরে প্রবেশ করে। প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে দাগ দেখা দেওয়া উল্লেখযোগ্য। টিকা (MMR vaccine) গ্রহণের মাধ্যমে হাম প্রতিরোধ করা যায়। অপরদিকে, Anthrax, Leprosy ও Salmonellosis ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট রোগ। তাই সঠিক উত্তর হলো — ঘ) Measles.

• ভাইরাসজনিত রোগ: 
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: জন্ডিস, পোলিও, জলাতঙ্ক, কোভিড-১৯, হার্পিস, দাদ, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ইত্যাদি। 

 • ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ঠ ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য, 
- 'নিউমোনিয়া' রোগটি ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৬৯.
Which ultraviolet ray is the most harmful?
  1. UV-A
  2. UV-B
  3. UV-C
  4. UV-D
  5. None
ব্যাখ্যা
অতিবেগুনী রশ্মি:
- দৃশ্যমান বেগুনি রশ্মির চেয়ে শক্তিশালী বিকিরিত রশ্মিকে অতিবেগুনী রশ্মি (UV রশ্মি) বলে।
- এক্সরের থেকে কম বা ছোট কম্পাঙ্কের বিকিরণ অতিবেগুনি রশ্মি (ultraviolet ray)।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিস্তার 10-8 m থেকে 4×10-7 m, এক্সরে এবং দৃশ্যমান আলোর মাঝামাঝি।
- সূর্য রশ্মি এই বিকিরণের প্রধান উৎস।
- এই রশ্মি আমাদের শরীরের ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরি করে।
- তবে বেশিক্ষণ এই রশ্মি শরীরে পড়লে তা ক্ষতিকর হয়।
- চোখের জন্য এটি বেশ ক্ষতিকর।

⇒ UV-C হল সবচেয়ে বিপজ্জনক অতিবেগুনী রশ্মি।

উল্লেখ্য,
- UV রশ্মি দিয়ে জাল টাকা বা জাল পাসপোর্ট শনাক্ত করা যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭০.
What is the chemical formula of 'Nitric Acid'?
  1. NaOH
  2. HNO3
  3. H3PO4
  4. H2CO3
ব্যাখ্যা
এসিডের নাম ও সংকেত:
• অক্সালিক এসিড: HOOC–COOH.
• ফসফরিক এসিড: H3PO4.
• ফরমিক এসিড: H-COOH.
• অ্যাসিটিক এসিড: CH3-COOH.
• কার্বনিক এসিড: H2CO3.
• সাইট্রিক এসিড: C6H8O7.
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড: HCI.
• নাইট্রিক এসিড: HNO3.
• সালফিউরিক এসিড: H2SO4.

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭১.
What is the largest planet in our solar system?
  1. Saturn
  2. Jupiter
  3. Mars
  4. Earth
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ এবং গ্রহসমূহ: 
- মহাকাশের অসংখ্য জ্যোতিষ্ক নিয়ে যে জগতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে বিশ্বজগৎ বা বিশ্বভ্রহ্মান্ড বলে। 
- সূর্য বিশ্বজগতের কোটি কোটি নক্ষত্রের মধ্যে একটি উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। 
- সংক্ষেপে সূর্য ও এর চতুর্দিকে ঘূর্ণনরত জ্যোতিষ্কমন্ডলীকে একত্রে সৌরজগৎ (Solar System) বলে। 
- সৌরজগতে মোট ৮টি গ্রহ (যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন), উল্লেখ্য যে, প্লুটো গ্রহকে বর্তমানে গ্রহ হিসেবে গণ্য করা হয় না, কারণ প্লুটো গ্রহের সাথে গ্রহের বৈশিষ্ট্যের মিল নেই। 
 
বৃহস্পতি (Jupiter): 
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ গুণ বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ১৬টি।
- বৃহস্পতির বায়ুমন্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।
 
সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম - ১০ম শেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২৭২.
Galvanised iron sheets have a coating of-
  1. Tin
  2. Zinc
  3. Chromium
  4. Lead
ব্যাখ্যা
- লোহার তৈরি জিনিসের ওপর দস্তা বা জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে বলা হয় গ্যালভানাইজিং।
- গ্যালভানাইজিং এর উদ্দেশ্য হলো লোহার জিনিসকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করা।
- ধাতুর তৈরি জিনিসপত্রের ক্ষয় রোধের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির সাহায্যে একটি ধাতুর ওপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং।
- সাধারণত নিকেল ব ক্রোমিয়াম ধাতু এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
২৭৩.
Which substance is used as a moderator to slow down neutrons in a nuclear reactor?
  1. Graphite
  2. Uranium
  3. Plutonium
  4. Cadmium
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে নিউট্রনকে ধীরে করার জন্য যে পদার্থটি ব্যবহার করা হয় তাকে মডারেটর (Moderator) বলা হয়। মডারেটরের কাজ হলো দ্রুতগতির নিউট্রনকে ধীরগতির (thermal) নিউট্রনে রূপান্তর করা, যাতে তারা আরও কার্যকরভাবে পারমাণবিক ফিশন প্রতিক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে। বিভিন্ন পদার্থ মডারেটরের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে সবচেয়ে সাধারণ এবং কার্যকর পদার্থ হলো গ্রাফাইট। গ্রাফাইট শক্তিশালী হলেও হালকা, এবং এটি নিউট্রনের গতিকে ধীরে করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, ইউরেনিয়াম এবং প্লুটোনিয়াম মূলত ফিশন প্ররোচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, আর ক্যাডমিয়াম হলো একটি নক্ষত্রশোষক (neutron absorber), যা নিউট্রনকে শোষণ করে প্রতিক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। সুতরাং, নিউট্রন ধীরে করার জন্য গ্রাফাইটই সঠিক উত্তর।

গ্রাফাইটের ব্যবহার: 
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান। 
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। 
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

২৭৪.
How is the Zika virus primarily spread?
  1. Mosquitoes
  2. Water
  3. Air
  4. Flies
ব্যাখ্যা

জিকা ভাইরাস:
- জিকা ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশকীর মাধ্যমে।
- এই মশা দিনে বেশি কামড়ায়। আর এই মশা দিয়েই ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও পীতজ্বরও ছড়ায়।
- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও ছড়ায়।

⇒ জিকা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় উগান্ডায় ১৯৪৭ সালে।
- ভাইরাসটি পাওয়া গিয়েছিল রেসাস ম্যাকাও বানরের শরীরে।
- পরবর্তী সময়ে পঞ্চাশের দশকে আফ্রিকান দেশগুলোয় মানুষের শরীরেও এই জীবাণু পাওয়া যায়। ভয়াবহ ব্যাপার হলো, ১৯৬০-১৯৮০ সালের মধ্যে আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশে এটি ছড়িয়ে পড়ে।
- বাংলাদেশে প্রথম ধরা পড়ে ২০১৪ সালে।

⇒ জিকা ভাইরাস সংক্রমণে সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে ৩–১৪ দিনের মধ্যে শরীরে লালচে দানার মতো ছোপ বা র‍্যাশ, হালকা জ্বর, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ থেকে পানি পড়া, মাংসপেশি এবং গিঁটে গিঁটে ব্যথা, অবসাদ এবং মাথাব্যথা হতে পারে। এসব লক্ষণ সর্বোচ্চ ২-৭ দিন থাকতে পারে।

উৎস: i) WHO ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো। 

২৭৫.
The main raw material in soap reacts with an alkali to form soap. What is this process called?
  1. Neutralization
  2. Oxidation
  3. Fermentation
  4. Saponification
ব্যাখ্যা

• সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল সাধারণত একটি তেল বা চর্বি। যখন এই তেল বা চর্বি একটি ক্ষার (যেমন সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড) এর সঙ্গে বিক্রিয়া করে, তখন তেল বা চর্বির ট্রাইগ্লিসারাইড অণুগুলি ভাঙে এবং গ্লিসারিন ও সাবান তৈরি হয়। এই রাসায়নিক প্রক্রিয়াকে স্যাপোনিফিকেশন (Saponification) বলা হয়। এটি একটি বিশেষ ধরনের অ্যালকালি-চর্বি বিক্রিয়া যা সরাসরি তেলের সাথে ক্ষারের মিশ্রণে সাবান উৎপন্ন করে। সুতরাং, সাবান তৈরির প্রক্রিয়ায় মূল কাঁচামাল এবং অ্যালকালি একত্রিত হয়ে নতুন যৌগ- সাবান গঠন করে, যা পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Saponification.

সাবান: 
- সাবান বহুল প্রচলিত পরিষ্কারক সামগ্রী হিসেবে দেহ এবং কাপড়-চোপড় পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
 - কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট ব্যবহার করা হয়। 
- সাবান হচ্ছে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম। 
- সাবান তৈরির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে তেল বা চর্বি। 
- তেল বা চর্বিকে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড দ্রবণ দ্বারা আর্দ্র বিশ্লেষণ করলে সোডিয়াম সাবান বা পটাশিয়াম সাবান উৎপন্ন হয়। 
- সাবান তৈরির সময় উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়। 

উৎস: রসায়ন ও বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২৭৬.
Which of the following is not an implication of the Earth's rotation?
  1. Causation of day and night
  2. Rise and Fall of tides everyday
  3. Creation of wind currents and ocean currents
  4. Variation of the length of the days and nights at different times of the year
  5. None of above
ব্যাখ্যা
আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে সংঘটিত উদাহরণসমূহ হলো-
দিন-রাত্রি সংঘটন,
জোয়ার-ভাঁটা সৃষ্টি,
বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি,
• তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি,
• জীব জগতের সৃষ্টি ও বংশবিস্তার প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
⇒ বার্ষিক গতি:
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির গতির ফলে সংঘটিত উদাহরণসমূহ হলো-
• ঋতু পরিবর্তন ও
• দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭৭.
The deficiency of which of the following leads to dental caries?
  1. ক) Iron
  2. খ) Copper
  3. গ) Fluoride
  4. ঘ) Zinc
ব্যাখ্যা

Fluoride deficiency, a condition in which fluoride is insufficient or is not utilized properly.
Fluoride is a mineral stored in teeth and bones that strengthens them by aiding in the retention of calcium.
Studies have determined that the enamel of sound teeth contains more fluoride than is found in the teeth of persons prone to dental caries, and the incidence of dental caries is reduced in areas where natural fluoridation of water is moderate.
For these reasons, fluoride is added to water supplies in some areas to help reduce tooth decay, although such actions have in some cases provoked controversy.
Source: www.britannica.com

২৭৮.
'To every action, there is an equal and opposite reaction' Who said this?
  1. Galileo
  2. Jon Dalton
  3. Newton
  4. Archimedes
ব্যাখ্যা
• The statement "To every action, there is an equal and opposite reaction" was said by Sir Isaac Newton. It is Newton's Third Law of Motion.

• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
- উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে।
- অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
- উদাহরণ:
→ বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
→ একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
→ মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
→ মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭৯.
Which substance has the lowest intermolecular force of attraction?
  1. Solid
  2. Liquid
  3. Gas
  4. all of these
  5. Can't be defined
ব্যাখ্যা
বায়বীয় পদার্থের আন্তঃ আনবিক আকর্ষণ বল সবচেয়ে কম।

আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি:

- যে আকর্ষণ শক্তির জন্যে কোনো পদার্থের কণাগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে তাকে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি বলে। অপরদিকে, আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তির কারণে কণাগুলোর মধ্যবর্তী দুরত্বকে আন্তঃআণবিক দুরত্ব বলে।
- কঠিন পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি সবচেয়ে বেশি। 

কঠিন অবস্থা:     
- নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে।
- এ পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি।
- উদাহরণ: লোহা, বরফ, কাঠ ইত্যাদি               

তরল অবস্থা:
- নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু আয়তন আছে।
- এ পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ কঠিন থেকে কম কিন্তু বায়বীয় থেকে বেশি।
-  উদাহরণ: পানি, কেরোসিন ইত্যাদি।       

বায়বীয় অবস্থা:
- নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন নেই।
-  এ পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম।
-  উদাহরণ: অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, রসায়ন।
২৮০.
The Heisenberg Uncertainty Principle is most closely related to which concept?
  1. Gravity
  2. Quantum indeterminacy
  3. Classical mechanics
  4. Determinism
ব্যাখ্যা

• হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি মূলত কোয়ান্টাম অনির্ধারকতা (Quantum indeterminacy) ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। এই নীতি অনুযায়ী, কোনো কণার অবস্থান ও ভরবেগ একই সঙ্গে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা অসম্ভব। যত বেশি নির্ভুলভাবে অবস্থান মাপা হয়, তত কম নির্ভুলভাবে ভরবেগ জানা যায়, এবং বিপরীতটিও সত্য। এটি প্রমাণ করে যে কোয়ান্টাম স্তরে কণার আচরণ নির্দিষ্ট নয়, বরং সম্ভাবনার ওপর ভিত্তি করে। ফলে, মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র জগতে ঘটনাগুলো পূর্বনির্ধারিত না হয়ে সম্ভাবনামূলকভাবে ঘটে থাকে। এই কারণে অনিশ্চয়তা নীতি ধ্রুপদী পদার্থবিজ্ঞানের চেয়ে কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।

হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি (Uncertainty Principle): 
- জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ভার্নার হাইজেনবার্গ ১৯২৭ সালে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- কোনো কণার অবস্থান (position) এবং বেগ/ভরবেগ (velocity/momentum) একসাথে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে নির্ণয় করা অসম্ভব। প্রকৃতিতে “একই সাথে সঠিক অবস্থান ও সঠিক ভরবেগ”-এর ধারণাটির কোনো বাস্তব অর্থ নেই।
- পরমাণু বা পরমাণু কণার (যেমন: ইলেকট্রন) ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। ইলেকট্রনের বেগ নির্ণয় করতে গেলে অবস্থান পরিবর্তিত হয়, আর অবস্থান মাপতে গেলে বেগের তথ্য অনিশ্চিত হয়।
- অনিশ্চয়তা নীতির ধারণা থেকেই তৈরি হয়েছে কণা ত্বরক বা পার্টিকল অ্যাকসিলারেটর যন্ত্র। যেমন সুইজারল্যান্ডের লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার।

গাণিতিক রূপ:
Δx⋅Δp ≥ h/4π

এখানে, 
Δx = অবস্থান নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
Δp = ভরবেগ নির্ণয়ের অনিশ্চয়তা, 
h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২৮১.
Which specific branch of agriculture is associated with honey production?
  1. Sericulture
  2. Apiculture
  3. Pisciculture
  4. Horticulture
  5. Aquaculture
ব্যাখ্যা

• এপিকালচার বা মৌচাষ হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে মধু এবং মোম উৎপাদনের উদ্দেশ্যে বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালন করা হয়। মৌমাছিরা ফুল থেকে নেক্টার সংগ্রহ করে তা মধুতে রূপান্তর করে, যা এপিকালচারিস্টরা সংগ্রহ করেন।

• এপিকালচার:
- যে পদ্ধতিতে কৃত্রিম ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন করে মৌচাক থেকে মধু ও মোম সংগ্রহ করা হয়, তাকে এপিকালচার বলা হয়।

• এটি কৃষির একটি বিশেষায়িত শাখা যেখানে মৌমাছির প্রজনন, পরিচর্যা এবং মধু, মোম, পরাগরেণু, রয়‍্যাল জেলি ও প্রোপোলিসের মতো মূল্যবান পণ্য উৎপাদন সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
- মধু উৎপাদন বা মধু চাষের সাথে সম্পর্কিত শাখা হলো এপিকালচার।
- এটি কৃষি, অর্থনীতি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী মৌমাছি পালন একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিকশিত হচ্ছে।

• এপিকালচারের গুরুত্ব:
→ অর্থনৈতিক উপকারিতা:
- মধু ও মৌমাছির অন্যান্য উপজাত দ্রব্য (যেমন মোম, প্রোপোলিস) বিক্রি করে আয় করা যায়।
- বাংলাদেশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের কৃষকদের জন্য এটি একটি লাভজনক পেশা।
→ পরাগায়নে ভূমিকা:
- মৌমাছি ফসলের পরাগায়নে সাহায্য করে, যা কৃষি উৎপাদন ২০-৩০% পর্যন্ত বাড়াতে পারে।
→ পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা:
- মৌমাছি বাস্তুতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখে।

অন্যদিকে,
• পিসিকালচার- এটি হলো আধুনিক কৃষির একটি বিশেষ শাখা যেখানে মাছ চাষ, ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ইত্যাদি সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• সেরিকালচার- এ শাখায় রেশমকীট পালন ও রেশম উৎপাদন অর্থাৎ রেশম চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• হর্টিকালচার- আধুনিক কৃষির এ শাখায় ফলমূল, শাকসবজি ও ফুলের চাষ সম্পর্কিত আলোচনা করা হয়।
• অ্যাকুয়াকালচার- এ শাখায় মাছ, শেলফিশ, জলজ উদ্ভিদ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে চাষ করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- FAO (Food and Agriculture Organization).
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI)।

২৮২.
Which is the largest mammal on the earth?
  1. Asian elephant
  2. Blue whales
  3. Black rhinoceros
  4. Giraffe
  5. Fin whale
ব্যাখ্যা
স্তন্যপায়ী প্রাণী:
- স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহে লোম দ্বারা আবৃত থাকে।
- স্তন্যপায়ী প্রাণীরা সন্তান প্রসব করে।
- শিশুরা মাতৃদুগ্ধ পান করে বড় হয়।
- যেমন- তিমি, বাদুড়, শুশুক, গরু, হাতি, মানুষ, কুকুর, বানর, ঘোড়া, ইঁদুর, জিরাফ ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর বৃহত্তম স্তন্যপায়ী প্রাণী নীল তিমি।
- নীল তিমি সামুদ্রিক এবং স্তন্যপায়ী প্রাণী। 
- এটির ওজন প্রায় ১৫০ টন এবং এরা দৈর্ঘ্যে ৩০ মিটারের (৯৮ ফিট) হতে পারে।
- এটি শান্ত স্বভাবের প্রাণী।
- একেক টি তিমি আকারে শত ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়।

উৎস: World Wildlife Fund ওয়েবসাইট।
২৮৩.
Which instrument is used to see objects at the surface of water from a submarine under water?
  1. Telescope
  2. Spectroscope
  3. Periscope
  4. Kaleidoscope
ব্যাখ্যা

পানির নিচে থাকা সাবমেরিন থেকে পানির পৃষ্ঠে থাকা বস্তু দেখার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়? - পেরিস্কোপ।

পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো কোনো লুক্কায়িত স্থান থেকে পর্যবেক্ষণের জন্য যন্ত্রবিশেষ।
- এর সরলতম আকারে এটি ৪৫ ডিগ্রী কোনে প্রতি প্রান্তে পরস্পরের সাথে সমান্তরালে স্তাপিত দর্পণসহ একটি নল দ্বারা গঠিত।
- পেরিস্কোপ আলোর প্রতিফলন এবং ব্যতিচার নীতির উপর তৈরি হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পর্যবেক্ষণের উদ্দেশ্যে পরীক্ষায় ব্যবহার করা হতো।
- এটি সাধারণত পানির নিচে বা কোন অবরুদ্ধ স্থানে থাকা জিনিস দেখতে ব্যবহৃত হয়।
- পেরিস্কোপের মাধ্যমে একটি নাবিক বা ব্যবহারকারী সাবমেরিন বা অন্যান্য যানের উপরিভাগের দৃশ্য দেখতে পারে।

উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয় সাবমেরিনে বা ডুবজাহাজে।
- মূলত ডুবজাহাজ থেকে বাইরের অবস্থা দেখার লক্ষ্যেই মারি-ডেভি তার নৌ-পেরিস্কোপটি উদ্ভাবন করেন।
- গবেষণা, অভিযান কিংবা অনুসন্ধানেও এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।

অন্যদিকে,
- Spectroscope: একটি স্পেকট্রোমিটার একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র, যা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনের বর্ণালী বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- Telescope: টেলিস্কোপ হল এমন একটি যন্ত্র যা দূরবর্তী বস্তুকে তাদের নির্গমন, শোষণ বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণের প্রতিফলন দ্বারা পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- Kaleidoscope: ক্যালিডোস্কোপ হল একটি অপটিক্যাল যন্ত্র যেখানে দুই বা ততোধিক প্রতিফলিত পৃষ্ঠ (বা আয়না) একটি কোণে একে অপরের দিকে কাত হয়ে থাকে, যাতে এই আয়নার এক প্রান্তে এক বা একাধিক (অংশ) বস্তুগুলিকে নিয়মিত প্রতিসম প্যাটার্ন হিসাবে দেখানো হয়.

উৎস: i) Britannica.
ii) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।

২৮৪.
Which of the following is not an alloy?
  1. Brass
  2. Zinc
  3. Bronze
  4. German silver
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু:
- দুই বা ততোধিক ধাতুর সমসত্ত্ব বা অসমসত্ত্ব মিশ্রণে যে কঠিন পদার্থ তৈরি হয় তাকে সংকর ধাতু বা ধাতু সংকর বলা হয়।

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়,
- গলিত তামা ও দস্তা যে কোনো অনুপাতে মিশিয়ে ঠান্ডা করলে এক শক্ত ধাতব পদার্থ পাওয়া যায়।
- একে ব্রাস বা পিতল বলে।
- পিতলের গুণাগুণ বা ধর্ম তামা এবং দস্তার গুণাগুণের চেয়ে আলাদা।
- তামা ও দস্তার মিশ্রণের অনুপাত ভিন্ন করে আমাদের প্রয়োজন মত সংকর ধাতু পিতল তৈরি করতে পারি।
- শুধু পিতলই নয়, তামা ও টিনের মিশ্রণে ব্রোঞ্জ তৈরি হয়।
- স্টেইনলেস স্টিলও একটি সংকর ধাতু।
- এ ছাড়াও কাসা, মনেল মেটাল, জার্মান সিলভার, ডুরালমিন ইত্যাদি সংকর ধাতুর উদাহরণ।

অন্যদিকে, 
- জিংক বা দস্তা সংকর ধাতু নয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৫.
Which is the chemical symbol for Citric Acid?
  1. C7H2O6
  2. C8H6O7
  3. C6H8O7
  4. C2H4O7
ব্যাখ্যা
এসিডের নাম ও সংকেত:
• অক্সালিক এসিড: HOOC–COOH.
• ফসফরিক এসিড: H3PO4.
• ফরমিক এসিড: H-COOH.
• অ্যাসিটিক এসিড: CH3-COOH.
• কার্বনিক এসিড: H2CO3.
• সাইট্রিক এসিড: C6H8O7.
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড: HCI.
• নাইট্রিক এসিড: HNO3.
• সালফিউরিক এসিড: H2SO4.

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৬.
What does the nucleus of an atom contain?
  1. Neutrons and protons
  2. Electrons and positrons
  3. Neutrons and positrons
  4. Electrons and protons
ব্যাখ্যা
• পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে প্রোটন ও নিউট্রন।

- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়।
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি পরমাণুর স্থায়ী কণিকা।
- স্বাভাবিক অবস্থায় পরমাণুর প্রোটন ও ইলেকট্রন সংখ্যা সমান থাকে। নিউট্রন সংখ্যা কখনো সমান আবার কখনো বেশি থাকে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। এ নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।

• ইলেকট্রন: পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন। সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হলো ইলেকট্রন। এর ভর অতি সামান্য। একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা। ইলেকট্রন একক ঋনাত্মক তড়িৎধর্মী কণা। ইলেকট্রনের সংকেত e¯। ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11×10-28g ও -1.60×10-19 C। আপেক্ষিক আধান -1।

• প্রোটন: ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। ইহার সংকেত H+। প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24 g ও 1.60×10-19 C। প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। প্রোটনের আরেকটি সংকেত P। আপেক্ষিক আধান +1।

• নিউট্রন: নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n। নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g। আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৭.
Scopolamine is sometimes referred to as:
  1. Blue Lotus
  2. Happy Leaf
  3. Angel’s Dust
  4. Devil’s Breath
ব্যাখ্যা

• Scopolamine একটি শক্তিশালী অ্যান্টিকোলিনার্জিক ড্রাগ যা প্রায়শই মেডিকেল ব্যবহারে যেমন ভ্রমণজনিত বমি বা মরণভীতি কমাতে ব্যবহৃত হয়। তবে, এর অজানা বা ভুল ব্যবহার অত্যন্ত বিপজ্জনক। এই ড্রাগকে কখনও কখনও “Devil’s Breath” বলা হয়, যা মূলত তার অতিরিক্ত প্রয়োগে মানুষের ইচ্ছা বা সচেতনতা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতার কারণে। এটি ব্যবহারকারীর মনে বিভ্রান্তি, স্মৃতি ক্ষয় এবং অচেতন অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। অনেক সময় অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে এই ড্রাগ ব্যবহৃত হয়, যেমন কারো থেকে সম্পত্তি ছিনতাই করা বা অপরাধে যুক্ত করা। তাই এর ব্যবহার শুধুমাত্র নির্দিষ্ট চিকিৎসাজনিত পরিস্থিতিতেই নিরাপদ।

সঠিক উত্তর: ঘ) Devil’s Breath.

শয়তানের নিশ্বাস বা ডেভিলস ব্রেথ: 
- ‘শয়তানের নিশ্বাস’ বা স্কোপোলামিন এক ধরনের ড্রাগ, যা ধুতরা ফুল থেকে তৈরি করা হয়।  
- এটি মানুষকে সম্মোহিত বা বশ করে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এটি ‘ট্রুথ সেরাম’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। 
- স্কোপোলামিন তরল ও পাউডার দুই রূপেই পাওয়া যায় এবং শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে দ্রুত কাজ করে। 
- অপরাধীরা এটি ব্যবহার করে ব্যক্তির মূল্যবান জিনিস হাতিয়ে নেয়।
- এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মুখ শুকিয়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, অস্থিরতা, এমনকি হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে। 
- নিরাপত্তার জন্য অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করা, মাস্ক ব্যবহার করা এবং সতর্ক থাকা জরুরি। 
- প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিতে হবে এবং মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [link]

২৮৮.
Ice floats on water because: density of ice is -
  1. less than the water
  2. more than the water
  3. equal to the water
  4. A & B both
ব্যাখ্যা
বরফ:
- একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়।
- সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে বলেই বরফ পানিতে ভাসে।
- বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি অর্থাৎ বরফের ঘনত্ব কম।
- বরফ পানিতে পরিণত হলে আয়তন কমে যায়।

উৎস: i) পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) britannica.
২৮৯.
Which planet is also called as the "Red Planet"?
  1. Venus
  2. Mars
  3. Saturn
  4. Jupiter
ব্যাখ্যা
মঙ্গল গ্রহ (Mars):
- মঙ্গল গ্রহ হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ।
- বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- মঙ্গল গ্রহকে ‘লাল গ্রহ’ নামে অভিহিত করা হয়।
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ২২৮ মিলিয়ন কিলোমিটার।
- এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৬৮৭ দিন সময় নেয়।
- এর ব্যাসার্ধ প্রায় ৩৩৯০ কিলোমিটার (২১০৬ মাইল)। এর আকার পৃথিবীর আকারের অর্ধেক।
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহে আলো পৌছাতে সময় লাগে ১৩ মিনিট।
- নিজ কক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৪ ঘন্টা।
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুইটি: ফোবোস ও ডিমোস।

উল্লেখ্য,
- মঙ্গলের লালাভ হওয়ার পেছনে মূল কারণ এর পৃষ্ঠে প্রচুর আয়রন অক্সাইড আছে।
- নাসার বিজ্ঞানীদের ধারণা, মঙ্গলের কেন্দ্রেও লোহা আছে, তবে পরিমাণে অঢেল হওয়ায় গ্রহটির পৃষ্ঠেও লোহার একটি আবরণ তৈরি হয়েছে। সে কারণেই লাল দেখায়।

উৎস: i) NASA (.gov).
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২৯০.
The unit of power of a lens is -
  1. Watt
  2. Joule
  3. Diopter
  4. Metre
ব্যাখ্যা

লেন্স:
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ সমসত্ত্ব প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলা হয়।
- লেন্স সাধারণত কাচের তৈরি হয়। এছাড়া কোয়ার্টজ, স্বচ্ছ প্লাস্টিক দ্বারাও লেন্স তেরি করা হয়।
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
• উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex Lens)।
• অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave Lens)।

লেন্সের ক্ষমতা:
- লেন্সের ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর একক হচ্ছে ডায়াপ্টার।
- দূরত্বকে মিটারে প্রকাশ করে এর বিপরীত রাশি নিলে লেন্সটির ক্ষমতা ডায়াপ্টার পাওয়া যায়।
- ডায়াপ্টারকে সংক্ষেপে D দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- লেন্সের ক্ষমতা ধণাত্মক বা ঋণাত্মক যে কোনোটিই হতে পারে।
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক হয়, তাহলে বুঝতে হবে লেন্সটি উত্তল।
- লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক হয়, তাহলে লেন্সটি হবে অবতল।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯১.
If a stone and a feather are dropped from the same height in a vacuum, what happens?
  1. Stone falls faster than feather
  2. Feather falls faster than stone
  3. Both fall at the same rate 
  4. Both float in the air
ব্যাখ্যা

• শূন্যচাপযুক্ত (vacuum) পরিবেশে বাতাস বা অন্য কোনো গ্যাস নেই। সাধারণভাবে আমরা জানি, হালকা বস্তুর (যেমন পাতা বা পালক) ওপর বাতাসের ঘর্ষণ বেশি প্রভাব ফেলে, তাই তা ধীরে পড়ে, আর ভারী বস্তু (যেমন পাথর) দ্রুত পড়ে। কিন্তু শূন্যচাপে কোনো ঘর্ষণ নেই। তাই বস্তুগুলোর ওজন বা আকারের পার্থক্য কোনো প্রভাব ফেলে না। নিউটনের ভর এবং মহাকর্ষ তত্ত্ব অনুযায়ী, সব বস্তু একই ত্বরণে (acceleration) পড়বে। সুতরাং শূন্যচাপে পাথর এবং পালক একসাথে একই গতি দিয়ে নিচে পড়ে।
- সঠিক উত্তর হলো: গ) Both fall at the same rate.
 
পড়ন্ত বস্তুর সূত্রসমূহ: 
- কোন বস্তুকে উপর থেকে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষের প্রভাবে মাটিতে পড়ে। 
- বাতাসের বা অন্য কোন বাঁধা দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে কেবল অভিকর্ষের প্রভাবে পড়ন্ত বস্তুকে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তু। 
- ষোড়শ শতাব্দীতে ইটালীর বিখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী গ্যালেলিও গ্যালিলাই পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে তিনটি সূত্র দেন, এই সূত্রগুলোকে পড়ন্ত বস্তুর সূত্র বলা হয়। 
- এই সূত্রগুলো এখন সর্বজন গৃহীত সূত্র। 
- সূত্রগুলো নিম্নরূপ - 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় বা মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, বস্তু t সময়ে v বেগ প্রাপ্ত হলে, v ∝ t  । 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, t সময়ে বস্তু h দূরত্ব অতিক্রম করলে, h ∝ t2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯২.
Which colour cup of tea cools down more quickly?
  1. White
  2. Yellow
  3. Black
  4. Red
ব্যাখ্যা
কালো রঙের কাপে:
- কালো রঙের কাপে চা দ্রুত ঠাণ্ডা হয়।
- কারণ কালো রং তাপ শোষণ করতে পারে।
- তাপ সব সময় উচ্চ তাপীয় অবস্থা থেকে নিম্ন তাপীয় অবস্থায় স্থানান্তরিত হয়।
- এক্ষেত্রে চা এর কালো কাপটি হচ্ছে নিম্ন তাপীয় অবস্থা তাই তা দ্রুত তাপ শোষণ করে নেবে এবং চা তাপ বিকিরণ করে ঠান্ডা হয়ে যাবে।
- সাদা রঙের কাপে চা বেশি সময় গরম থাকে। কারণ সাদা রঙের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৩.
Humans normally have how many chromosomes in each somatic cell?
  1. 44
  2. 22
  3. 46
  4. 23
ব্যাখ্যা

• মানুষের প্রতিটি সোমাটিক কোষে সাধারণত ৪৬টি ক্রোমোসোম থাকে, যা ২৩ জোড়া ক্রোমোসোম নিয়ে গঠিত। এই ক্রোমোসোমগুলোর মধ্যে ২২ জোড়া হলো অটোসোম, যা শরীরের সাধারণ বৈশিষ্ট্য এবং বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে, এবং ১ জোড়া হলো লিঙ্গ ক্রোমোসোম, যা ব্যক্তির লিঙ্গ নির্ধারণ করে। পুরুষের ক্ষেত্রে লিঙ্গ ক্রোমোসোমগুলো X এবং Y, আর মহিলাদের ক্ষেত্রে দুটি X ক্রোমোসোম থাকে। এই সংখ্যা প্রতিটি সোমাটিক কোষে একই থাকে এবং মানুষের জিনেটিক স্থায়িত্ব ও পরিচয় নিশ্চিত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) 46.
 
ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Waldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া বা ২ টি ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৪.
Where in space is the James Webb Space Telescope located?
  1. Geostationary Orbit
  2. Lunar Orbit
  3. Low Earth Orbit
  4. Lagrange Point 2 (L2)
ব্যাখ্যা

• জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট ২ (L2)-তে অবস্থান করছে, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে। এই স্থানে পৃথিবী ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান এমনভাবে ভারসাম্য রক্ষা করে যে টেলিস্কোপটি পৃথিবীর সাথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে পারে, কিন্তু তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল অবস্থানে থাকে। এই অবস্থান থেকে টেলিস্কোপটি পৃথিবীর ছায়া ও আলোর ব্যাঘাত ছাড়াই মহাবিশ্বের গভীরতম অঞ্চল পর্যবেক্ষণ করতে পারে। L2 পয়েন্ট অবস্থান করায় জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ঠান্ডা থাকে, যা ইনফ্রারেড বিকিরণ শনাক্ত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ:
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- এটি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা NASA, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- এটিকে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ-এর উত্তরসূরী হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে।
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের আয়না ৬.৫ মিটার ব্যাসের (২১.৩ ফুট), যা হাবলের আয়নার তুলনায় প্রায় সাত গুণ বড়। আয়না বড় হওয়ার ফলে এটি অনেক বেশি আলো সংগ্রহ করতে সক্ষম, যা দূরবর্তী গ্যালাক্সি ও মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
- টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সরাসরি ঘোরে না, বরং সূর্যকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ কক্ষপথে চলে—লিসাজু (Lissajous) প্যাটার্নে দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে (L2)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার (৯.৩ লক্ষ মাইল) দূরে, পৃথিবীর রাতের দিকের অংশে অবস্থিত।
- ওয়েবের মূল লক্ষ্য হলো ছায়াপথের জন্ম ও বিবর্তন এবং নক্ষত্র ও গ্রহসমূহের সৃষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে পুরনো ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পেয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।
- সূর্যের চেয়ে ষোলো লক্ষগুণ ভারী এই ব্ল্যাকহোলের বয়স প্রায় মহাবিশ্বের বয়সের কাছাকাছি, যেখানে মহাবিশ্বের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর।
- এই ব্ল্যাকহোলটি নক্ষত্র-অর্থাৎ তারাদের জন্মের বিষয়ে আরো নিখুঁত তথ্য দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
- এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দুটি ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহার করেছেন।
- মিড-ইনফ্রারেড যন্ত্র (MIRI) এবং নিয়ার ইনফ্রারেড ক্যামেরা। 

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। স্পেস ডট কম। 

২৯৫.
Barometer is used to measure -
  1. Gas pressure
  2. Humidity
  3. High temperature
  4. Atmospheric pressure
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
 
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।
 
তথ্যসূত্র - Britannica.com
২৯৬.
Which is the temperature of the triple point of water?
  1. 100 K
  2. 222.01 K
  3. 273.16 K
  4. 290.32 K
ব্যাখ্যা
পানির ত্রৈধ বিন্দু:
- 4.5 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে।
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা 273.16 K নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এর উপর ভিত্তি করে পরম শূন্য তাপমাত্রা 0 K, বরফ বিন্দু 273.15 K এবং স্টিম বিন্দু 373.15 K ধরা হয়।
- তাপমাত্রা পরিমাপের কেলভিন স্কেলে বরফ বিন্দুকে 273.15 K এবং স্টিম বিন্দুকে 373.15 K ধরে মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়।
- এক একটি ভাগকে এক কেলভিন (1 K) বলা হয়।
- সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে - K = C+273.15

তথ্যসূত্র - পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৭.
'SIM' stands for -
  1. Subscriber Identity Module
  2. Subscriber Identity Merediem
  3. Subscriber Identification Module
  4. Subscriber Identification Merediem
ব্যাখ্যা
SIM:
- 'SIM'-এর পূর্ণরূপ হলো: Subscriber Identity Module.

⇒ SIM একটি সমন্বিত বর্তনী যা নিরাপদে আন্তর্জাতিক মোবাইল গ্রাহকের পরিচয় (আইএমএসআই) সংরক্ষণ করে।
- এটি একটি Portable মেমরি চিপ যা আপনাকে বিশ্বকে কল করতে সক্ষম করে যেখানে গ্রাহকের Network উপলব্ধ।
- সিএমটি সাধারণত GSM জিএসএম নেটওয়ার্কের উপর পরিচালিত MOBILE ফোনগুলিতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৯৮.
In which year was the International Union for Conservation of Nature (IUCN) established?
  1. In 1945 
  2. In 1948
  3. In 1950
  4. In 1964
ব্যাখ্যা

• IUCN: 
- IUCN এর পূর্ণরূপ হলো:
- International Union for Conservation of Nature.
- প্রকৃতি সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- IUCN হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন,
- যা প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষা এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করে।
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• IUCN এর প্রধান কাজ:
- প্রকৃতি সংরক্ষণে গবেষণা ও পরামর্শ দেওয়া,
- বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা তৈরি করা,
- বিভিন্ন দেশের সরকারকে পরিবেশবান্ধব সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করা,
- জলবায়ু পরিবর্তন, বন রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করা।

উৎস: IUCN ওয়েবসাইট।

২৯৯.
What does the pH value of water depend on?
  1. K
  2. H
  3. Al
  4. O2
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- পানিতে PH এর মান নির্ভর করে পানিতে বিদ্যমান হাইড্রোজেন আয়নের ঘনমাত্রার উপর।
- PH হলো হাইড্রোজেন আয়নের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম অর্থাৎ
- pH = −log [H+]
- pH এর মান শুধুমাত্র জলীয় দ্রবণের (পানি) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য । অনেক রাসায়নিক পদার্থের pH মান থাকে না কারন যদি পদার্থে পানি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে pH এর কোন মান থাকে না।
- উদাহরণস্বরূপ: উদ্ভিজ্জ তেল , পেট্রল বা বিশুদ্ধ অ্যালকোহলের কোনও pH মান নেই ।

তথ্যসূত্র:
- HSC রসায়ন প্রথম পত্র ; হাজারী ও নাগ।
৩০০.
What provides the extreme temperature and pressure required for fusion in a hydrogen bomb?
  1. Solar energy
  2. Magnetic confinement
  3. Fission bomb explosion
  4. Electric current
ব্যাখ্যা

• হাইড্রোজেন বোমা বা থার্মোনিউক্লিয়ার বোমার মধ্যে নিউক্লিয়ার ফিউশন ঘটানোর জন্য অত্যন্ত উষ্ণতা ও চাপের প্রয়োজন হয়। এই চরম অবস্থার জন্য সরাসরি সৌর শক্তি, চুম্বকীয় আবদ্ধকরণ বা বৈদ্যুতিক ধারা যথেষ্ট নয়। বরং, একটি ছোট ফিশন বিক্রিয়ার বিস্ফোরণকে প্রাথমিক উত্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ফিশন বিক্রিয়ার মুহূর্তে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করে, যা তাপ এবং চাপের চরম পরিবেশ সৃষ্টি করে। এই চরম পরিবেশ হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসকে একত্রিত করে ফিউশন প্রতিক্রিয়া ঘটায়, যার ফলে আরও বিশাল শক্তি উৎপন্ন হয়। তাই হাইড্রোজেন বোমার ফিউশনের জন্য মূল উৎস হলো ফিশন বোমার বিস্ফোরণ। উত্তর: গ) Fission bomb explosion.

ফিউশন বিক্রিয়া (Fusion Reaction):
- ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্য শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া হলো নক্ষত্রগুলোর প্রধান শক্তি উৎস এবং হালকা মৌলগুলোর নিউক্লোসিনথেসিসের (নিউক্লিয়ার সংশ্লেষণ) প্রধান প্রক্রিয়া।
- ১৯৩০-এর দশকে হান্স বেতে প্রথম হাইড্রোজেন নিউক্লিয়াসের ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ডিউটেরিয়াম গঠনের ফলে বিশাল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় বলে চিন্তাধারা উপস্থাপন করেন।
- এই বিক্রিয়ার ক্রমাগত সংঘটনের ফলে হিলিয়াম তৈরি হয়, যা সাধারণ নক্ষত্রগুলোর (যেমন সূর্য) মূল শক্তির উৎস।
- ফিউশন বিক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে নক্ষত্রের কেন্দ্রীয় প্লাজমার তাপমাত্রা ১৫,০০০,০০০ কে (কেলভিন) বা তার কম হতে হয়।
- হাইড্রোজেন পরমাণুগুলো একত্রে মিশে হিলিয়ামে রূপান্তরিত হয়, যা শক্তি উৎপন্ন করে।
- ফিউশন বিক্রিয়া বিশ্বের শক্তি উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, যা নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।

অন্যদিকে,
ফিশন বিক্রিয়া (Fission):
- একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস ভেঙে দুটি বা ততোধিক ছোট নিউক্লিয়াস তৈরি হয়, যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫ এর বিভাজন।

উৎস: Britannica.