বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

Bank - Science

মোট প্রশ্ন৬৭৯এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Bank - Science

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৬৭৯

১০১.
What does Newton’s second law of motion state?
  1. Gravitational force effect
  2. Action-reaction principle
  3. Inertia of matter
  4. The principle of conservation of energy
  5. Relationship between force, mass, and acceleration
ব্যাখ্যা

• নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্রটি মূলত বল, ভর এবং ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:
- "বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং সমবেগে চলতে থাকা বস্তু চিরকাল সমবেগে চলতে থাকবে।"
- এই সূত্রটি স্যার আইজ্যাক নিউটন তার "ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা" (1687) গ্রন্থে প্রস্তাব করেছিলেন।
- নিউটনের প্রথম সূত্রটি "জড়তার সূত্র" (Law of Inertia) নামে পরিচিত।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার ওপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে প্রযুক্ত হয়, বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।" 
- এটি থেকে আমরা বিখ্যাত গাণিতিক সমীকরণ F = ma পাই, যেখানে F হলো বল, m হলো ভর এবং a হলো ত্বরণ।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- এই সূত্র অনুযায়ী, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়োগ করে, তখন দ্বিতীয় বস্তুটিও প্রথম বস্তুর ওপর সমান ও বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে।
- একে সংক্ষেপে 'ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া' সূত্র বলা হয়। গাণিতিকভাবে একে F1 = - F2 দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে একটি বল ক্রিয়া এবং অন্যটি প্রতিক্রিয়া।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

১০২.
If a machine does 1492 joules of work in 2 seconds, its power in horsepower is approximately:
  1. 4 hp
  2. 3 hp
  3. 2 hp
  4. 1 hp
ব্যাখ্যা

• একটি যন্ত্র ২ সেকেন্ডে ১৪৯২ জুল কাজ করছে। পাওয়ার নির্ণয় করতে আমরা সূত্র ব্যবহার করি:
Power (W) = Work (J) / Time (s) = 1492 / 2 = 746 W
এখন, ১ হর্সপাওয়ার ≈ ৭৪৬ ওয়াট। সুতরাং, যন্ত্রের পাওয়ার:
746 W / 746 W/hp ≈ 1 hp
অতএব, যন্ত্রের পাওয়ার প্রায় ১ হর্সপাওয়ার, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) 1 hp.

• ক্ষমতা:
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ -করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ক্ষমতা, P = সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়।
- কোনো যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট।
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়।
- এক অশ্বক্ষমতা (HP) = 746 ওয়াট।
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T- 3.

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৩.
What type of mosquito primarily transmits the Zika virus?
  1. Anopheles
  2. Culex
  3. Aedes aegypti
  4. Above all 
ব্যাখ্যা
জিকা ভাইরাস:
- জিকা ভাইরাস ছড়ায় এডিস মশকীর (Aedes aegypti) মাধ্যমে।
- এই মশা দিনে বেশি কামড়ায়। আর এই মশা দিয়েই ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও পীতজ্বরও ছড়ায়।
- রক্ত পরিসঞ্চালন এবং অনিরাপদ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমেও ছড়ায়।

⇒ জিকা ভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয় উগান্ডায় ১৯৪৭ সালে।
- ভাইরাসটি পাওয়া গিয়েছিল রেসাস ম্যাকাও বানরের শরীরে।
- পরবর্তী সময়ে পঞ্চাশের দশকে আফ্রিকান দেশগুলোয় মানুষের শরীরেও এই জীবাণু পাওয়া যায়। ভয়াবহ ব্যাপার হলো, ১৯৬০-১৯৮০ সালের মধ্যে আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশের বিভিন্ন দেশে এটি ছড়িয়ে পড়ে।
- বাংলাদেশে প্রথম ধরা পড়ে ২০১৪ সালে।

⇒ জিকা ভাইরাস সংক্রমণে সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। তবে ৩–১৪ দিনের মধ্যে শরীরে লালচে দানার মতো ছোপ বা র‍্যাশ, হালকা জ্বর, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ থেকে পানি পড়া, মাংসপেশি এবং গিঁটে গিঁটে ব্যথা, অবসাদ এবং মাথাব্যথা হতে পারে। এসব লক্ষণ সর্বোচ্চ ২-৭ দিন থাকতে পারে।

উৎস: i) WHO ওয়েবসাইট।
ii) Centers for Disease Control and Prevention (.gov) ওয়েবসাইট।
১০৪.
The wave theory of light was proposed by which of the following scientists?
  1. Erwin Schrödinger
  2. Max Planck
  3. Albert Einstein
  4. Robert Hooke
  5. Christiaan Huygens
ব্যাখ্যা
• আলোর প্রকৃতি সম্পৰ্কীয় বিভিন্ন তত্ত্ব:
- আলোর তরঙ্গ তত্ত্ব প্রকাশ করেন হাইগেনস (Christiaan Huygens)।
- তরঙ্গ তত্ত্বানুসারে আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়।
- কণা তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে।
- আইজাক নিউটন ১৬৭৫ সালে আলোর কণা তত্ত্ব প্রদান করেন।
- তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
The smallest particle of an element that participates in a chemical reaction is called-
  1. Atom
  2. Molecule
  3. Proton
  4. Electron
ব্যাখ্যা
• মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

♦ পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। 
যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 

- দুই বা দুইয়ের অধিক সংখ্যক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকলে তাকে অণু বলে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
১০৬.
Which of the following is a non-renewable source of energy?
  1. Geothermal
  2. Natural gas
  3. Wind Energy
  4. Solar Energy
ব্যাখ্যা
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
- একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।

নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস (Renewable source of energy):
- সৌরশক্তি (Solar Energy),
- জলবিদ্যুৎ (Hydropower),
- বায়ু শক্তি (Wind Energy),
- ভূতাপীয় শক্তি (Geothermal)
- জৈবিকভর (Biomass) ইত্যাদি।

অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস (Non-renewable source of energy):
- পেট্রোলিয়াম (Petroleum)
- প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural gas)
- কয়লা (Coal)
- পারমাণবিক শক্তি (Nuclear energy)

সূত্র: www.eia.gov ও পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।
১০৭.
What is the specific name of the virus that causes dengue fever?
  1. Filovirus
  2. Togavirus
  3. Bunyavirus
  4. Flavivirus
  5. Orthomyxovirus
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু জ্বরের ভাইরাস হচ্ছে- ফ্ল্যাভি ভাইরাস। 

ভাইরাস: 
- প্রাণী ও উদ্ভিদ দেহে ভাইরাস নানাবিধ রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস আক্রমণের ফলে মানুষের অন্ধত্ব, পঙ্গুত্ব এমনকি অকাল মৃত্যুও হতে পারে। 
- স্বল্প পরিসরে ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর অনেক উপকারও করে। 
- তবে তুলনামূলকভাবে ভাইরাস মানুষের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে থাকে। 

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো - 
 
অপশন আলোচনা:
ক) Filovirus - Ebola virus (Ebola virus disease),
খ) Togavirus - Chikungunya virus (Chikungunya fever),
গ) Bunyavirus - Hantavirus (Hantavirus pulmonary syndrome),
ঘ) Flavivirus - Dengue virus (Dengue fever), Zika virus (Zika fever),
ঙ) Orthomyxovirus - Influenza virus (Influenza, commonly known as flu).

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৮.
Which planet is called the 'Red Planet'?
  1. Earth
  2. Mars
  3. Venus
  4. Jupiter
ব্যাখ্যা
মঙ্গল গ্রহ:
- মঙ্গল গ্রহ-কে 'লাল গ্রহ' বলা হয়।
- এর কারণ হলো, মঙ্গল গ্রহের ভূপৃষ্ঠে প্রচুর পরিমাণে আয়রন অক্সাইড (রেড অক্সাইড) উপস্থিত থাকে, এটা সূর্যের আলোতে লাল আভা সৃষ্টি করে। এই গ্রহের রঙের কারণে এটিকে 'লাল গ্রহ' নামে অভিহিত করা হয়।
- মঙ্গল সূর্য থেকে চতুর্থ গ্রহ এবং এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৬৮৭ দিন সময় নেয়।
- মঙ্গল গ্রহের দুইটি উপগ্রহ রয়েছে, ফোবোস ও ডিমোস।

এছাড়া,
- বুধ হল সূর্যের নিকটতম এবং সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- ইউরেনাসকে 'সবুজ গ্রহ' বলা হয়।
- বৃহস্পতিকে 'গ্রহরাজ' বলা হয়।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০৯.
Which of the following devices works on Pascal’s law?
  1. Speedometer
  2. Barometer
  3. Thermometer
  4. Hydraulic lift
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ঘ) Hydraulic lift.

Pascal’s law বলে, একটি সিলিন্ডারে থাকা তরল চাপকে সমস্ত দিকেই সমভাবে সংক্রমণ করে। Hydraulic lift এই নীতির উপর কাজ করে। এতে দুইটি পিস্টন সংযুক্ত থাকে এবং তাদের মধ্যে তরল পূর্ণ থাকে। ছোট পিস্টনে যে চাপ প্রয়োগ করা হয়, তা তরলের মাধ্যমে বড় পিস্টনে সমানভাবে প্রেরণ হয়, ফলে বড় পিস্টন অনেক বেশি শক্তিতে কাজ করতে পারে। এটি ভারী বস্তু যেমন গাড়ি বা যন্ত্রাংশ উঁচুতে তুলতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, speedometer, barometer এবং thermometer সরাসরি Pascal’s law অনুসরণ করে না, কারণ এগুলো চাপের পরিবর্তন মাপলেও লিফটের মতো শক্তি বৃদ্ধি করে না।

 • প্যাসকেলের সূত্র:
- একটা আবদ্ধ পাত্রে তরল বা বায়বীয় পদার্থে বাইরে থেকে চাপ দেওয়া হলে সেই চাপ চারদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হয়ে পাত্রের সংলগ্ন গায়ে লম্বভাবে কাজ করবে।

- তরলে সৃষ্ট চাপ সবদিকে সমানভাবে বিস্তার লাভ করে।
এই নীতি ব্যবহার করে:
- হাইড্রোলিক প্রেস,
- হাইড্রোলিক ব্রেক,
- লিফট,
- কার জ্যাক,
ইত্যাদিতে কম বল প্রয়োগ করে বড় বল উৎপন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১০.
The cultivation of silkworms to produce silk is called -
  1. Sericulture
  2. Mariculture
  3. Apiculture
  4. Pisciculture
ব্যাখ্যা
• সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
• এপিকালচার:
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

• পিসিকালচার:
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• মেরিকালচার:
- সমুদ্রের পানিতে মাছ ও অন্যান্য জলজ জীবকে অর্থনৈতিক লাভবানের জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ করাকে সামুদ্রিক মৎস চাষ বা মেরিকালচার বলে।

উৎস: Britannica.
১১১.
Among these scientists, who first observed the magnetic effect of electric current?
  1. James Clerk Maxwell
  2. Michael Faraday
  3. Isaac Newton
  4. Albert Einstein
  5. Hans Christian Ørsted
ব্যাখ্যা
তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া: 
- তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কার করেন হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড। 
- কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর চারপাশে একটি চৌম্বকক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, একে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া বলে। 
- ১৮২০ সালে তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া আবিষ্কৃত হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া যান্ত্রিক বল উৎপন্ন করে। 
- বৈদ্যুতিক ফ্যান, মোটর ইত্যাদিতে চৌম্বক ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো তড়িৎবাহী তারের চতুর্দিকে যে অঞ্চল জুড়ে একটি চৌম্বক শলাকা বিক্ষেপ দেখায় তাকে ঐ তড়িৎবাহী তারের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে। 
- একটি চুম্বক শলাকাকে চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে তার উত্তর মেরু যে দিক নির্দেশ করে তাই চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১২.
Which environmentally friendly gas is used in refrigerator compressors?
  1. Tetrafluoro-ethane
  2. Dichloro-difluoro ethane
  3. Argon
  4. None of above
ব্যাখ্যা
পরিবেশবান্ধব ফ্রিজ:
- ঐতিহ্যবাহী এয়ার কন্ডিশনার এবং রেফ্রিজারেন্টগুলিতে ফ্লোরিনযুক্ত গ্যাস থাকে যা ওজোন স্তরকে ছিদ্র করতে পারে, হ্রাস করতে পারে এবং পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে।
- টেকসই শীতলীকরণ এই গ্যাসগুলিকে জলবায়ু-বান্ধব বিকল্পগুলির সাথে প্রতিস্থাপন করে।
- সেগুলো যখন উন্নত শক্তি-দক্ষতা ব্যবস্থার সাথে মিলিত হয় তখন রেফ্রিজারেন্ট লিকেজ থেকে শক্তি নির্গমন হ্রাস করে।

উল্লেখ্য,
- একটি রেফ্রিজারেন্টের পরিবেশ-বান্ধবতা তার ওজোন হ্রাস সম্ভাবনা এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং সম্ভাব্য দ্বারা পরিমাপ করা যেতে পারে।
- সবচেয়ে পরিবেশবান্ধব রেফ্রিজারেন্ট হল হাইড্রোফ্লোরোকার্বন (HFC) এবং হাইড্রোফ্লোরো-ওলেফিনস (HFO)।
- বর্তমানে রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসারে হিমায়ক হিসেবে ফ্রেয়নের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব গ্যাস R-134A (টেট্রাফ্লোরো ইথেন), R-290 (আইসোপ্রোপেন), R-600A (আইসোবিউটেন) এর ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: i) Environmentally Friendly Refrigerants, American Biotech Supply.
ii) The Refrigeration School.
১১৩.
Which vitamin is known to help with blood clotting?
  1. Vit A
  2. Vit C
  3. Vit D
  4. Vit E
  5. Vit K
ব্যাখ্যা
ভিটামিন কে (Vitamin K):
- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইটাল নেপথোকুইনোন।
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

⇒ ভিটামিন কে-এর উৎস:
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়।

⇒ ভিটামিন কে-এর কাজ:
- কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে।
- পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে।

⇒ ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা:
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়।
- ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

অন্যদিকে,
- ভিটামিন-সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
- ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটস এবং অস্টিওম্যালাসিয়া হয়।
- ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
The largest part of the human body is-
  1. Skin
  2. Femour
  3. Liver
  4. Neuron
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের সর্ববৃহৎ অঙ্গ হলো মানব দেহের বহিরাবরণ বা ত্বক।
- মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি হচ্ছে যকৃত।
- নিউরন মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১৫.
Which element has the highest quantity in the atmosphere?
  1. Argon
  2. Oxygen
  3. Nitrogen
  4. Water vapor
  5. Carbon dioxide
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্টের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে। 
- বায়ুমণ্ডল মধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তণ করে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রধান দুটি উপাদান নাইট্রোজেন আবং অক্সিজেন। 
- বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ: 
- নাইট্রোজেন: ৭৮.০২ শতাংশ
- অক্সিজেন: ২০.৭১ শতাংশ, 
- আর্গন: ০.৮০ শতাংশ, 
- জলীয়বাষ্প: ০.৪১ শতাংশ, 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড: ০.০৩ শতাংশ, 
- অন্যান্য গ্যাস: ০..০২ শতাংশ, 
- ধূলিকণা ও কণিকা: ০.০১ শতাংশ। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৬.
Which of the following light has the longest wavelength?
  1. Green
  2. Blue
  3. Purple
  4. Red
ব্যাখ্যা
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

সূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১৭.
Study of earthquakes is known as -
  1. ক) Seismology
  2. খ) Ecology
  3. গ) Numismatics
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা

Seismology, scientific discipline that is concerned with the study of earthquakes and of the propagation of seismic waves within the Earth.
A branch of geophysics, it has provided much information about the composition and state of the planet’s interior.
Source: www.britannica.com

১১৮.
Which of the following is the main component of natural gas?
  1. Nitrogen
  2. Ethane
  3. Hydrogen
  4. Methane
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস:
- ভূত্বকের অভ্যন্তরে খনিতে প্রাপ্ত হাইড্রোকার্বন, যা স্বাভাবিক চাপ ও তাপে গ্যাস বা বাষ্পাকারে থাকে, তা-ই প্রাকৃতিক গ্যাস।
- এর প্রধান গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মিথেন।
- শতকরা ৯৭.৩৩ ভাগ মিথেন প্রাকৃতিক গ্যাসে থাকে।
- এ ছাড়া বাকি অংশে ইথেন, প্রোপেন ও অন্যান্য উপাদান ছাড়াও প্রচলিত অপদ্রব্যের মধ্যে নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সালফাইড অন্তর্ভুক্ত।
- ভূত্বকে প্রাকৃতিক গ্যাস স্বয়ংসম্পূর্ণভাবেও থাকতে পারে আবার তেল সহযোগেও থাকতে পারে।

⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলাে হলাে-
• মিথেন- ৮০-৯০%,
• ইথেন- ১৩%,
• প্রােপেন- ৩%।
- এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯%।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৯.
Who is the proponent of the theory of Natural Selection?
  1. Jean-Baptiste Lamarck
  2. Gregor Johann Mendel
  3. Louis Pasteur
  4. Charles Darwin
  5. Isaac Newton
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক নির্বাচন বা 'Natural Selection' মতবাদের প্রবক্তা হলেন ব্রিটিশ প্রকৃতিবিদ চার্লস ডারউইন। তার মতে, প্রকৃতিতে টিকে থাকার লড়াইয়ে সেইসব প্রাণীই জয়ী হয় যাদের মধ্যে পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মতো অনুকূল বৈশিষ্ট্য থাকে। ফলে জীবের বিবর্তন ঘটে এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়। এই ধারণাটিকে পরবর্তীতে “Survival of the Fittest” বলা হয় (যদিও এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন Herbert Spencer)।

• প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত:

- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তার মতামত ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ২৮ নভেম্বর ‘The Origin of Species by means of Natural Selection' নামক বইটিতে প্রকাশ করেন। 
- তাঁর মতামত প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত নামে পরিচিত। 
- তিনি ১৮৩১ সালে H.M.B.S. Beagle নামক জাহাজে প্রকৃতিবিদ হিসেবে চাকরি পেয়ে বিশ্বভ্রমণে বের হন।
এছাড়া,
- 'Evolution' পরিপদটি ১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ ফন হলার।
- চার্লস লায়েল ‘The Principles of Geology’ বইটি রচনা করেন।
- ডারউইনের মতবাদের মূলতত্ত্বগুলো সম্পূর্ণ পৃথকভাবে সংক্ষেপে ও তুলনামূলকভাবে কম নমুনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে রাসেল ওয়ালেস আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন।

অন্যান্য অপশন:
- Jean-Baptiste Lamarck: অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার তত্ত্বের (Inheritance of Acquired Characters) প্রবক্তা।
- Gregor Johann Mendel: বংশগতিবিদ্যার জনক এবং মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে বংশগতির সূত্র প্রদান করেন।
- Louis Pasteur: জীবাণুতত্ত্ব এবং পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতির জন্য বিখ্যাত।
- Isaac Newton: পদার্থবিজ্ঞানের গতির সূত্র এবং মহাকর্ষ নিয়ে কাজ করেছেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২০.
What is the standard audible frequency range for humans?
  1. 10 Hz to 10,000 Hz
  2. 20 Hz to 20,000 Hz
  3. 50 Hz to 15,000 Hz
  4. 100 Hz to 25,000 Hz
ব্যাখ্যা
শব্দ:
- কোনো বস্তুর কম্পন থেকেই উৎপন্ন হতে পারে 'শব্দ' যা মানুষ কিংবা অন্যান্য প্রাণী কানের মাধ্যমে অনুভব করে।
- শব্দ আসলে বস্তুর কম্পন থেকে পার্শ্ববর্তী মাধ্যমে সৃষ্ট অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
- সব কম্পাঙ্কের শব্দ শোনা যায় না।
- মানুষের শ্রাব্যতার সীমা ২০ হার্টজ থেকে ২০,০০০ হার্টজ।
- অর্থাৎ মানুষ সাধারণত ২০ হার্টজ থেকে ২০,০০০ হার্টজ পর্যন্ত শুনতে পায়।
- অন্যান্য প্রাণীদের কান এর চেয়েও সংবেদনশীল হতে পারে।
- ২০ হার্টজ থেকেও কম কম্পাঙ্কের কম্পনকে সাবসনিক এবং ২০০০০ হার্টজ থেকেও কম কম্পাঙ্কের কম্পনকে আলট্রাসনিক কম্পন বলে।
- শব্দ যেহেতু একটি তরঙ্গ তাই কোনো নির্দিষ্ট মাধ্যমে শব্দেরও একটি নির্দিষ্ট বেগ রয়েছে। 
- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি এবং বায়বীয়  মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২১.
Which theory explains that planets move in elliptical orbits around the Sun?
  1. Orbitology
  2. Keplerian Theory
  3. Stellarscience
  4. Cosmodynamics
ব্যাখ্যা

কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।
- সূত্র তিনটি:

প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র বা, পর্যায়কালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২২.
Which of the following diseases is commonly associated with adenovirus infection?
  1. Measles
  2. Malaria
  3. Common cold 
  4. Tuberculosis
ব্যাখ্যা

• Adenoviruses সাধারণত শ্বাসতন্ত্র ও চোখের সংক্রমণের জন্য পরিচিত ভাইরাস। এগুলি নাক, গলা, ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটাতে পারে এবং শিশুদের মধ্যে প্রায়ই সাধারণ ঠান্ডা (Common cold) এর জন্য দায়ী হয়। এছাড়া চোখে কনজunktিভাইটিস এবং পেটের সমস্যা (গ্যাস্ট্রোএনটেরাইটিস)ও ঘটাতে পারে। অন্যদিকে, মেজলস (Measles) একটি রুবেলা ভাইরাস দ্বারা, ম্যালেরিয়া (Malaria) প্রোটোজোয়া পরজীবী দ্বারা এবং টিউবারকুলোসিস (Tuberculosis) ব্যাকটেরিয়া মাইক্রোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস দ্বারা সংক্রমিত হয়। তাই প্রদত্ত অপশনের মধ্যে adenovirus সংক্রমণের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে সাধারণ ঠান্ডা (Common cold) এর সঙ্গে।

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। প্রাণীর ন্যায় উদ্ভিদের প্রায় ৩০০ ধরনের রোগ ভাইরাস দিয়ে সংঘটিত হয়। 
- এতে ফসলের উৎপাদন বিপুল পরিমাণে হ্রাস পায়। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো- 
 

২। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস নানা রকম প্রাণীর মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করে, ফলে প্রাণীর অকাল মৃত্যু সংঘটিত হয়। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো- 
 

৩। ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস: মানুষের উপকারি কিছু ব্যাকটেরিয়াকে ফায ভাইরাস ধ্বংস করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৩.
The ratio of the partial pressure of water vapour in an air-water mixture to the saturated vapour pressure of water at a given temperature is termed as -
  1. ক) Relative Humidity
  2. খ) Absolute Humidity
  3. গ) Specific Humidity
  4. ঘ) None of these.
ব্যাখ্যা

Relative humidity, the ratio of the actual vapor pressure of water in the air to that in air saturated with water vapor; it is often expressed as a percentage.
Absolute humidity, the vapor concentration or density in the air.
Specific humidity, the mass of water vapor in a unit mass of moist air, usually expressed as grams of vapor per kilogram of air, or, in air conditioning, as grains per pound.
Source: www.britannica.com

১২৪.
Why is the blood of humans and other vertebrates red in color?
  1. Due to the presence of plasma
  2. Due to the presence of platelets
  3. Due to the presence of hemoglobin
  4. Due to the presence of oxygen
ব্যাখ্যা

রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্ত কণিকার সমন্বয়ে রক্ত গঠিত হয়।
- মানুষ ও অন্যান্য মেরুদন্ডী প্রাণিদেহের রক্ত লাল রঙের হয়।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রং লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

রক্তকণিকা:
- মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে। যথা- -
১. লোহিত রক্তকণিকা।
২. শ্বেত রক্তকণিকা।
৩. অনুচক্রিকা।

লোহিত রক্তকণিকা:
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস নেই।
- এ কণিকা দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

• শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকারনেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ থেকে ১৫ দিন।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।

• অণুচক্রিকা:
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নিউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০ দিন।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২৫.
Humidity is measured by which of the following instrument?
  1. Barometer
  2. Sphygmomanometer
  3. Hygrometer
  4. Hydrometer
  5. None
ব্যাখ্যা
হাইগ্রোমিটার:
- হাইগ্রোমিটার বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র।

অন্যদিকে -
- বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র: ব্যারোমিটার।
- হাইড্রোমিটার তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র।
- স্ফিগোমোম্যানোমিটার(sphygmomanometer) রক্ত চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।

উৎস: Britannica.
১২৬.
What is the chemical composition of baking powder?
  1. NaHCO3
  2. KCl
  3. NH4Cl
  4. CaCO3
  5. H2SO4
ব্যাখ্যা
• বেকিং পাউডার:
- বেকিং পাউডার মূল উপাদান হলো সোডিয়াম বাই কার্বনেট। 
- কেক বা পিঠা ফোলানোর জন্য সাধারণত বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- বেকিং পাউডারের মূল উপাদানের সংকেত NaHCO3.

অপশন আলোচনা:
- NaHCO3 - সোডিয়াম বাই কার্বনেট। 
- KCl - পটাসিয়াম ক্লোরাইড।
- NH4Cl - অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড।
- CaCO3 - ক্যালসিয়াম কার্বনেট।
- H2SO4 - সালফিউরিক এসিড।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
১২৭.
Where is it easy to swim?
  1. In sea
  2. In river
  3. In lake
  4. In pond
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ:
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমূখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে।
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
- যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়।
- ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম।
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয়।
- ফলে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়।

⇒ সমুদ্রের পানি:
- সমুদ্রের পানিতে ২.৫% থেকে ৩.৫% লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
- গড়ে সমুদ্রের পানির ওজনের প্রায় ৩.৫ শতাংশ হলো দ্রবীভূত লবণ।
- এর অর্থ ১ কিলোগ্রাম সমুদ্রের পানিতে ৩৫ গ্রাম দ্রবীভূত লবণ রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যে পানির ঘনত্ব বেশি সে পানিতে সাঁতার কাটা সহজ।
- পুকুর, নদী বা বিলের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি।
- সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১২৮.
Which of the following is a volatile substance?
  1. Iodine
  2. Sodium
  3. Copper
  4. Iron
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
উর্ধ্বপাতন (Sublimation) :
- পদার্থের সাধারণ পরিবর্তনের ধারাক্রম হলো তাপের প্রভাবে কঠিন থেকে তরল, তরল থেকে বাষ্পীয় অবস্থায় রূপান্তর।
- কিন্তু এমন কিছু পদার্থ আছে যাদেরকে তাপ দিয়ে কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্প এবং বাষ্পকে শীতল করলে সরাসরি কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়।
- এক্ষেত্রে কঠিন থেকে বাষ্প এবং বাষ্প থেকে কঠিন অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়ার সময় পদার্থ তার মধ্যবর্তী তরল অবস্থা প্রাপ্ত হয় না।
- এরা উদ্বায়ী পদার্থ।
- কোনো কঠিন পদার্থকে তাপ প্রয়োগে সরাসরি বাষ্পে পরিণত করে এবং ঐ বাষ্পকে শীতল করে সরাসরি কঠিন অবস্থায় ফিরে আনার প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলা হয়।
- আয়োডিন, কর্পূর, নিশাদল, ন্যাপথালিন, কার্বন ডাই অক্সাইড প্রভৃতি উদ্বায়ী পদার্থ এবং এরা উর্ধ্বপাতিত হয়।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৯.
Which numeric system is commonly used in digital electronics?
  1. Octal numbers
  2. Binary numbers
  3. Roman numerals
  4. Fibonacci numbers
  5. Prime numbers
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system)। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 

- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
What causes ocean tides on Earth?
  1. Wind patterns
  2. Earth's rotation
  3. Ocean currents
  4. Gravitational pull of the moon
ব্যাখ্যা

◉ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি (gravitational force) পৃথিবীর সাগরের পানিকে আকর্ষণ করে, যার ফলে জলের স্তর উঁচু হয়ে জোয়ার (high tide) সৃষ্টি করে। পৃথিবীর যে অংশ চাঁদের দিকে থাকে, সেখানে জোয়ার হয়, এবং একই সময়ে পৃথিবীর বিপরীত দিকেও জোয়ার হয়, কারণ সেখানে কেন্দ্রাতিগ শক্তি (centrifugal force) কাজ করে।

জোয়ার ভাঁটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। এই ফুলে উঠা ও নেমে যাওয়াকে জোয়ার ভাঁটা বলে।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়। অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।

জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- জোয়ার ভাঁটা সম্পর্কে প্রাচীনকালে মানুষ নানা রকম অবাস্তুব কল্পনা করত।
- কিন্তু বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়।
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩১.
Which is called 'God particle'?
  1. Quark
  2. Lepton
  3. Graviton
  4. Higgs boson
ব্যাখ্যা
• হিগের কণা:
- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন। 
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা
১৩২.
Which of the following is used to detect and treat the presence of tumours? 
  1. 32P
  2. 36P
  3. 56Na
  4. 60Co
  5. None of them 
ব্যাখ্যা

• রোগ নিরাময়ে:
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যানসার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 131I (আয়োডিন) সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়।
- এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায়।
- এ আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যানসার কোষকে ধ্বংস করে।
- এছাড়া ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্রেইন ক্যানসার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ  60Co ব্যবহার করা হয়।
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যানসারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় এর ফসফেট ব্যবহার  করা হয়।

তথ্যসূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

১৩৩.
Which vitamin is mainly produced when the skin is exposed to sunlight?
  1. Vitamin A
  2. Vitamin B
  3. Vitamin C
  4. Vitamin D
  5. Vitamin K
ব্যাখ্যা
- সূর্যের আলো ত্বকে লাগলে যে ভিটামিনটি প্রধানত উৎপন্ন হয় তা হলো ভিটামিন-ডি (Vitamin D)।

ভিটামিন 'ডি': 

- সূর্যের বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়।
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে ভিটামিন 'ডি' থাকে ।
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাঁড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে ভিটামিন 'ডি' এর দরকার হয়ে থাকে।
- ভিটামিন ‘ডি' এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।

রিকেটস রোগের লক্ষণ:
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া
- গাঁট ফুলে যাওয়া
- পায়ের হাঁড় বেঁকে যাওয়া
- সরু হাঁড়গুলো ভাঁজ খেয়ে যাওয়া
- হাঁড়গুলো ভঙ্গুর হওয়া
- বক্ষদেশ সরু হয়ে যাওয়া ইত্যাদি রিকেটস রোগের লক্ষণ।

রিকেটস রোগের প্রতিরোধ:
- পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
- নবজাতককে কিছুক্ষণ সকালের রোদে রাখা
- ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ইত্যাদি।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
Which metal is the most abundant on Earth?
  1. Copper
  2. Aluminum
  3. Zinc
  4. lead
ব্যাখ্যা
• ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)।

ভূত্বক:
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক।
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম।
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%,
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%,
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%, 
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎস: ভগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১৩৫.
Who is the discoverer of the law governing the refraction of light?
  1. Willebrord
  2. Young
  3. Newton
  4. Galileo
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র: 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন, তাই এ সূত্রটিকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়। 

যেমন- 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
Which is the symbol for carbonic acid?
  1. C6H8O7
  2. H3PO4
  3. H2CO3
  4. CH3-COOH
ব্যাখ্যা
এসিডের নাম ও সংকেত:
• ফসফরিক এসিড - H3PO4
• ফরমিক এসিড - H-COOH
• অ্যাসিটিক এসিড - CH3-COOH
• কার্বনিক এসিড - H2CO3
• সাইট্রিক এসিড - C6H8O7
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড - HCI
• নাইট্রিক এসিড - HNO3
• সালফিউরিক এসিড - H2SO4

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
How many different categories of bees live in a beehive?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
  5. 5
ব্যাখ্যা

• মৌমাছির জাত: 
- মৌমাছির কলোনিতে তিন জাতের মৌমাছি থাকে। 
যেমন- একটি রাণী, কয়েক হাজার কর্মী ও কয়েকশত পুরুষ। 
- মৌমাছিদের মধ্যে শ্রমবণ্টন লক্ষ করা যায়। 
- তিন ধরনের মৌমাছির দৈহিক গঠনে ভিন্নতা দেখা যায়, এদের এরূপ অবস্থাকে বহুরূপতা বলে। 

• রাণী মৌমাছি গঠন: 
- একটি মৌচাকে মাত্র একটি রাণী মৌমাছি থাকে। 
- রাণী মৌমাছি আকারে অনেক বড়। 
- এদের উদর বেশ প্রশস্ত। 
- এদের ডানাগুলো ছোট এবং উদরের শেষ প্রান্ত ক্রমশ সরু। 
- এ সরু প্রান্তে বাঁকানো হুল থাকে যা রূপান্তরিত ওভিপজিটর। 
- এদের প্রোবোসিস ও রেণুখলি থাকে না, পদ ক্ষুদ্রাকৃতির, ম্যান্ডিবল বা চোয়াল তীক্ষ্ণ, মোম ও মধু সৃষ্টি করতে পারে না, লালাগ্রন্থি নেই। 

তথ্যসূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৮.
Which blood component decreases below normal levels during dengue fever? 
  1. Red blood cells
  2. White blood cells
  3. Platelets
  4. Hemoglobin
  5. Plasma
ব্যাখ্যা

• ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা এডিস মশা (প্রধানত Aedes aegypti এবং Aedes albopictus) কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়।
- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে শরীরে বিশেষ ধরনের ভাইরাস সংক্রমণ ঘটে, যা মূলত রক্তের শ্বেত রক্তকণিকা এবং প্লেটলেট (অনুচক্রিকা) কে প্রভাবিত করে। 
- তবে ডেঙ্গুর সবচেয়ে পরিচিত এবং প্রায়শই বিপজ্জনক লক্ষণ হলো প্লেটলেট (Platelets) বা অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যাওয়া। 
- অনুচক্রিকা রক্ত জমে যাওয়া এবং রক্তপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- ডেঙ্গু ভাইরাস শরীরের ইমিউন সিস্টেমের মাধ্যমে অনুচক্রিকার উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তাদের ধ্বংস বৃদ্ধি করে। 
- এর ফলে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে এবং হেমোরেজিক অবস্থার সম্ভাবনা তৈরি হয়। 
- তাই, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর রক্তে অনুচক্রিকার পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়, যা চিকিৎসার জন্য বিশেষ মনোযোগ প্রয়োজন।

• ডেঙ্গু জ্বরের সাধারণ লক্ষণ:
- হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০৩-১০৫°F)।
- তীব্র মাথাব্যথা।
- চোখের পেছনে ব্যথা (retro-orbital pain)।
- পেশী, হাড় ও জয়েন্টে তীব্র ব্যথা ("breakbone fever" নামে পরিচিত)।
- বমি বমি ভাব, বমি, খিদে না থাকা।
- গায়ে লালচে দাগ/র‍্যাশ (প্রায় ৫০-৮০% ক্ষেত্রে)।

তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও  Directorate General of Health Services।

১৩৯.
Which is atmospheric pressure meter?
  1. Barometer
  2. Manometer
  3. Hygrometer
  4. Pyrometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৪০.
What is the density of water at 4 degrees Celsius?
  1. 1 gm/cc
  2. 10 gm/cc
  3. 100 gm/cc
  4. 1000 gm/cc
ব্যাখ্যা
4° C তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব 1000 kg m³ অথবা 1gm/cc ।

পানির ঘনত্ব:

- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়।
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়।
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়।
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়।
- তাই পানির ঘনত্ব 1000 kg/m³ অথবা 1gm/cc ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪১.
Which molecule represents the main form of energy stored in mitochondria?
  1. ATP
  2. ADP
  3. RNA
  4. Glycogen
ব্যাখ্যা

• মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রধান শক্তির উৎস হিসেবে যে অণুটি কাজ করে তা হলো ATP। ATP বা অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট হলো একটি উচ্চ-শক্তির অণু, যা কোষের বিভিন্ন ক্রিয়াকলাপ চালানোর জন্য তাত্ক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে। মাইটোকন্ড্রিয়া খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শক্তিকে রূপান্তরিত করে ATP তৈরি করে, যা পরে প্রোটিন সংযুক্তি, এনজাইমিক প্রতিক্রিয়া, পেশীর সংকোচন এবং নিউরোনে সিগন্যাল প্রেরণ সহ জীববৈজ্ঞানিক বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ব্যবহার হয়। ADP বা অ্যাডেনোসিন ডাইফসফেট হলো ATP এর নিম্ন শক্তির রূপ, যা পুনরায় ATP তে রূপান্তরিত হয়। RNA মূলত প্রোটিন সংশ্লেষে গুরুত্বপূর্ণ, এবং গ্লাইকোজেন হলো শক্তির সংরক্ষিত আকার, তবে তা সরাসরি তাত্ক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ATP।

 মাইটোকন্ড্রিয়া: 
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়। 
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- কলিকার ১৮৫০ সালে সাইটোপ্লাজমে এসব অঙ্গাণু আবিষ্কার করেন। 
- অল্টম্যান ১৮৯৪ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার উপস্থিতি আবিষ্কার করেন। 
- বেন্ডা ১৮৯৮ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন। 
- বিভাজনের মাধ্যমে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে। কোষে একটিমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়া থাকলে তা কোষ বিভাজনের সাথেই বিভাজিত হয়। 

মাইটোকন্ড্রিয়ার কাজ: 
১। কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের জন্য শক্তি উৎপাদন ও নিয়ন্ত্রণ করে। 
২। শ্বসনের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ও কোএনজাইম ধারণ করে। 
৩। শ্বসন এর বিভিন্ন পর্যায় যেমন- ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি এখানে সম্পন্ন হয়। 
৪। কিছু পরিমাণ DNA ও RNA উৎপন্ন করে। 
৫। ADP কে ATP তে রূপান্তর করার মাধ্যমে ATP তে শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে সহায়তা করে। 
৬। স্নেহ বিপাকে অংশ গ্রহণ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪২.
Which planet has the largest number of moons in the solar system?
  1. Saturn
  2. Jupiter
  3. Uranus
  4. Neptune
ব্যাখ্যা

শনি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শনি গ্রহ:

- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- শনি গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ভূ-ত্বক বরফে ঢাকা।
- সূর্যের চারদিকে শনির একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৪ বছর।
- গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯ গুণ বড়।
- এর উপগ্রহ রয়েছে ২৭৪টি।

অন্যদিকে,
- ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ ২৮টি।
- মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ ২টি: ডিমোস ও ফোবোস।
- নেপচুন গ্রহের উপগ্রহ ১৬টি।
- বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই।
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহ ৯৫টি।

উৎস: NASA Science (.gov)

১৪৩.
The practice of bee keeping is called -
  1. Sericulture
  2. Apiculture
  3. Pisciculture
  4. Aviculture
ব্যাখ্যা
• এপিকালচার (Apiculture):
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

অন্যদিকে,
• সেরিকালচার (Sericulture):
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

• পিসিকালচার (Pisciculture):
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• এভিকালচার (Aviculture):
- পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে।
- যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

উৎস: Britannica.
১৪৪.
Which vitamin is water-soluble?
  1. Vitamin C
  2. Vitamin A
  3. Vitamin E
  4. Vitamin D
ব্যাখ্যা

ভিটামিন: 
- ভিটামিন এক ধরনের জৈব উপাদান যা খাদ্যদ্রব্যে পাওয়া যায়। 
- তবে প্রকৃতিজাত খাদ্যদ্রব্যে এরা খুব অল্প পরিমাণেই থাকে, দেহে এদের প্রয়োজনও সামান্য। 
- দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বিপাক, স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, দেহের সুস্থতা ইত্যাদি ভিটামিনের উল্লেখযোগ্য কাজ। 

ভিটামিনের শ্রেণিবিভাগ: 
- এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত ভিটামিনসমূহকে তাদের দ্রবণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা: 
১। চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: 
- যে ভিটামিনসমূহ তেল/চর্বিতে দ্রবীভূত হয় কিন্তু পানিতে অদ্রবণীয় থাকে তাদেরকে চর্বিতে দ্রবণীয় (fat soluble) ভিটামিন বলা হয়। 
- এরা তেল এবং চর্বির সাথে মিশে দেহে শোষিত হয়। 
- তেল/চর্বি বা স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো হলো ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে। 

২। পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: 
- যে ভিটামিনগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় কিন্তু তেল বা চর্বিতে অদ্রবীভূত থাকে তাদের পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (Water soluble vitamin) বলে। 
- এ ভিটামিনগুলো হলো বিভিন্ন প্রকারের বি ভিটামিন ও ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড। 
- বি ভিটামিনগুলোকে একত্রে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলে। 
- ভিটামিন বি1 বা থায়ামিন, ভিটামিন বি2 বা রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি5 বা নায়াসিন, ভিটামিন বি6 বা পিরিডক্সিন, ভিটামিন বি12 বা কোবালামিন, ফলিক এসিড, পেন্টোথেনিক এসিড, বায়োটিন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বি ভিটামিন যা মানবদেহের জন্য আবশ্যক। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত

১৪৫.
Which instrument is used to measure rotation speed?
  1. Anemometer
  2. Tachometer
  3. Barometer
  4. Speedometer
  5. Atmometer
ব্যাখ্যা
ট্যাকোমিটার:
- কোনাে ঘূর্ণন যন্ত্রের গতি পরিমাপের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ট্যাকোমিটার (Techometer)।
- এটি সাধারণত রেভোলিউশনস পার মিনিট (RPM) হিসেবে গতি পরিমাপ করে।
- ট্যাকোমিটারের সাহায্যে উড়োজাহাজের গতি নির্ণয় করা যায়।

অন্যদিকে -
- আনেমোমিটার: সাধারণত বায়ুর গতিবেগ মাপা হয় নট (knot) নামক একক দিয়ে। ১ নট = ১.৮২৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। সাধারণত অ্যানিমোমিটার নামক যন্ত্রের সাহায্যে বায়ুর গতিবেগ পরিমাপ করা হয়।
- বায়ুর চাপ মাপার যন্ত্র: ব্যারোমিটার।
- ধাবমান বস্তুর গতি/বেগ মাপার যন্ত্র স্পিডোমিটার।
- বাষ্পীভবনের হার মাপার যন্ত্র অ্যাটমোমিটার।

উৎস: Britannica.
১৪৬.
Which of the following is not a part of the forebrain?
  1. Cerebrum
  2. Thalamus
  3. Hypothalamus
  4. Cerebellum
ব্যাখ্যা

⇒ সেরেবেলাম অগ্রমস্তিষ্কের অংশ নয়।

মস্তিষ্ক:
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে স্ফীত অংশ করোটির মধ্যে অবস্থান করে এবং মানবদেহের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে তাকে মস্তিষ্ক বলে।
- প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন প্রায় ১৫০০ ঘন সেন্টিমিটার, গড় ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি এবং প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন থাকে।
- মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে বড়, জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক,
(২) মধ্যমস্তিষ্ক ও
(৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

(১) অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

• সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে)।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

• থ্যালামাস:
- সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে দুটি ক্ষুদ্র ও ডিম্বাকৃতির থ্যালামাস থাকে যা ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- থ্যালামাস সংবেদী-উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং রিলে করে সেরেব্রামে পাঠায়।

• হাইপোথ্যালামাস:
- এটি থ্যালামাসের ঠিক নিচে ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- এটি অন্ততঃ এক ডজন পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত থাকে।
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রাগ, ভাল লাগা, ভীতি, আবেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- পিটুইটারী গ্রন্থিও বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৭.
In what form is iodine typically found in nature?
  1. Jelly-like
  2. Airborne
  3. Liquid
  4. Solid
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- আয়োডিন একটি অধাতব পদার্থ যা কক্ষ তাপমাত্রায় প্রায় কালো বর্ণের হয় ।
- এটি একটি কঠিন পদার্থ এবং এর চেহারা চকচকে স্ফটিকের মতো।
- এটির অভাবে গয়টার বা গলগণ্ড রোগ হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র:
- Micronutrient Information Center, Linus Pauling Institute, Oregon State University, Corvallis.
- Britannica.
১৪৮.
Which of the following is not a part of the hind brain?
  1. Medulla Oblongata
  2. Pons
  3. Cerebellum
  4. Hypothalamus
ব্যাখ্যা
⇒ 'হাইপোথ্যালামাস' পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ নয়।
- এটি অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।

পশ্চাৎ মস্তিষ্ক:
- এটি মস্তিষ্কের পিছনের অংশ এবং ৩টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
• সেরেবেলাম,
• মেডুলা অবলংগাটা এবং
• পনস।

⇒ সেরেবেলাম:
- পশ্চাৎ মস্তিষ্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সেরেবেলাম যা সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে অবস্থিত।
- দুটি কুণ্ডলীকৃত সমগোলার্ধ নিয়ে গঠিত যারা ভার্নিস নামে একটি ক্ষুদ্র যোজকের সাহায্যে যুক্ত।
- এটি বাইরের দিকে কর্টেক্স এবং ভেতরের দিকে মেডুলা নিয়ে গঠিত।
- দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- ঐচ্ছিক চলাফেরাকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- পেশির টান ও দেহভঙ্গি নিয়ন্ত্রণ করে।

⇒ মেডুলা অবলংগাটা:
- এটি পনস ও সুষুম্মাকাণ্ডের মধ্যবর্তী অনেকটা ত্রিকোণাকার পুরু গঠন বিশেষ।
- এটি সুষুম্মাকাণ্ড ও মস্তিষ্কের মধ্যে যোগসূত্র সৃষ্টি করে।
- এটি পৌষ্টিক নালির পেরিস্টালসিস, রক্তনালির সংকোচন- শ্লথন, হৃদস্পন্দন, ফুসফুসের সংকোচন-প্রসারণ, লালাগ্রন্থির ক্ষরণ, মলমূত্র ত্যাগ, বমি ইত্যাদি শরীরবৃত্তীয় কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।

⇒ পনস:
- এটি সেরেবেলামের অঙ্কভাগে মেডুলার সামনের দিকে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি পিণ্ডাকার গঠন।
- এটি সেরেবেলাম ও মেডুলাকে মস্তিষ্কের অন্যান্য অংশের সাথে সংযুক্ত করে।
- স্বাভাবিক শ্বাসক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৯.
Which of the following is an inorganic compound?
  1. Ethane
  2. Methane
  3. Uria
  4. Salt
ব্যাখ্যা

• জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি জৈব যৌগ। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- জৈব যৌগের জনক ফ্রেডরিখ ভোলার। 

• অজৈব যৌগ: 
- দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
- সাধারণত অজৈব যৌগে কার্বন অনুপস্থিত থাকে। 
যেমন- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি অজৈব যৌগ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।
 

১৫০.
Which of the following is an ore of calcium?
  1. Bauxite
  2. Saltpetre
  3. Magnetite
  4. Dolomite
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধাতুর আকরিক:
- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: বক্সাইট, কোরান্ডাম, ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।
- সোডিয়ামের আকরিক: রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, ন্যাট্রোন, বোরাক্স ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়ামের আকরিক: চুনাপাথর, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
- আয়রনের আকরিক: ম্যাগনেটাইট, হেমাটাইট, আয়রন পাইরাইটস, লিমোনাইট ইত্যাদি।
- লেড এর আকরিক: গ্যালেনা (PbS)
- পটাসিয়ামের আকরিক: সল্টপিটার (KNO₃)। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫১.
Through what typhoid fever transmitted by?
  1. Fungus 
  2. Virus 
  3. Inflammation 
  4. Bacteria
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
• যক্ষ্মা, 
• টাইফয়েড
• আমাশয়
• কলেরা
• গনোরিয়া
• নিউমোনিয়া
• ডিপথেরিয়া
• হুপিংকাশি 
• ধনুষ্টংকার ইত্যাদি।

• ভাইরাসজনিত রোগ:
• জলাতঙ্ক
• ইনফ্লুয়েঞ্জা
• হার্পিস
• গুটি বসন্ত
• জলবসন্ত 
• এইডস ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫২.
How many blood groups are there in the human body?
  1. Two
  2. Three
  3. Five
  4. Four
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- O, A, B এবং AB।

রক্তের গ্রুপ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

O রক্তের গ্রুপ:
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই।
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।

AB রক্তের গ্রুপ:
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে।
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

A রক্তের গ্রুপ:
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে।
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

B রক্তের গ্রুপ:
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে।
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৩.
Which of the following is an RNA virus–caused disease?
  1. Polio
  2. Smallpox
  3. Tuberculosis
  4. Hepatitis B
ব্যাখ্যা

• পোলিও রোগটি পোলিওভাইরাস (Poliovirus) দ্বারা সৃষ্ট হয়, যা একটি RNA ভাইরাস। 
- এটি স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে এবং পক্ষাঘাত (Paralysis) ঘটাতে পারে।

• DNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসঘটিত রোগের উদাহরণ হলো- গুটি বসন্ত (Smallpox), চিকেনপক্স (Chickenpox), হার্পিস সিমপ্লেক্স, হেপাটাইটিস-বি, মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমণ ইত্যাদি।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ভেরিওলা ভাইরাস, হার্পিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস, হেপাটাইটিস বি ভাইরাস, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস, পারভোভাইরাস B19 ইত্যাদি।

• RNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসঘটিত রোগের উদাহরণ হলো- ডেঙ্গু, সাধারণ ঠান্ডা, ইনফ্লুয়েঞ্জা (Flu), COVID-19, পোলিও, এইডস, হাম, র‍্যাবিস, ইবোলা ইত্যাদি।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ডেঙ্গু ভাইরাস (Dengue Virus DENV), রাইনোভাইরাস, করোনভাইরাস, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস, SARS-CoV-2, পোলিও ভাইরাস, HIV, মিজলস ভাইরাস, র‍্যাবিস ভাইরাস, ইয়েলো ফিভার ভাইরাস ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: জীববিজ্ঞান, ২য় পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল, গাজী আসমত।

১৫৪.
Which vitamin is known as pyridoxine?
  1. B5
  2. B6
  3. B7
  4. B3
  5. B12
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন বি এর নাম -
• B1 - Thiamin (থায়ামিন)
• B2 - Riboflavin (রিবোফ্লাভিন)
• B3 - Niacin (নিয়াসিন)
• B5 - Pantothenic acid (প্যানটোথেনিক এসিড)
• B6 - Pyridoxine (পাইরিডক্সিন)
• B7 - Biotin (বায়োটিন)
• B9 - Folate [folic acid] (ফোলেট, ফলিক এসিড)
• B12 - Cobalamin (কোবালামিন)

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১৫৫.
What is the temperature of absolute zero?
  1. 0 kelvin
  2. -273 degrees Celsius
  3. 0 degrees Celsius
  4. Both A & B
ব্যাখ্যা
পরমশূন্য তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে।
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো -273°C বা 0°K ।

উল্লেখ্য,
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়।
- এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়।
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
১৫৬.
Which of the following disaster is not caused by climate change?
  1. Riverbank erosion
  2. Cyclones
  3. Earthquake
  4. None of above
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন:
- মানুষের বহুবিধ কর্মকাণ্ডই মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। এছাড়া প্রাকৃতিক কারণও রয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের ঋতুর পরিবর্তন, খরা, অস্বাভাবিক বন্যা, কৃষি ও মৎস্য সম্পদ উৎপাদন হ্রাস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস, নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়সহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা যাবে অধিক মাত্রায়।
- আর বৈশ্বিকভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি উপকূলীয় অঞ্চলে প্লাবিত হওয়াসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রাও বৃদ্ধি পাবে এবং বিঘ্নিত হবে মানুষের স্বাভাবিক জীবন। 
- ভূমিকম্প জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ নয়।

• ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।

⇒ ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো:
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

⇒ ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ:
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।
১৫৭.
What is the term for the onset of menstruation?
  1. Implantation
  2. Menopause
  3. Menarche
  4. Gastrulation
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- মেনার্কি: নারীদের যখন প্রথম মাসিক শুরু হয় তখন সেটাকে বলা হয় মেনার্কি। রজঃচক্রের সূচনা হয় মেনার্কি এর মাধ্যমে।
- মেনোপজ: মেনোপজ এর মাধ্যমে একজন নারীর রজঃচক্রের অবসান হয়। মেনোপজ পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চান্ন বছর বয়সের মধ্যে ঘটে, তবে কিছু মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি আগে বা পরে ঘটতে পারে।

- গ্যাস্ট্রুলেশন: এটি হলো নিষেকের পর জাইগোট এর পরিস্ফুটনের সময় ব্লাস্টূলা থেকে গ্যাস্ট্রূলা তৈরির প্রক্রিয়া।
- ইমপ্লান্টেশন: জরায়ুর ভেতরের দেয়ালের সাথে ভ্রূণের সংযুক্তির প্রক্রিয়াকে ইমপ্লান্টেশন বলা হয়। এটি গর্ভাবস্থার প্রথম পর্যায়।

তথ্যসূত্র:
- HSC প্রাণিবিজ্ঞান ২য় পত্র; গাজী আজমল।
১৫৮.
Which is called ‘liquid gold’?
  1. Natural gas 
  2. Coal
  3. Petroleum
  4. Silica gel
ব্যাখ্যা

তরল সোনা:
- পেট্রোলিয়ামকে তার উচ্চ বাণিজ্যিক মূল্য এবং বহুমুখী ব্যবহারের কারণে 'তরল সোনা' বলা হয়।

• মাটির নিচে থেকে যে তরল জ্বালানি তোলা হয়, তাকে পেট্রোলিয়াম বলে।
- এই তরলের গুরুত্ব এতটাই যে, পেট্রোলিয়ামকে তরল সোনা আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
- এটি মূলত হাইড্রোকার্বন এবং অন্যান্য কিছু জৈব যৌগের মিশ্রণ।
- এদের মধ্যে কার্বন এবং হাইড্রোজেন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অপরিশোধিত তেলকে আংশিক পাতন পদ্ধতিতে পৃথক করা হয়।
- মাটির নিচে থেকে যে তরল জ্বালানি তোলা হয়, তাকে পেট্রোলিয়াম বলে। 

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৯.
What term is often used to describe Antonie van Leeuwenhoek?
  1. Father of Anatomy
  2. Father of Chemistry
  3. Father of Physics
  4. Father of Microbiology
ব্যাখ্যা

• Antonie van Leeuwenhoek কে সাধারণত "Father of Microbiology" বলা হয়। তিনি প্রথম ব্যক্তি যিনি নিজ হাতে তৈরি অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে অণুজীব বা মাইক্রোঅর্গানিজম পর্যবেক্ষণ করেন। তার আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষের কাছে প্রথমবারের মতো ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া, ও শুক্রাণুর অস্তিত্ব উন্মোচিত হয়। তিনি জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন যুগের সূচনা করেন, যেখানে অণুজীবের গঠন ও আচরণ নিয়ে গবেষণা শুরু হয়। তার অবদান বিজ্ঞান জগতে মাইক্রোবায়োলজির ভিত্তি স্থাপন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো — ঘ) Father of Microbiology.

• অণুজীববিজ্ঞান:
- অণুজীববিজ্ঞান হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা অণুজীব নিয়ে আলোচনা করে। 
- অণুজীব বলতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, শৈবাল, এবং প্রোটোজোয়া-র মতো অতি ক্ষুদ্র জীবকে বোঝায়, যা খালি চোখে দেখা যায় না। 
- এই শাখার মূল আলোচ্য বিষয় হল অণুজীবের গঠন, কার্যাবলী, বাস্তুসংস্থান, এবং রোগ সৃষ্টিকারী ক্ষমতা। 

• অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক-ই প্রথম অণুজীব আবিষ্কার করেন, তাই তাঁকে অণুজীববিজ্ঞানের জনক বলা হয়।

• অণুজীববিজ্ঞান এর গুরুত্ব:
- রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা: অণুজীববিজ্ঞান রোগের কারণ নির্ণয় এবং উপযুক্ত প্রতিষেধক ও ঔষধ তৈরিতে সহায়তা করে।  
- খাদ্য সুরক্ষা: খাদ্য উৎপাদনে অণুজীবের ভূমিকা এবং খাদ্য সংরক্ষণে অণুজীবের ক্ষতিকারক প্রভাব সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে।  
- পরিবেশ সুরক্ষা: পরিবেশের দূষণ নিয়ন্ত্রণে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য অণুজীবের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে।  
- কৃষি: অণুজীব সার তৈরিতে এবং ফসলের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।  
- শিল্প: বিভিন্ন শিল্প কারখানায় যেমন - ফার্মাসিউটিক্যালস, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং বায়োটেকনোলজিতে অণুজীব ব্যবহার করা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান। 
- ব্রিটানিকা।

১৬০.
Which country is located on the western border of Bangladesh?
  1. Myanmar
  2. Nepal
  3. India
  4. Myanmar and India
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সীমা: 
• বাংলাদেশের উত্তরে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য;
• পূর্বে→ আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার; 
• দক্ষিণে→  বঙ্গোপসাগর;
 • পশ্চিমে→  ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য অবস্থিত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৬১.
Submarines are built based on which formula?
  1. Pascal's law
  2. Hydraulic press law
  3. Cartesian law
  4. Archimedes' law
ব্যাখ্যা

সাবমেরিন:
- সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ হলো বিশেষ ধরনের জলযান যা সমুদ্রের তলদেশে পানির নিচে স্বাধীনভাবে চলাচল ও দীর্ঘসময় অবস্থান করতে পারে।
- এগুলো মূলত সামরিক উদ্দেশ্যে, যেমন লুকিয়ে থেকে শত্রুপক্ষের ওপর আক্রমণ (টর্পেডো বা ক্ষেপণাস্ত্র) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ মূলত গ্রিক বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের প্লবতার সূত্রের (Archimedes' Principle) ওপর ভিত্তি করে তৈরি ও পরিচালিত হয়।
- এই নীতি অনুযায়ী, একটি তরলে নিমজ্জিত বস্তু তার দ্বারা স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সমান ঊর্ধ্বমুখী বল (প্লবতা) অনুভব করে।
- সাবমেরিন তার ব্যালাস্ট ট্যাঙ্ক-এ পানি বা বাতাস ভর্তি করে নিজস্ব ওজন ও প্লবতা সামঞ্জস্যের মাধ্যমে পানির নিচে ডুব দেয় বা ভেসে ওঠে। 

⇒ আর্কিমিডিসের নীতি: কোনো বস্তুকে তরলে ডোবালে বস্তুটি যে পরিমাণ ওজন হারায়, সেই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরলের ওজনের সমান।

উৎস: i) Britannica.
ii) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬২.
What percentage of blood in the human body is plasma?
  1. 45%
  2. 55%
  3. 65%
  4. 75%
ব্যাখ্যা

রক্তের উপাদান:
- মানব দেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত।
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে
- নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা (Blood corpuscles) বলে।
- প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে
- লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়।

উল্লেখ্য,
- মানুষের রক্তে pH ৭.৪।
- রক্ত হচ্ছে প্লাজমা ও প্লাজমায় ভাসমান বিভিন্ন কোষীয় উপাদানে গঠিত জটিল তরল টিস্যু।
- মানুষের দেহে প্রায় ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত থাকে।
- রক্ত একটি মানুষের দেহের ৮%।
- রক্তের তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
- রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা থাকে।
- লোহিত রক্তকণিকা,
- শ্বেত রক্তকণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান(এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৩.
The primary force responsible for the rotation of a cyclone is:
  1. Tension
  2. Frictional force
  3. Gravitational force
  4. Coriolis force 
ব্যাখ্যা

• চক্রবাতের ঘূর্ণনের প্রধান কারণ হলো ঘূর্ণনবেগীয় বল বা কোরিওলিস বল (Coriolis force)। পৃথিবী নিজের অক্ষে ঘূর্ণমান হওয়ায় বায়ুমণ্ডলের গতিবেগের উপর একটি আপেক্ষিক বল প্রয়োগ হয়, যা বাতাসকে তার সরাসরি পথ থেকে বাঁকায়। উত্তরের গোলার্ধে এই বল বাতাসকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে এবং দক্ষিণে ঘড়ির দিকে বাঁকায়। ফলে সমুদ্রের তাপমাত্রা ও বায়ুর চাপের পার্থক্য থেকে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপীয় অঞ্চলগুলি ঘূর্ণনশীল হয়ে ওঠে, যা আমরা চক্রবাত বা সাইক্লোন হিসেবে দেখি। কোরিওলিস বল ছাড়া বাতাস শুধু নিম্নচাপের দিকে সোজা প্রবাহিত হতো এবং এই ধরনের ঘূর্ণন সৃষ্টি হতো না। তাই চক্রবাতের ঘূর্ণনের মূল কারণ হলো ঘ) Coriolis force.
 
• ঘূর্ণিঝড় (Cyclone):
- ঘূর্ণিঝড় একটি শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এটি সাধারণত সমুদ্রের উষ্ণ অঞ্চলে সৃষ্ট হয় এবং কেন্দ্রের দিকে প্রবল বায়ু প্রবাহ ঘূর্ণায়মান অবস্থায় প্রবেশ করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং চারদিকে উচ্চচাপ থেকে বাতাস দ্রুত বেগে কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সাধারণত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে।
- ঘূর্ণিঝড়ের সাথে প্রবল বৃষ্টি, ঝড়ো বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস ঘটে।
- এর ফলে মানুষের প্রাণহানি, ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১৬৪.
When you rub your hands together, mechanical energy is converted into:
  1. Sound
  2. Electrical
  3. Kinetic
  4. Potential
  5. Thermal
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর:
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়।
- এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি (Mechanical Energy) তাপ শক্তিতে (Thermal Energy) রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- পানি যখন ভূ-পৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে। নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৫.
Which is the unit of lens power?
  1. Diopter
  2. Radian/Centimeter
  3. Meter
  4. Radian/Meter
ব্যাখ্যা
লেন্স:
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ সমসত্ত্ব প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলা হয়।
- লেন্স সাধারণত কাচের তৈরি হয়।
- এছাড়া কোয়ার্টজ, স্বচ্ছ প্লাস্টিক দ্বারাও লেন্স তেরি করা হয়।

• লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
⇒ উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex Lens)।
- উত্তল লেন্সের ক্ষেত্রে প্রধান অক্ষের সমান্তরালে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে একটি বিন্দুতে মিলিত হয় বা অভিসারী হয়।

⇒ অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave Lens)।
- অবতল লেন্সের ক্ষেত্রে আলোক রশ্মিগুচ্ছ অপসারিত হয় বা ছড়িয়ে পড়ে।

লেন্সের ক্ষমতা:
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল আলোক রশ্মিগুচ্ছ প্রতিসরণের পর লেন্সে অভিসারী বা অপসারী রশ্মিগুচ্ছে পরিণত হওয়ার প্রবণতাকে লেন্সের ক্ষমতা বলা হয়।
- লেন্সের ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- লেন্সের ক্ষমতার একক হচ্ছে ডায়াপ্টার (Diopter)।
- দূরত্বকে মিটারে প্রকাশ করে এর বিপরীত রাশি নিলে লেন্সটির ক্ষমতা ডায়াপ্টার পাওয়া যায়।
- ডায়াপ্টারকে সংক্ষেপে D দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- লেন্সের ক্ষমতা ধণাত্মক বা ঋণাত্মক যে কোনোটিই হতে পারে। যদি লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক হয় তাহলে বুঝতে হবে লেন্সটি উত্তল। আর যদি লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক হয়, তাহলে লেন্সটি হবে অবতল।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৬.
Which of the following is a buffer solution?
  1. NaOH + NaCl
  2. NaOH + HCl
  3. NaOH
  4. CH3COOH + CH3COONa
ব্যাখ্যা

◉ বাফার দ্রবণ (Buffer Solution) হলো এমন একটি দ্রবণ, যা সামান্য পরিমাণ অম্ল (Acid) বা ক্ষার (Base) যোগ করার পরেও এর pH মানকে প্রায় স্থির রাখতে সক্ষম। 
CH3COOH হলো দুর্বল এসিড ও CH3COONa হলো তার লবণ। এই দুটির মিশ্রণ একটি buffer solution তৈরি করে, যা pH-এর পরিবর্তন প্রতিরোধ করতে পারে।

বাফার দ্রবণ:
- যে দ্রবণে সামান্য পরিমাণে এসিড বা ক্ষারক যোগ করার পরও তার pH অপরিবর্তিত থাকে তাকে বাফার দ্রবণ বলে।
- pH পরিবর্তন প্রতিরোধ করার এই ক্ষমতাকে দ্রবণটির বাফার ক্ষমতা (buffer capacity) বলে।

বাফার দ্রবণগুলো সাধারণত
(i) মৃদু এসিড ও ঐ এসিডের সঙ্গে তীব্র ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন কোন লবণ (যেমন এসিটিক এসিড ও সোডিয়াম এসিটেট) বা
(ii) মৃদু ক্ষার ও এর সঙ্গে তীব্র এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন কোন লবণ (যেমন NH4OH-NH4CI)-এর মিশ্রণ দ্বারা প্রস্তুত করা হয়।
উল্লেখ্য যে এসিটিক এসিড ও সোডিয়াম এসিটেট দ্বারা প্রস্তুত বাফার দ্রবণের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি।

বাফার দ্রবণের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
(i) এই দ্রবণের একটি নির্দিষ্ট pH থাকে।
(ii) এই দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করলেও এর pH এর পরিবর্তন হয় না।
(iii) বেশি সময় রেখে দিলে বা দ্রবণকে লঘুকরণ করলেও এর pH অপরিবর্তিত থাকে।
এই দ্রবণ তার বাফার ক্রিয়া (buffer action) দ্বারা pH পরিবর্তনে বাধা দান করে।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৭.
How is energy converted in electric heaters?
  1. Sound energy to heat
  2. Chemical energy to heat
  3. Light to heat
  4. Dynamic energy to heat
  5. Electric energy to heat
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ও হিটারে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

অন্যদিকে, 
- সঞ্চয়ক কোষে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- কয়লা পোড়ালে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৮.
What is the main function of a diode?
  1. Generate AC
  2. Store energy
  3. Amplify signals
  4. Rectify AC to DC
ব্যাখ্যা

• ডায়োডের প্রধান কাজ হলো AC (Alternating Current) কে DC (Direct Current) তে রূপান্তর করা, অর্থাৎ এটি রেক্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে। ডায়োড একটি একদিকের প্রবাহের যন্ত্র, যা শুধুমাত্র বিদ্যুৎকে এক দিক দিয়ে প্রবাহিত হতে দেয় এবং বিপরীত দিকের প্রবাহকে ব্লক করে। এজন্য এটি AC সার্কিটে ব্যবহার করা হলে AC সিগন্যালের ধনাত্মক অংশকে ধরে রাখে এবং ঋণাত্মক অংশকে রোধ করে, ফলে আউটপুটে DC পাওয়া যায়। অন্য অপশনগুলো যেমন AC তৈরি করা, শক্তি সঞ্চয় করা বা সিগন্যাল অ্যাম্প্লিফাই করা ডায়োডের মূল কাজ নয়। তাই ডায়োডের প্রধান ফাংশন হলো AC কে DC তে রূপান্তর করা।

সঠিক উত্তর: ঘ) Rectify AC to DC.

ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬৯.
Which insect is mainly used in sericulture?
  1. Honeybee
  2. Termite
  3. Silkworm
  4. Butterfly
ব্যাখ্যা

• রেশম উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত প্রধান পোকাটি হলো রেশমকীট (Silkworm)। রেশমকীটের বৈজ্ঞানিক নাম Bombyx mori। এটি একধরনের পোষ মানানো পতঙ্গ, যা শুঁয়োপোকার স্তরে রেশম উৎপাদন করে। রেশমকীট মূলত তুঁত গাছের পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে এবং তার কোকুন বা ডিম্বাকার আবরণ থেকে মূল্যবান রেশম সুতা তৈরি হয়। এই রেশম সুতা বস্ত্র শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা অত্যন্ত নরম, উজ্জ্বল ও বিলাসবহুল। রেশমচাষ বা সেরিকালচার অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি শিল্প, যা বহু মানুষের জীবিকার উৎস। তাই রেশম উৎপাদনে মূল ভূমিকা পালন করে রেশমকীট।

আধুনিক চাষ: 

- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - পিসিকালচার; 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - প্রণকালচার; 
- মৌমাছির চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - এপিকালচার; 
- রেশমের চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - সেরিকালচার; 
- উদ্যানবিদ্যা বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - হর্টিকালচার; 
- পাখিপালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে - এভিকালচার; 
- সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যাকে বলে - মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১৭০.
Which Vitamin is not in the eggs?
  1. Vitamin-A
  2. Vitamin-B
  3. Vitamin-C
  4. Vitamin-D
ব্যাখ্যা
- নিম্নলিখিত চার্টটি লক্ষ্য করলে বুঝা যাউ, 'ভিটামিন সি' ডিমের মধ্যে নাই। 

খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন: 
- স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিনের পরিমাণ খুব কম হলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। 
- দেহের বৃদ্ধির জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য ভিটামিন আবশ্যক। 
- সুষম খাদ্যে বিভিন্ন প্রকার উপাদান থাকে, ফলে এতে প্রচুর ভিটামিন পাওয়া যায়। 
- ভিটামিনকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- (ক) চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ও (খ) পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। 
- চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: ভিটামিন 'এ', 'ডি', 'ই' এবং 'কে' । 
- পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: ভিটামিন 'বি' কমপ্লেক্স ও 'সি' । 


উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭১.
Which planet is considered as Earth’s twin planet?
  1. Mercury
  2. Venus
  3. Jupiter
  4. Mars
ব্যাখ্যা

শুক্র (Venus):
- শুক্র হলো সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং সৌরজগতের ষষ্ঠ বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণতম গ্রহ।
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
- শুক্রের কোন বলয় নেই।

⇒ শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- কারণ এটির আকার এবং আকৃতি অনেকটাই পৃথিবীর সাথে মেলে।
- এটির গঠনও অনেকটা একই রকমের।
- শুক্র গ্রহে বিশাল পাহাড়, সমতল ভূমি ও অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭২.
Which of the following is not a part of the forebrain?
  1. Hypothalamus
  2. Thalamus
  3. Cerebellum
  4. Cerebrum
ব্যাখ্যা

⇒ সেরেবেলাম পশ্চাৎ মস্তিষ্কের অংশ।

মস্তিষ্ক:
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে স্ফীত অংশ করোটির মধ্যে অবস্থান করে এবং মানবদেহের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে তাকে মস্তিষ্ক বলে।
- প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন প্রায় ১৫০০ ঘন সেন্টিমিটার, গড় ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি এবং প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন থাকে।
- মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে বড়, জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক,
(২) মধ্যমস্তিষ্ক ও
(৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

(১) অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে)।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

থ্যালামাস:
- সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে দুটি ক্ষুদ্র ও ডিম্বাকৃতির থ্যালামাস থাকে যা ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- থ্যালামাস সংবেদী-উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং রিলে করে সেরেব্রামে পাঠায়।

হাইপোথ্যালামাস:
- এটি থ্যালামাসের ঠিক নিচে ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- এটি অন্ততঃ এক ডজন পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত থাকে।
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রাগ, ভাল লাগা, ভীতি, আবেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- পিটুইটারী গ্রন্থিও বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৩.
Which of the following chemicals is useful in photography?
  1. Sodium chloride
  2. Potassium chloride
  3. Silver bromide
  4. Aluminium hydroxide
  5. None
ব্যাখ্যা
ফটোগ্রাফিক প্লেট:
-ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে সিলভার ব্রোমাইডের।
- সিলভার ব্রোমাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো AgBr.

উল্লেখ্য,
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ সাধারণত সিলভার হ্যালাইডের (সিলভার ব্রোমাইড বা সিলভার আয়োডাইড) আবরণ থাকে।
- ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৭৪.
Which is the longest cell in the animal body?
  1. Muscle
  2. Epithelial
  3. Red blood cell
  4. Neuron
ব্যাখ্যা
• নিউরন:
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান কেন্দ্র হলো মস্তিষ্ক।
- স্নায়ুতন্ত্রের একক নিউরন, আর অসংখ্য নিউরন নিয়ে গঠিত হয়েছে মস্তিষ্ক।
- প্রাণিদেহের যে তন্ত্র দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে, বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলির সমন্বয় সাধন করে এবং উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক রক্ষা করে, সে তন্ত্রকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।
- মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘতম কোষ হলো নিউরন যা প্রায় 1.37 মিটার লম্বা।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৫.
Which of the following is the main chemical compound found in most soap?
  1. Calcium carbonate
  2. Sodium stearate
  3. Magnesium sulfate
  4. Potassium nitrate
ব্যাখ্যা
• সাবানের রাসায়নিক নাম হলাে সােডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa).
- সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো COO-Na+
- সাধারণত সাবান হলাে উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের সােডিয়াম লবণ (R-COONa) বা উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের পটাশিয়াম লবণ (R-COOK).
- সাবান তৈরি করা হয় চর্বি এবং ক্ষার থেকে।
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭৬.
Steel is stronger than pure iron mainly because of the addition of:
  1. Carbon
  2. Hydrogen
  3. Helium
  4. Nitrogen
ব্যাখ্যা

• স্টিল (Steel) মূলত লোহা (Iron) এবং কার্বনের (Carbon) সংমিশ্রণ। স্টিলকে শক্তিশালী করে তোলার প্রধান কারণ হলো কার্বনের উপস্থিতি। লোহা সহজে নমনীয় এবং তুলনামূলকভাবে দুর্বল, কিন্তু কার্বন মিশ্রিত হলে এর ধাতব কাঠামোতে ছোট ছোট বাধা সৃষ্টি হয়, যা পরমাণু গঠনকে শক্তিশালী করে এবং লোহাকে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। কার্বন স্টিলের কঠোরতা, দৃঢ়তা এবং টেকসই গুণ বৃদ্ধি করে, যা নির্মাণ, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য শিল্পে স্টিলকে প্রয়োজনীয় করে তোলে। অন্য বিকল্প যেমন হাইড্রোজেন, হিলিয়াম বা নাইট্রোজেন স্টিলের শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সুতরাং, স্টিলকে লোহার চেয়ে শক্তিশালী করে তুলার মূল উপাদান হলো কার্বন।

- উত্তর: ক) Carbon.
 
সংকর ধাতু: 
- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না। 
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং এক বা একাধিক থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু। 
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়। 
যেমন- 
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে। 
যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)। 
- কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে ৯০%, টিন থাকে ১০%, এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
- পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে ৬৫% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে ৩৫%, এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 
- স্টিলে প্রধান ধাতু লোহা থাকে ৯৯% এবং অপ্রধান অধাতু কার্বন থাকে ১%, এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭৭.
The chemical formula for carbonic acid is -
  1. C6H8O7
  2. H2CO3
  3. CH3-COOH
  4. H3PO4
ব্যাখ্যা
এসিডের নাম ও সংকেত:
• অক্সালিক এসিড: HOOC–COOH.
• ফসফরিক এসিড: H3PO4.
• ফরমিক এসিড: H-COOH.
• অ্যাসিটিক এসিড: CH3-COOH.
• কার্বনিক এসিড: H2CO3.
• সাইট্রিক এসিড: C6H8O7.
• হাইড্রোক্লোরিক এসিড: HCI.
• নাইট্রিক এসিড: HNO3.
• সালফিউরিক এসিড: H2SO4.

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৮.
The powerhouse of the cell is -
  1. Nucleus
  2. Mitochondria
  3. Ribosome
  4. Golgi apparatus
ব্যাখ্যা

◉ Mitochondria-কে কোষের শক্তিঘর বলা হয় কারণ এটি ATP (Adenosine Triphosphate) উৎপন্ন করে, যা কোষের শক্তির প্রধান উৎস।

মাইটোকন্ড্রিয়া:
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো প্রকৃত জীবকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ থাকে, তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউস বা শক্তি ঘর বলা হয়।
- এতে ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি আসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম ইত্যাদি সংঘটিত হয়।
- প্রজাতি ও প্রকারভেদে প্রতি কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া এক হতে বহু সংখ্যক হতে পারে।
- সাধারণত প্রতি কোষে ৩০০-৪০০ মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে। তবে যকৃত কোষে ১০০০ বা ততোধিক থাকে। অ্যামিবাতে আরও বেশি থাকে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৯.
What is the science of beekeeping called?
  1. Apiculture
  2. Sericulture
  3. Pisciculture
  4. Horticulture
ব্যাখ্যা

Apiculture:
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

• Sericulture:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার। তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

• Pisciculture:
- বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।
- মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

• Horticulture:
- Horticulture (উদ্যান পালন/কৃষি) হলো ফল, ফুল, শাকসবজি, মসলা এবং শোভাময় গাছপালা চাষের বিজ্ঞান ও শিল্প, যা সাধারণত নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে বাগান বা ছোট পরিসরে করা হয় এবং এর মূল উদ্দেশ্য খাদ্য, সৌন্দর্যবর্ধন বা বাণিজ্যিক মুনাফা অর্জন। 

উৎস: Britannica.

১৮০.
The vitamin which is very liable and easily destroyed during cooking, as well as storage, is -
  1. ক) Vitamin A
  2. খ) Vitamin B
  3. গ) Vitamin C
  4. ঘ) Vitamin K
ব্যাখ্যা

Vitamin C, also called ascorbic acid, is a water-soluble vitamin.
Water-soluble vitamins are stored in the body in very limited amounts and are excreted through the urine.
Therefore, it is a good idea to have them in your daily diet. Vitamin C is sensitive to light, heat, and air and can be destroyed during food preparation, cooking, or storage.

১৮১.
Which part of the neuron receives signals from other neurons?
  1. Dendrite
  2. Node of Ranvier
  3. Synaptic terminal
  4. Axon
ব্যাখ্যা

• নিউরনের মূল অংশ যা অন্য নিউরন থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে তা হলো ডেন্ড্রাইট (Dendrite)। নিউরন একটি বিশেষ ধরনের কোষ যা স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য পরিবহন করে। ডেন্ড্রাইট হলো ছোট, শাখার মতো প্রসারণ যা সেল বডির চারপাশে ছড়িয়ে থাকে। এগুলি অন্য নিউরনের অ্যাক্সন থেকে প্রেরিত রসায়নিক সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং সেগুলিকে সেল বডিতে প্রেরণ করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়। অন্য অংশগুলো যেমন Node of Ranvier, Synaptic terminal, এবং Axon নিউরনের সিগন্যাল প্রেরণ বা গতি বৃদ্ধির জন্য কাজ করে, কিন্তু সরাসরি সিগন্যাল গ্রহণের কাজ করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Dendrite.
 
• স্নায়ুকলা (Nervous tissue):
- যে কলা দেহের সব ধরনের সংবেদন ও উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং তা পরিবহণের মাধ্যমে উদ্দীপনা অনুসারে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে, সেটাই স্নায়ুটিস্যু বা স্নায়ুকলা। 
- বহুসংখ্যক স্নায়ুকোষ বা নিউরনের সমন্বয়ে স্নায়ুটিস্যু গঠিত।
- নিউরনই স্নায়ুতন্ত্রের গঠন এবং কার্যক্রমের একক।

• নিউরনের গঠন:
- প্রতিটি নিউরন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত-কোষদেহ এবং প্রলম্বিত অংশ।

কোষদেহ (Cell body):
- প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম আর নিউক্লিয়াস নিয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। এখানে সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোজোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে।

প্রলম্বিত অংশ:
- কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত অংশ বলে। প্রলম্বিত অংশ দুধরনের:

(i) ডেনড্রন:
- কোষদেহের চারদিকের শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রন বলে। ডেনড্রন থেকে যে শাখা বের হয় তাদের ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রন সংখ্যা শূন্য থেকে শতাধিক পর্যন্ত হতে পারে। ডেনড্রাইট অন্য নিউরন থেকে স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করে।

(ii) অ্যাক্সন (Axon):
- কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা তন্তুর নাম অ্যাক্সন। এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে। নিউরিলেমা এবং অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। একে মায়েলিন (Myelin) বলে।  

অপরদিকে,
- বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকারী একক হচ্ছে নেফ্রন।
- সাইন্যাপস হলো দুটি নিউরন বা একটি নিউরন ও অন্য কোনো কোষের (যেমন পেশী কোষ) সংযোগস্থল, যেখানে একটি নিউরন থেকে পরবর্তী কোষে স্নায়ু সংকেত বা তথ্য রাসায়নিক বা বৈদ্যুতিক উপায়ে প্রবাহিত হয়।
- নিউরোগ্লিয়া হলো স্নায়ুতন্ত্রের সহায়ক কোষ, যা নিউরনকে (স্নায়ুকোষ) ধরে রাখে, পুষ্টি যোগায়, সুরক্ষা দেয় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

১৮২.
Which color of light has the longest wavelength?
  1. Purple
  2. Blue
  3. Yellow
  4. Red
ব্যাখ্যা

আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৮৩.
Which instrument is used to detect earthquakes?
  1. Seismograph
  2. Hygrometer
  3. Barometer
  4. Pyrometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৮৪.
The largest unit of length used to express astronomical distance called -
  1. Kilometer
  2. Parsec
  3. Light-year
  4. None of these
ব্যাখ্যা
Parsec:
- পারসেক (Parsec) হলো জ্যোতির্বিদ্যাগত দূরত্ব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত দৈর্ঘ্যের বৃহত্তম একক। 
- সৌরজগতের বাইরের বস্তুর বড় দূরত্ব পরিমাপের জন্য এই একক ব্যবহৃত হয়।
- ১ পারসেক = ৩.২৬ আলোকবর্ষ।

অন্যদিকে,
• আলোক বর্ষ:
- Light year বা আলোক বর্ষ হলো একটি দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক, যা দিয়ে জ্যোতির্বিদ্যা সম্পর্কিত দূরত্ব মাপা হয়। এক বছরে আলো যতদূর যায়, তা ই আলোক বর্ষ।
- এক আলোক বর্ষ = ৯.৪৬ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার বা ৫.৮৮ ট্রিলিয়ন মাইল।

উৎস: Space.com ওয়েবসাইট।
১৮৫.
Which of the following is universal blood donor?
  1. Group A
  2. Group B
  3. Group AB
  4. Group O
ব্যাখ্যা
রক্তের গ্রুপ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে।
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত।
- মানুষের রক্তে A ও B এই দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

• Group A:
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে।
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

• Group B:
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে।
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

• Group AB:
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে।
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

• Group O:
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই।
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৬.
Which one is not a bacterial disease?
  1. Tuberculosis
  2. Meningitis
  3. Diphtheria
  4. Dysentery
  5. Jaundice
ব্যাখ্যা
ভাইরাস ঘটিত রোগ:
- ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ভাইরাস জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাস জনিত রোগ: এইডস, জন্ডিস, কোভিড-১৯, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, হাম, মাম্পস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, পোলিও, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গু জ্বর, ইবোলা ইত্যাদি।

ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ:
- ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত রোগকে ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ বলে।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ: যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, মেনিনজাইটিস, কলেরা, গনোরিয়া, সিফিলিস, টাইফয়েড, আমাশয়, প্লেগ, কুষ্ট ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের উদ্ভিদবিজ্ঞান বই।
১৮৭.
What occurs if water is placed within a powerful magnetic field?
  1. No magnetic property is observed
  2. A slight magnetic property is seen
  3. A medium level of magnetism appears
  4. A strong magnetic effect appears
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
- প্যারাচুম্বক- যে সকল পদার্থ কে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে সামান্য চৌম্বকত্ব দেখা দেয় সেগুলোকে বলা হয় প্যারাচৌম্বক পদার্থ। যেমন: অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম।

- ডায়াচৌম্বক: যে সকল পদার্থ কে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে ক্ষীণ চৌম্বকত্ব দেখা দেয় সেগুলোকে বলা হয় ডায়াচৌম্বক পদার্থ । যেমন: পানি, তামা।

- ফেরোচৌম্বক পদার্থ: যে সকল পদার্থ কে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে শক্তিশালী চৌম্বকত্ব দেখা দেয় সেগুলোকে বলা হয় ফেরোচৌম্বক পদার্থ। যেমন: নিকেল, কোবাল্ট।

- অচৌম্বক পদার্থ: যে সকল পদার্থ কে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে কোন চৌম্বকত্বপ্রদর্শন করে না সেগুলোকে বলা হয় অচৌম্বক পদার্থ। যেমন: বেশির ভাগ অধাতু (কাঠ,কাগজ)।

তথ্যসূত্র:
- HSC পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র; ড. শাহজাহান তপন।
- Britannica.
১৮৮.
Which is the primary element used for making stainless steel alloy?
  1. Indium
  2. Chromium
  3. Vanadium
  4. Sodium
  5. Zirconium
ব্যাখ্যা
স্টেইনলেস স্টিল:
- যে স্টিলে মরচে পড়ে না এবং যার উচ্চমাত্রার তাপ সহ্য করার ক্ষমতা রয়েছে, তাকে স্টেইনলেস স্টিল বলে।
- স্টেইনলেস স্টিল একটি সংকর ধাতু।
- স্টেইনলেস স্টিলে সাধারণত থাকে লোহা ৭০-৯০%, ক্রোমিয়াম ১২-২০% এবং ০.১-০.৭% কার্বন।
- কাঁটা চামচ, রান্নাঘরের সিঙ্ক, ছুরি, অস্ত্রপাতির যন্ত্রপাতি ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।
- স্টেইনলেস স্টিলকে মরিচাবিহীন ইস্পাত বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্টেইনলেস স্টিলে মরচে না পড়ার কারণ এতে ক্রোমিয়ামের ভাগ বেশি রয়েছে।
- ক্রোমিয়াম অক্সাইড খুব সূক্ষ্ম স্বচ্ছ পর্দার আকারে স্টেইনলেস স্টিলের সমস্ত পৃষ্ঠতলকে ঘিরে রাখে। 
- ফলে মরিচা বা আয়রন অক্সাইড তৈরি হতে পারে না। 

উৎস: i) Unified Alloys.
ii) ScienceDirect.com
১৮৯.
The process of separating a mixture based on differences in boiling points is called:
  1. Chromatography
  2. Distillation
  3. Filtration
  4. Sedimentation
ব্যাখ্যা

◉ Distillation (পাতন) হলো একটি separation technique যেখানে দুটি বা ততোধিক তরলকে তাদের boiling points-এর ভিত্তিতে আলাদা করা হয়।

পাতন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়।
- আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে। যেমন: জলীয় বাষ্প তাপশক্তি নির্গত করে ঠান্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়।
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। অর্থাৎ
পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন

- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। যেমন: নিশাদল (NH₄Cl), কর্পূর (C₁₀H₁₆O), ন্যাপথলিন (C₁₀H₈), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), আয়োডিন (I₂), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl₃) এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থও বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯০.
HIV primarily targets which type of human cells?
  1. Platelets
  2. Neurons
  3. Helper T cells (CD4+)
  4. Red blood cells
ব্যাখ্যা

• HIV বা মানব ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস মূলত মানব দেহের ইমিউন সিস্টেমের বিশেষ ধরণের কোষকে আক্রান্ত করে। এই ভাইরাস প্রধানত গ) Helper T cells (CD4+) কে লক্ষ্য করে। এই কোষগুলো ইমিউন সিস্টেমের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এগুলো অন্যান্য লিউকোসাইটকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সিগন্যাল দেয় এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টিবডি উৎপাদনকে উৎসাহিত করে। HIV এই কোষগুলোর মধ্যে প্রবেশ করে এবং তাদের ধ্বংস করে, ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, সংক্রমিত ব্যক্তি বিভিন্ন সংক্রমণ এবং রোগের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। তাই HIV-এর মূল লক্ষ্য হল Helper T cells.
 
এইচআইভি এবং এইডস-এর বিস্তার:
এইচআইভি একটি নীরব ঘাতক। এই নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে এইচআইভি ও এইডস কীভাবে বিস্তার লাভ করে তা জানবার জন্য প্রথমেই জানা প্রয়োজন এই ভাইরাস কীসে থাকে। মানুষের শরীরে উৎপন্ন বিভিন্ন তরল পদার্থ যেমন- রক্ত, বীর্য, যৌনিরস, লালা এগুলোতে HIV বাস করে। এ গুলোর মধ্যে মুখের লালায় HIV -র পরিমাণ কম থাকে বলে লালা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। কিন্তু রক্ত, যোনিরস ও বীর্য কোনোভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করলে এইচআইভি সংক্রমণ ঘটে। বিভিন্ন উপায়ে এইচআইভি ছড়াতে পারে।
যেমন-

১। অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক:
এইচআইভি ছড়ানোর সবচেয়ে বড় কারণ অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে সারা বিশ্বের এইচআইভি ব্যক্তিদের শতকরা আশি (৮০%) ভাগই অনিরাপদ দৈহিক মিলনে হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির বীর্য বা যোনিরসের মাধ্যমে যৌন সঙ্গীর দেহে এইডস-এর ভাইরাস প্রবেশ করে। আরও বিপদজনক হলো যৌনসঙ্গিনী যদি সন্তান ধারণ করে তবে ঐ সন্তানের দেহেও এইচআইভি প্রবেশ করে।

২। আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তগ্রহণ:
অনেক সময় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হলে বা অপারেশনের সময় বা দুর্ঘটনায় পড়লে অন্যের রক্ত নিতে হয়। তাছাড়াও বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য একজনের শরীরের অঙ্গ যেমন- কর্নিয়া, হৃৎপিন্ড, কিডনী বা অন্য কোনো অঙ্গ এক ব্যক্তির দেহ থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়। অসচেতনতা বা দায়িত্বহীনতার কারণে অনেক সময় অপারেশনের যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করা হয় না। এইচআইভি সংক্রমিত রক্ত বা এইচআইভি আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির অঙ্গ অন্য কোনো
ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এইচআইভি বিস্তার লাভ করে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই এক সুচ ও সিরিঞ্জ ব্যবহার করে। এতে সুস্থ ব্যক্তির দেহে এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ হয়। এইচআইভি বা এইডস আক্রান্ত মায়ের নিকট থেকে তিনটি পর্যায়ে শিশুর শরীরে এর ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে। যেমন-
ক) গর্ভকালীন সময়ে, 
খ) প্রসবকালীন সময়ে, 
গ) মায়ের দুধ পানের মাধ্যমে।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯১.
What is the formula of baking soda?
  1. NaHCO2
  2. NaHCO4
  3. CH3COOH
  4. Na2CO3
  5. None of the above
ব্যাখ্যা
বেকিং সোডা:
- খাবার সোডা/বেকিং সোডার সংকেত NaHCO3
- কেক বানানোর জন্য বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া,
- ইথানয়িক এসিডের (CH3COOH) ৬ - ১০% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে।
- খাদ্য সংরক্ষণের কাজে ভিনেগার ব্যবহার করা হয়।
- কাপড় কাচার সোডার সংকেত Na2CO3.10H2O
- কস্টিক সোডার সংকেত NaOH

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি
১৯২.
Which of the following is not a form of electromagnetic radiation?
  1. X-rays
  2. Radio waves
  3. Sound waves
  4. Ultraviolet rays
ব্যাখ্যা

◉ Electromagnetic radiation হলো এক ধরনের energy যা electromagnetic waves আকারে শূন্যস্থান (vacuum) বা মাধ্যমের (medium) মাধ্যমে চলাচল করে।
Sound waves হলো electromagnetic radiation নয়। Sound waves হলো mechanical waves.

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ।

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গসমূহ হচ্ছে- 
১। গামা রশ্মি, 
২। এক্সরে, 
৩। অতিবেগুনি রশ্মি, 
৪। দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ, 
৫। অবলোহিত রশ্মি, 
৬। মাইক্রো তরঙ্গ, 
৭। বেতার তরঙ্গ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৩.
The equatorial diameter of the Earth is–
  1. ক) 12757 km
  2. খ) 13560 km
  3. গ) 13900 km
  4. ঘ) 14657 km
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর আকৃতি যেহেতু সম্পূর্ণ গোলাকার নয় সেহেতু পৃথিবীর নিরক্ষীয় 'পূর্ব-পশ্চিম' ব্যাস ও মরুদেশীয় 'উত্তর-দক্ষিন' ব্যাস ভিন্ন।
- মেরুদেশীয় ব্যাস হল ১২,৭১৪ কিলোমিটার
- নিরক্ষীয় ব্যাস হল ১২,৭৫৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবীর গড় ব্যাস হল ১২,৭৩৪.৫ কিলোমিটার
- পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ হল ৬৪০০ কিলোমিটার।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।

১৯৪.
Which light has the longest wavelength?
  1. Purple
  2. Blue
  3. Orange
  4. Red
ব্যাখ্যা

আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৯৫.
How many chambers does a frog’s heart have?
  1. One
  2. Two
  3. Three
  4. Four
ব্যাখ্যা

•  ব্যাঙের হৃৎপিণ্ড ৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 

উল্লেখ্য,
- ক্যাটল ফিস এবং অক্টোপাসের হৃৎপিণ্ড আছে ৩টি করে। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট। 
- তেলাপোকার হৃৎপিণ্ড ১৩ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।

হৃৎপিণ্ড(Heart): 
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হচ্ছে হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত সংবহন করে। 
- হৃৎপিণ্ড পাম্পের মতো নির্দিষ্ট তালে ও ছন্দে সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। 
- হৃৎপিণ্ডের স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (systole) বলে এবং স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (diastole) বলে। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয় তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯৬.
Natural gas is composed of ________ methane.
  1. 35-40%
  2. 65-75%
  3. 60-70%
  4. 80-90%
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস:
- ভূত্বকের অভ্যন্তরে খনিতে প্রাপ্ত হাইড্রোকার্বন, যা স্বাভাবিক চাপ ও তাপে গ্যাস বা বাষ্পাকারে থাকে, তা-ই প্রাকৃতিক গ্যাস।
- এর প্রধান গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মিথেন।
- শতকরা ৯৭.৩৩ ভাগ মিথেন প্রাকৃতিক গ্যাসে থাকে।
- এ ছাড়া বাকি অংশে ইথেন, প্রোপেন ও অন্যান্য উপাদান ছাড়াও প্রচলিত অপদ্রব্যের মধ্যে নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সালফাইড অন্তর্ভুক্ত।
- ভূত্বকে প্রাকৃতিক গ্যাস স্বয়ংসম্পূর্ণভাবেও থাকতে পারে আবার তেল সহযোগেও থাকতে পারে। 

⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলাে হলাে-
• মিথেন- ৮০-৯০%,
• ইথেন- ১৩%,
• প্রােপেন- ৩%।
- এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯%।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
Who among the following was the first person to determine the circumference of the Earth?
  1. ক) Plato
  2. খ) Aristotle
  3. গ) Eratosthenes
  4. ঘ) Ptolemy III Euergetes
ব্যাখ্যা

Eratosthenes, in full Eratosthenes of Cyrene, (bornc.276&BCE, Cyrene, Libya—died.194BCE, Alexandria, Egypt), Greek scientific writer, astronomer, and poet, who made the first measurement of the size of Earth for which any details are known.
Earlier estimates of the circumference of Earth had been made (for example, Aristotle says that 'some mathematicians' had obtained a value of 400,000 stadia), but no details of their methods have survived.
An account of Eratosthenes’ method is preserved in the Greek astronomer Cleomedes’ Meteora.
Source: www.britannica.com

১৯৮.
Among these scientists, who first proposed that "Earth itself is a big magnet"?
  1. Galileo Galilei
  2. Nikola Tesla
  3. Michael Faraday
  4. William Gilbert
  5. Isaac Newton
ব্যাখ্যা
চুম্বকত্ব: 
- যে বস্তু অন্য বিশেষ ধর্ম বিশিষ্ট বস্তুকে আকর্ষণ করতে পারে এবং যাকে মুক্তভাবে ঝুলিয়ে দিয়ে সাম্যাবস্থায় একটি নির্দিষ্ট দিকে (উত্তর -দক্ষিণে) মুখ করে থাকে, তাকেই সাধারণ ভাবে চুম্বক বলা হয়। 
- যে ধর্মের জন্য একটি চুম্বক অন্য বস্তুকে আকর্ষণ করে সেই ধর্মকে বলা হয় চুম্বকত্ব। 
- চুম্বকত্ব পদার্থের একটি ভৌত ধর্ম। 

- কোন পদার্থকে কৃত্রিম উপায়ে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন, তাপমাত্রা ইত্যাদির তেমন কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- আর যেসব বস্তু চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত বা বিকর্ষিত হয় অর্থাৎ চুম্বক দ্বারা প্রভাবিত হয় তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ (Magnetic substance) বলা হয়। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি চৌম্বক পদার্থ। 

- একটি চুম্বক শলাকাকে এর ভারকেন্দ্রে অনুভূমিকভাবে ঝুলিয়ে দিলে শলাকাটি সর্বদাই উত্তর-দক্ষিণ দিকে মুখ করে থাকে। 
- চুম্বকের এই অবস্থায় সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথমভাগে রানী এলিজাবেথের গৃহ চিকিৎসক ড. গিলবার্ট সর্বপ্রথম এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, একটি চুম্বক ক্ষেত্র পৃথিবীকে ঘিরে রয়েছে অর্থাৎ পৃথিবী নিজেই একটি বড় চুম্বক। 
- পৃথিবীর এ চুম্বকত্বকে ভূ-চুম্বকত্ব বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৯.
The discovery of X-rays is credited to:
  1. Werner Heisenberg
  2. Ernest Rutherford
  3. James Clerk Maxwell
  4. Wilhelm Conrad Roentgen
  5. None of these
ব্যাখ্যা
• এক্স-রে: 
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন (Wilhelm Conrad Roentgen) ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন। 
- এক্স-রে এক ধরনের তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)। 
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি। 

এক্স-রের ব্যবহার: 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়। 
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়। 
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়। 

- এক্স-রে সাধারনত ২ ধরনের হয়। 
যথা- 
১) কোমল এক্স-রে এবং 
২) কঠিন এক্স-রে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
২০০.
Which is the name of the device for measuring density of milk?
  1. lactometer
  2. Fadometer
  3. Seismograph
  4. Manometer
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- দুধের ঘনত্ব পরিমাপের যন্ত্রের নাম ল্যাকটোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com